মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি

ঢাকার বাইরে এক পার্সেল পাঠাতে কুরিয়ারে ৳১৩৫–১৫০ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ১%। ফেরত এলে যাওয়া-আসার দুই ভাড়াই আপনার — ফেরতের হারই এই ব্যবসার আসল সংখ্যা।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

ফেসবুক পেজে পণ্য বিক্রি — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳১৫,০০০ – ৳২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৩ – ২১ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
অনলাইন · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ফেসবুক পেজ খুলে ছবি দিয়ে পণ্য বিক্রি করা, আর কুরিয়ারে পাঠিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতে হাতে টাকা নেওয়া। দোকান ভাড়া নেই, সাইনবোর্ড নেই — তাই সবাই ভাবে খরচও নেই। আসল খরচ দুই জায়গায়: কুরিয়ার আর ফেরত। কুরিয়ারের দর গোপন কিছু নয়। স্টেডফাস্টে ঢাকার ভেতরে এক কেজি পর্যন্ত ৳৫৫, আর ঢাকার বাইরে শহর থেকে শহরে ৳১৩৫, সঙ্গে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে আদায়কৃত টাকার ১ শতাংশ। রেডএক্সে ঢাকার ভেতরে ৳৭০ আর বাইরে ৳১৫০; ঢাকার ভেতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি ফি নেই, বাইরে ১ শতাংশ। অর্থাৎ ৳৫০০ টাকার একটা জামা ঢাকার বাইরে পাঠালে হাতে আসার আগেই ৳১৪০ চলে যায়। লাভ যদি ৳১৫০ হয়, তবে ওই একটা পার্সেলে থাকল ৳১০। আর যদি গ্রাহক পণ্য না নেন, তাহলে যাওয়া-আসা দুই পথের ভাড়াই আপনার, বিক্রি শূন্য। তাই এই ব্যবসার আসল সংখ্যা হলো ফেরতের হার — একশটা পার্সেলের কয়টা ফেরত আসে। ওই সংখ্যাটা না জেনে ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করা মানে অন্ধকারে হিসাব করা। ই-ক্যাবের হিসাবে সারা দেশে দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেল যায়; ভিড় প্রচুর, তাই দাম দিয়ে নয়, পণ্য ও বিশ্বাস দিয়ে টিকতে হয়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১৫,০০০ – ৳১,৫০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৬০০ – ৳২,৫০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৫৫ – ৳১৫০ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার২১% – ৪৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩ – ২১ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র২ – ১০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৮% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৫ – ৪০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ভালো ক্যামেরার একটি মোবাইল ফোন, আলোর ব্যবস্থা, প্যাকিংয়ের জিনিস (পলি ব্যাগ, বাবল র‍্যাপ, স্কচটেপ), আর অর্ডার লেখার খাতা বা শিট।যন্ত্রপাতি
  • হাতে মজুদ পণ্য। আগে থেকে মাল না রাখলে অর্ডার পেয়ে জোগাড় করতে দেরি হয়, আর দেরিই ফেরতের সবচেয়ে বড় কারণ।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু। বড় কুরিয়ার ও পেমেন্ট গেটওয়ের সঙ্গে মার্চেন্ট হিসেবে কাজ করতে এটি চাওয়া হয়।লাইসেন্স
  • ছবি তোলা ও লেখা, মেসেজের দ্রুত উত্তর দেওয়া, আর প্রতিটি পার্সেলের হিসাব রাখা — গেল কত, এলো কত, ফেরত কয়টা।দক্ষতা
  • কুরিয়ার সার্ভিস — স্টেডফাস্ট বা রেডএক্সের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে মার্চেন্ট হিসেবে নিবন্ধন। স্টেডফাস্ট ঢাকার ভেতরে ৳৫৫ ও বাইরে ৳১৩৫ (ক্যাশ অন ডেলিভারি ১%); রেডএক্স ঢাকার ভেতরে ৳৭০ ও বাইরে ৳১৫০ (ক্যাশ অন ডেলিভারি ঢাকায় ০%, বাইরে ১%)।সরবরাহকারী
  • পাইকারি উৎস — ঢাকার পাইকারি মার্কেট, স্থানীয় কারিগর বা আমদানিকারক। উৎস এক জায়গায় স্থির না হলে ছবি আর হাতে পাওয়া পণ্যে মিল থাকে না।সরবরাহকারী
  • ঘরের এক কোণ — পণ্য রাখার তাক, প্যাক করার টেবিল আর ছবি তোলার জন্য আলো আসে এমন জায়গা। আলাদা দোকান লাগে না।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1কী বেচবেন ঠিক করুন — একটা সরু বিষয় বেছে নিন। 'সব কিছু' বিক্রির পেজ দাঁড়ায় না, কারণ গ্রাহক মনে রাখার মতো কিছু পান না।
  2. 2পাইকারি উৎস ঠিক করুন — ঢাকার পাইকারি মার্কেট, স্থানীয় কারিগর, নাকি আমদানি। কেনা দর লিখে রাখুন; এই দর ছাড়া কুরিয়ার খরচ বাদ দিয়ে লাভ কত, তা বের করা যাবে না।
  3. 3নিজের পণ্যের ছবি নিজে তুলুন। ইন্টারনেট থেকে নামানো ছবি দিলে হাতে পাওয়া জিনিস মেলে না, আর তখনই পার্সেল ফেরত আসে।
  4. 4প্রতিটি পণ্যের দাম ঠিক করার আগে কুরিয়ার খরচ যোগ করুন। ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০ আর ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ১% — এটা আপনার খরচ, গ্রাহকের নয়, যদি না আপনি আলাদা করে নেন।
  5. 5ডেলিভারি চার্জ আগে নেবেন নাকি পুরো টাকা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে নেবেন, তা ঠিক করে পেজে লিখে রাখুন। অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ নিলে ভুয়া অর্ডার অনেক কমে যায়।
  6. 6অর্ডার নেওয়ার আগে ফোনে কথা বলে ঠিকানা ও পণ্য নিশ্চিত করুন। শুধু মেসেজের ভিত্তিতে পাঠানো পার্সেলই সবচেয়ে বেশি ফেরত আসে।
  7. 7একটা কুরিয়ার বেছে নিন আর প্রতিটি পার্সেলের ট্র্যাকিং নম্বর খাতায় রাখুন — কবে গেল, কবে পৌঁছাল, কবে টাকা এলো।
  8. 8মজবুত প্যাকিং করুন আর ভেতরে ফেরত-বদলের শর্ত লিখে দিন। ভাঙা বা নষ্ট পণ্য পৌঁছালে সেই লোকসান পুরোটাই আপনার।
  9. 9প্রতি মাসে ফেরতের হার হিসাব করুন — কত পার্সেল গেল আর কয়টা ফেরত এলো। এই একটা সংখ্যাই বলে দেবে ব্যবসা লাভে আছে না লোকসানে।
  10. 10যেসব এলাকা থেকে বারবার পার্সেল ফেরত আসে, সেখানে অগ্রিম ছাড়া পাঠানো বন্ধ করুন। ফেরতের খরচ কমানোর সবচেয়ে সোজা উপায় এটাই।
  11. 11রোজা-ঈদ আর শীতের আগে মাল বাড়ান, আর বর্ষার দুই মাসে কমান। বিক্রির পাশাপাশি কুরিয়ারের সময়ও তখন বেড়ে যায়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহরের ক্রেতা আর শহরের ভেতরেই কুরিয়ার হাব; শহর থেকে শহরে পাঠানোর দর ৳১৩৫–১৫০।
  • খুব উপযোগীঢাকা · কুরিয়ার সবচেয়ে সস্তা ও দ্রুত — ঢাকার ভেতরে ৳৫৫–৭০, আর রেডএক্সে ক্যাশ অন ডেলিভারি ফি নেই। পাইকারি মার্কেটও হাতের কাছে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · ঢাকার পাশে হওয়ায় পিকআপ সহজ, আর ক্রেতার সংখ্যাও বেশি।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · পাইকারি পোশাকের বড় উৎস কাছেই, আর ঢাকার কুরিয়ার নেটওয়ার্কের ভেতরে পড়ে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের পাশে হওয়ায় ঢাকা থেকে দ্রুত পৌঁছায়, আর জেলা শহরে ঢাকার পণ্যের চাহিদা আছে।
  • সম্ভবখুলনা · শহরের ক্রেতা ভালো, কুরিয়ার কভারেজও আছে; শহরের বাইরের উপজেলায় ফেরতের ঝুঁকি বাড়ে।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · ছাত্র ও তরুণ ক্রেতার সংখ্যা বেশি; কম দামের পণ্যে কুরিয়ার খরচ লাভ খেয়ে ফেলে।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় শহর, তরুণ ক্রেতা বেশি; তবে ঢাকা থেকে পাঠাতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, তাই বেশি দামের পণ্য বিক্রি হয় আর কুরিয়ার খরচ তুলনায় কম পড়ে।
  • কম উপযোগীবান্দরবান · কুরিয়ার কভারেজ সীমিত, পৌঁছাতে সময় বেশি আর ফেরতের ঝুঁকিও বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: ক্যাশ অন ডেলিভারিতে টাকা আসে সবার শেষে। মাল কিনতে হয় আগে, কুরিয়ারে পাঠাতে হয় আগে, আর টাকা আসে গ্রাহক পণ্য নেওয়ার পর কুরিয়ারের নিজের চক্র শেষ হলে। যত অর্ডার বাড়বে, তত বেশি টাকা রাস্তায় আটকে থাকবে — ব্যবসা বাড়তে থাকলেও হাতে টাকা কমতে থাকে।
  • বেশিচাহিদা: পার্সেল ফেরত এলে বিক্রি শূন্য, কিন্তু খরচ দ্বিগুণ — যাওয়ার ভাড়া আর ফেরার ভাড়া দুটোই বিক্রেতার। ঢাকার বাইরে একটা ৳৫০০ টাকার পণ্য ফেরত এলে শুধু কুরিয়ারেই ৳২৭০–৩০০ চলে যায়, আর পণ্যটা কয়েক দিন হাতছাড়া থাকে। ফেরতের হার বেশি হলে ভালো পণ্যেও ব্যবসা লোকসানে চলে যায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসাটা দাঁড়িয়ে আছে অন্যের প্ল্যাটফর্মের উপর। পেজ বন্ধ বা সীমিত হয়ে গেলে গ্রাহকের তালিকাও সঙ্গে চলে যায়, কারণ নাম-ঠিকানা সবই ওই পেজের ভেতরে। একইভাবে কুরিয়ারের সেবা খারাপ হলে দায়টা গ্রাহকের চোখে বিক্রেতারই।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ভুয়া অর্ডার — ভুল নম্বর, ভুল ঠিকানা, বা মজা করে দেওয়া অর্ডার। অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ না নিলে এগুলোর পুরো খরচ বিক্রেতার ঘাড়ে পড়ে, আর পণ্যটাও কয়েক দিন আটকে থাকে।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ছবি আর হাতে পাওয়া পণ্যে মিল না থাকলে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ যায়, আর জরিমানা হয়। একটি খারাপ অভিজ্ঞতার ভিডিও ফেসবুকে ছড়ালে বিক্রি সেদিনই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ফেসবুকে পোশাক বিক্রি করা দুই নারী উদ্যোক্তা

ফেসবুক বন্ধের কদিনে ক্ষতি ৫ লাখ টাকার বেশি

দুই নারীর চালানো পোশাকের পেজে বিক্রি হয় পুরোটাই ফেসবুকে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ থাকায় কোনো অর্ডার নেওয়া যায়নি, ক্ষতি ৫ লাখ টাকার বেশি।

কারণ
নির্ভরশীলতা, অন্যান্য
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর একজন অনলাইন বিক্রেতা ও পারলার মালিক

দিনে ১ হাজার টাকার বিক্রি আর পারলার — ফেসবুক বন্ধে দুটোই থেমে গেল

ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করে দিনে আসত প্রায় ১,০০০ টাকা, সঙ্গে ছিল ছোট একটি বিউটি পারলার। ইন্টারনেট বন্ধে ফেসবুকের আয় থামে, একই সময়ে পারলারেও খদ্দের আসেননি।

কারণ
নির্ভরশীলতা, চাহিদা কম
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পিরোজপুরের একজন অনলাইন পিঠা বিক্রেতা

ফেসবুক বন্ধ, দশ দিনে একটিই অর্ডার — ২০টি পিঠা

ঘরে বানানো পিঠার ক্রেতারা তাঁকে খুঁজে পান ফেসবুকে। ইন্টারনেট বন্ধের পুরো সময়ে কোনো অর্ডার আসেনি; দশ দিন পর একটিমাত্র অর্ডার — ২০টি পিঠার।

কারণ
নির্ভরশীলতা, চাহিদা কম

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ডেটা এন্ট্রি সেবা

ঘরে বসে টাইপ ও তালিকার কাজ করে আয়। ঢোকা সহজ, শুরুর আয় খুব কম — একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রথম মাসের আয় ছিল ১৩ ডলার, আর মাসে এক লাখে পৌঁছাতে লেগেছে চার বছর।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৯০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১৮০ দিন
বাজারদর
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ড্রপশিপিং ও রিসেলিং

মাল হাতে না রেখে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে কুরিয়ারে পাঠিয়ে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে বিক্রি। কুরিয়ার ৳৬০–১৮০ ও ১% সিওডি চার্জ, আর ফেরত এলে ডেলিভারি চার্জের ৫০% বাড়তি — এখানেই লাভ শেষ হয়ে যায়।

পুঁজি
৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

গ্রাফিক ডিজাইন সেবা

লোগো, ব্যানার ও মোড়ক ডিজাইন করে বিক্রি। শেখা প্রায় বিনা খরচে বলে প্রতিযোগিতা প্রচণ্ড; বিদেশি কাজে আয়ের ৫–৮% গেটওয়ে ও রূপান্তরে চলে যায়, তবে ২.৫% নগদ সহায়তা মেলে।

পুঁজি
৳২৫ হাজার – ৳১.৮ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ইউটিউব ও কনটেন্ট তৈরি

ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে বিজ্ঞাপন থেকে আয়। বিজ্ঞাপনের টাকার ৫৫% পান নির্মাতা, শর্টসে ৪৫%; আয় শুরু করতে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ ঘণ্টা ওয়াচ টাইম লাগে, যা দ্বিগুণ হচ্ছে।

পুঁজি
৳৩ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৪০ জন
প্রথম আয়
৩৬৫ – ৭৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান