মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ড্রপশিপিং ও রিসেলিং

মাল হাতে না রেখে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে কুরিয়ারে পাঠিয়ে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে বিক্রি। কুরিয়ার ৳৬০–১৮০ ও ১% সিওডি চার্জ, আর ফেরত এলে ডেলিভারি চার্জের ৫০% বাড়তি — এখানেই লাভ শেষ হয়ে যায়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ড্রপশিপিং ও রিসেলিং

ড্রপশিপিং ও রিসেলিং

শুরুর পুঁজি
৳২০,০০০ – ৳২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
৩ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
অনলাইন · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

নিজের কাছে মাল না রেখে ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটে পণ্য দেখিয়ে অর্ডার নেওয়া, তারপর পাইকারের কাছ থেকে নিয়ে কুরিয়ারে পাঠিয়ে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে টাকা তোলা। ফেসবুকের গ্রুপে এখন এটাই সবচেয়ে বেশি প্রচার হয়। কিন্তু হিসাবটা যেখানে ভাঙে, সেটা আগে দেখে নিন। পাঠাও কুরিয়ারের প্রকাশিত দর অনুযায়ী ঢাকার ভেতরে ৫০০ গ্রামের পার্সেল ৳৬০, ঢাকার বাইরে ৳১১০, আর ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকার বাইরে ২ কেজি পর্যন্ত ৳১৮০। এর সঙ্গে ১ শতাংশ ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ, আর এই দাম ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড়া। এবার আসল কথা। পার্সেল ফেরত এলে ডেলিভারি চার্জের সঙ্গে আরও ৫০ শতাংশ রিটার্ন চার্জ যোগ হয়। মানে ঢাকার বাইরের যে পার্সেল খদ্দের নিল না, তাতে আপনি দিলেন ৳১১০ আর ফেরতে দিলেন ৳৫৫ — মোট ৳১৬৫ গেল, আয় হলো শূন্য টাকা, আর মালটা আবার ফেরত এল। একটা ফেরত পার্সেলের ক্ষতি পোষাতে কয়টা সফল ডেলিভারি লাগবে, সেই হিসাব কষেই এই ব্যবসায় নামা উচিত। আরেকটা কথা মনে রাখুন: ডিজিটাল ব্যবসার জন্য ডিবিআইডি নম্বর বাধ্যতামূলক। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালুর পর ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ডিবিআইডি পেয়েছে মাত্র ১,৮৭০টি প্রতিষ্ঠান, আর ঝুলে আছে প্রায় ১২ হাজার আবেদন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩৩,০০০ – ৳৫৪,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৫০০ – ৳২,০০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৬০ – ৳১৮০ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার৮% – ৩৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ২৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৮০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • একটি ফোন বা কম্পিউটার, ইন্টারনেট, প্যাকিংয়ের জিনিসপত্র আর পার্সেল ওজন করার দাঁড়িপাল্লা — কুরিয়ারের দর ওজনের ধাপে ধাপে বাড়ে, তাই ওজন না জেনে দর ধরা যায় না।যন্ত্রপাতি
  • সত্যিকারের ড্রপশিপিংয়ে মাল হাতে রাখতে হয় না, কিন্তু বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে দ্রুত পাঠাতে হলে চলতি পণ্য কিছুটা হাতে রাখতে হয়। ফেরত আসা মালও জমে, তাই রাখার জায়গা দরকার হয়।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
  • ডিবিআইডি (ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন) — যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ডিবিআইডি ছাড়া ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসা করা যায় না। ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি চালু; ১৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত পেয়েছে ১,৮৭০টি প্রতিষ্ঠান, ঝুলে আছে প্রায় ১২ হাজার আবেদন।লাইসেন্স
  • ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালানো, পণ্যের ছবি ও বিবরণ তৈরি, আর প্রতিটি পার্সেলের খরচ-আয়ের হিসাব রাখা। শেষেরটাই এখানে সবচেয়ে জরুরি এবং সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।দক্ষতা
  • পণ্যের পাইকার, আর লিখিত শর্ত যে ফেরত আসা মাল তারা ফেরত নেবে। এটি না থাকলে প্রতিটি ফেরত পার্সেলের মাল আপনার হাতে জমতে থাকবে।সরবরাহকারী
  • কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানে মার্চেন্ট নিবন্ধন। পাঠাও কুরিয়ারের সঙ্গে ২ লাখের বেশি অনলাইন মার্চেন্ট যুক্ত, সেবা ৬৪ জেলায়; স্টেডফাস্ট কুরিয়ারে নিবন্ধিত মার্চেন্ট ৩ লাখ, সেবা ৮ বিভাগ, ৪৯৫ উপজেলা ও ৩৩০ পৌর এলাকায়। টাকা নিতে ব্যাংক হিসাব বা ব্যক্তিগত বিকাশ অ্যাকাউন্ট লাগে।সরবরাহকারী

কাজের ধাপ

  1. 1পণ্য বাছার আগে কুরিয়ার খরচ বসিয়ে হিসাব করুন। ঢাকার বাইরে ৫০০ গ্রামের পার্সেলে ৳১১০ যায়; যে পণ্যের লাভ ৳১১০-এর কম, সেটা পাঠানোর মানেই নেই।
  2. 2পাইকার ঠিক করুন এবং লিখিতভাবে জেনে নিন ফেরত আসা মাল তারা ফিরিয়ে নেবে কি না। না নিলে প্রতিটি ফেরত পার্সেলের মালই আপনার গলায় ঝুলবে।
  3. 3কুরিয়ারে মার্চেন্ট হিসেবে নিবন্ধন করুন। ব্যবসার নাম, মালিকের নাম, মোবাইল ও ই-মেইল দিয়ে সাইন আপের পর স্টোর ও পেমেন্টের তথ্য দিতে হয়; টাকা নিতে ব্যাংক হিসাব বা ব্যক্তিগত বিকাশ অ্যাকাউন্ট লাগে।
  4. 4ডিবিআইডি নিবন্ধনের আবেদন করুন — আরজেএসসির মাধ্যমে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ডিবিআইডি ছাড়া ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসা করা যায় না, আর আবেদন ঝুলে থাকতে পারে অনেক দিন।
  5. 5সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ডিবিআইডির আবেদনের সময়ও এটি কাজে লাগে।
  6. 6প্রতিটি পার্সেলের খরচ আলাদা খাতায় লিখুন: পণ্যের দাম, কুরিয়ার চার্জ, ১% সিওডি চার্জ, ভ্যাট, মোড়ক আর বিজ্ঞাপনের ভাগ। এই ছয়টি যোগ না করলে লাভের হিসাব মিথ্যা হবে।
  7. 7প্রথম মাসে অল্প অর্ডার নিয়ে দেখুন কতটা ফেরত আসে। নিজের ফেরতের হার না জেনে বিজ্ঞাপনে টাকা ঢালবেন না — এই একটা সংখ্যাই ঠিক করবে আপনি লাভে আছেন না লোকসানে।
  8. 8ফেরত কমাতে অর্ডারের পর ফোন করে নিশ্চিত করুন। ঢাকা মেট্রোর ভেতরে ফেরত চার্জ লাগে না, কিন্তু ঢাকার বাইরে প্রতিটি ফেরতে ডেলিভারি চার্জের বাড়তি ৫০ শতাংশ গুনতে হয়।
  9. 9বিজ্ঞাপনের খরচ প্রতিদিন হিসাব করুন — কত টাকা খরচে কয়টা অর্ডার এল। খরচ বাড়লে অথচ অর্ডার না বাড়লে তখনই থামুন।
  10. 10পণ্যের বর্ণনা ও ছবি সত্যি রাখুন। ছবির সঙ্গে জিনিস না মিললে খদ্দের নেয় না, আর ফেরতের পুরো খরচটা আপনারই।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীঢাকা · ঢাকার ভেতরে কুরিয়ার সবচেয়ে সস্তা (৫০০ গ্রাম ৳৬০), ডেলিভারি ২৪ ঘণ্টায়, আর ঢাকা মেট্রোর ভেতরের অর্ডারে ফেরত চার্জই লাগে না — ঝুঁকি এখানেই সবচেয়ে কম।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকার দরে পড়ে (৫০০ গ্রাম ৳৮০); ঘন বসতি ও কারখানার কর্মীদের চাহিদা আছে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা হিসেবে কুরিয়ার দর কম (৫০০ গ্রাম ৳৮০), আর পাইকারি বাজারও কাছে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, কুরিয়ার সেবা ভালো; তবে ঢাকার বাইরে থেকে বাইরে পাঠালে দর ৳১২০ থেকে শুরু।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহর, একই শহরের ভেতরে পাঠালে দর কম; তবে ঢাকা থেকে পাঠালে ৳১১০ থেকে শুরু আর ফেরত চার্জও প্রযোজ্য।
  • সম্ভবকুমিল্লা · পাঠাও কুরিয়ারের তালিকাভুক্ত জেলা, মহাসড়কের কারণে পৌঁছানো সহজ; তবে ঢাকার বাইরের দর ও ফেরত চার্জ দুটোই লাগে।
  • সম্ভবখুলনা · কুরিয়ার সেবা আছে, তবে ঢাকা থেকে দূরে বলে প্রতি পার্সেলে খরচ বেশি পড়ে।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর, কুরিয়ার সেবা আছে; দূরত্বের কারণে খরচ ও ফেরতের ঝুঁকি দুটোই বেশি।
  • সম্ভবসিলেট · ক্রয়ক্ষমতা তুলনামূলক ভালো, কিন্তু দূরত্বের কারণে কুরিয়ার খরচ বেশি আর ফেরত এলে ক্ষতিও বেশি।
  • কম উপযোগীরংপুর · দূরত্ব বেশি, কুরিয়ার খরচ ও ফেরতের ঝুঁকি দুটোই বেশি, আর গড় ক্রয়ক্ষমতা কম — কম দামের পণ্যে এখানে লাভ থাকে না।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: ফেরত পার্সেলই এই ব্যবসার আসল ঘাতক। পাঠাও কুরিয়ারের নিয়ম অনুযায়ী ফেরতের ক্ষেত্রে ডেলিভারি চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ রিটার্ন চার্জ দিতে হয় (ঢাকা মেট্রোর ভেতরের অর্ডারে ফেরত চার্জ নেই, তবে পার্শিয়াল ও এক্সচেঞ্জ ডেলিভারিতে সেখানেও লাগে)। ঢাকার বাইরে ৳১১০-এর একটি পার্সেল ফেরত এলে মোট খরচ দাঁড়ায় ৳১৬৫, আয় শূন্য। যে পণ্যে আপনার লাভ ৳১০০, তাতে একটি ফেরত পার্সেলের ক্ষতি পোষাতে প্রায় দুটি সফল ডেলিভারি লাগে — ফেরতের হার একটু বাড়লেই পুরো মাস লোকসানে চলে যায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসাটা দাঁড়িয়ে আছে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের ওপর, যেটা আপনার হাতে নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের 'ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা, ২০২৬'-এর খসড়া (২৫ জুলাই ২০২৬) বলছে, ডিবিআইডি নিবন্ধন ছাড়া মেটা বা গুগলের মতো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না, আর বিজ্ঞাপনে ভ্যাট-করসহ প্রচলিত বিধিবিধান মানতে হবে। নীতিমালা কার্যকর হলে বিজ্ঞাপনের খরচ ও পদ্ধতি দুটোই বদলাতে পারে। ফেসবুক কিছুদিন বন্ধ থাকলেও অর্ডার শূন্যে নেমে যায়।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: ডিবিআইডি ছাড়া ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসা করা যায় না, অথচ নিবন্ধনটাই আটকে আছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালুর পর ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ডিবিআইডি পেয়েছে মাত্র ১,৮৭০টি প্রতিষ্ঠান, আর নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে প্রায় ১২ হাজার আবেদন। আরজেএসসি বলছে বাজেট, জনবল ও কারিগরি সমস্যার কারণে তারা সেবা দিতে পারছে না। ফলে হাজার হাজার অনলাইন বিক্রেতা কাগজে-কলমে অবৈধভাবেই ব্যবসা চালাচ্ছেন, আর নিয়ম কড়া হলে সবার আগে তাঁরাই বিপদে পড়বেন।
  • বেশিচাহিদা: ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ক্রেতা টাকা দেওয়ার আগেই জিনিস দেখতে পান, আর পছন্দ না হলে নিতে বাধ্য নন। ছবির সঙ্গে জিনিস না মিললে, দাম বেশি মনে হলে, বা কয়েক দিনে মত বদলে গেলে পার্সেল ফেরত যায়। বিক্রেতার হাতে এর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, অথচ পুরো খরচ তাঁরই। এই কারণেই অনলাইনে যত অর্ডার দেখা যায়, তত টাকা আসে না।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: পণ্যের টাকা পাইকারকে আগেই দিতে হয়, কিন্তু ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা কুরিয়ার হয়ে আপনার কাছে আসে ডেলিভারির পরে। পাঠাওয়ের প্রকাশিত ডেলিভারির সময়ই ঢাকার বাইরে ৭২ ঘণ্টা, আর কুরিয়ার কবে টাকা ছাড়ে তার সময়সূচি প্রকাশিত নেই। অর্ডার বাড়লে এই ফাঁকটাও বাড়ে, আর হাতে টাকা না থাকলে পরের মাল কেনা যায় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

গ্রাফিক ডিজাইন সেবা

লোগো, ব্যানার ও মোড়ক ডিজাইন করে বিক্রি। শেখা প্রায় বিনা খরচে বলে প্রতিযোগিতা প্রচণ্ড; বিদেশি কাজে আয়ের ৫–৮% গেটওয়ে ও রূপান্তরে চলে যায়, তবে ২.৫% নগদ সহায়তা মেলে।

পুঁজি
৳২৫ হাজার – ৳১.৮ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি

ঢাকার বাইরে এক পার্সেল পাঠাতে কুরিয়ারে ৳১৩৫–১৫০ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ১%। ফেরত এলে যাওয়া-আসার দুই ভাড়াই আপনার — ফেরতের হারই এই ব্যবসার আসল সংখ্যা।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩ – ২১ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ডেটা এন্ট্রি সেবা

ঘরে বসে টাইপ ও তালিকার কাজ করে আয়। ঢোকা সহজ, শুরুর আয় খুব কম — একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রথম মাসের আয় ছিল ১৩ ডলার, আর মাসে এক লাখে পৌঁছাতে লেগেছে চার বছর।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৯০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১৮০ দিন
বাজারদর
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

কনটেন্ট রাইটিং সেবা

টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে লেখার কাজ। পুঁজি প্রায় শূন্য — কম্পিউটার, ৳৫০০-র ইন্টারনেট আর বিদ্যুৎ। কিন্তু এআই আসার আট মাসেই লেখালেখির কাজের বিজ্ঞাপন ২১% কমেছে, আর চাহিদা কমেছে ২০–৫০%।

পুঁজি
৳৩১.৭ হাজার – ৳৬৫.৫ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৮০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান