মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

কৃষি যন্ত্র ভাড়া

হারভেস্টার বা রিপার কিনে কৃষকের জমিতে ভাড়ায় খাটানো। মে ২০২৬-এ কটিয়াদীতে সরকারি নির্ধারিত ভাড়া বিঘায় ৳২,৫০০; যন্ত্রের দাম ৩০–৪০ লাখ, আর ভর্তুকি ২০২৪-এর জুন থেকে বন্ধ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
কৃষি যন্ত্র ভাড়া

কৃষি যন্ত্র ভাড়া

শুরুর পুঁজি
৳৩০,০০,০০০ – ৳৪০,০০,০০০
বাজারদর
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১৮ – ৬০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার বা পাওয়ার টিলার কিনে কৃষকের জমিতে ভাড়ায় খাটানোর ব্যবসা। এই ব্যবসার আসল হিসাব ভর্তুকিতে। সরকারের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে সমতলে ৫০ শতাংশ আর হাওরাঞ্চলে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়ার কথা — ১২ ধরনের মোট ৫১ হাজার ৩০০টি যন্ত্র দেওয়ার লক্ষ্য ছিল, দেওয়া হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। কিন্তু ২০২৪ সালের জুন থেকে অনিয়মের অভিযোগে সেই ভর্তুকি বন্ধ, আর তাতে যন্ত্র বিক্রি ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একটি কম্বাইন হারভেস্টারের দাম এখন ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা। ভর্তুকি চালু থাকলে সমতলে ১৫–২০ লাখ, হাওরে ৯–১২ লাখেই মিলত। এই পার্থক্যটাই ব্যবসাটা হবে কি হবে না তা ঠিক করে দেয়। ভাড়া কত? ২০২৬ সালের মে মাসে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ভাড়া ঠিক করে দিয়েছিলেন ৳২,৫০০ — উপজেলায় ২৭টি হারভেস্টার চললেও চাহিদা এত বেশি ছিল যে পাশের জেলা থেকেও যন্ত্র আনতে হয়েছে। কারণ শ্রমিকের মজুরি দিনে ৳১,৩০০, আর দুই মণ ধান দিয়েও শ্রমিক মিলছিল না। একটি যন্ত্র ঘণ্টায় এক একর ধান কাটতে পারে, বাস্তবে দিনে তিন একরের মতো হয়। ৩০ লাখ টাকার যন্ত্রের দাম তুলতেই ১,২০০ বিঘা জমি কাটতে হবে — আর বোরোর মৌসুম মাত্র এক মাসের। তাই এই ব্যবসা চলে এক মৌসুমে যত বেশি জমি ধরা যায় তার উপর, আর যন্ত্র বসে থাকা মানেই লোকসান।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,০০,০০০ – ৳৪,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২,৫০০ / এককসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳৩৩০ – ৳৬০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৭৬% – ৮৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১৮ – ৬০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৯ – ২৪সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • যন্ত্র এক জমি থেকে আরেক জমিতে বা এক জেলা থেকে আরেক জেলায় নেওয়ার ট্রাক বা ট্রলি, আর মৌসুমের জন্য যন্ত্রাংশের মজুত।যন্ত্রপাতি
  • কম্বাইন হারভেস্টার — দাম ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা (২০২৫)। রিপার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, সিডার ও পাওয়ার থ্রেশারও প্রকল্পের আওতাভুক্ত, তবে এগুলোর দাম এই পাতায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের ভর্তুকির জন্য উপজেলা কৃষি অফিসে আবেদন — সমতলে ৫০ শতাংশ, হাওরাঞ্চলে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে ২০২৪ সালের জুন থেকে অনিয়মের অভিযোগে এই ভর্তুকি বন্ধ আছে; আবেদনের আগে অফিসে গিয়ে চালু আছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন।লাইসেন্স
  • দক্ষ চালক। এক অপারেটরের যন্ত্রে চালকসহ ছয়জনের কাজ হয়েছিল। কোম্পানির প্রশিক্ষণ নেওয়া চালক না হলে যন্ত্র বেশি নষ্ট হয় আর জমিতে ধান পড়ে থাকে।দক্ষতা
  • নিজের জেলায় ওই ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টার ও যন্ত্রাংশের ডিলার, আর নির্ভরযোগ্য ডিজেলের যোগান।সরবরাহকারী
  • মৌসুমের বাইরে যন্ত্র রাখার ছাদওয়ালা জায়গা। খোলা আকাশের নিচে ছয় মাস পড়ে থাকলে যন্ত্রের আয়ু দ্রুত কমে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1নিজের এলাকায় কত জমিতে ধান হয় আর কতটি যন্ত্র ইতিমধ্যেই চলছে তা গুনে দেখুন। কটিয়াদীর মতো উপজেলায় ২৭টি যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও চাহিদা মেটেনি, আবার কোথাও দুটি যন্ত্রেই বাজার ভরে যায়।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে জেনে নিন কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভর্তুকি এখন চালু আছে কি না, আর আপনার এলাকা হাওরের আওতায় পড়ে কি না।
  3. 3ভর্তুকি চালু থাকলে আবেদন করুন — সমতলে ৫০ শতাংশ, হাওরে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। ৩০ লাখের যন্ত্র হাওরে ৯ লাখেও পাওয়া যেতে পারে, আর এই পার্থক্যেই ব্যবসাটা দাঁড়ায়।
  4. 4ব্র্যান্ড ঠিক করার আগে দেখুন আপনার জেলায় ওই কোম্পানির সার্ভিস সেন্টার ও যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় কি না। মৌসুমের মাঝপথে যন্ত্র বসে গেলে তিন দিনের মধ্যে ঠিক না হলে পুরো মৌসুম যায়।
  5. 5ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর যন্ত্র আনা-নেওয়ার ট্রাক বা ট্রলির ব্যবস্থা করুন।
  6. 6একজন দক্ষ চালক ঠিক করুন আর নিজেও চালানো শিখুন। অদক্ষ হাতে যন্ত্র নষ্ট হয় বেশি আর জমিতে ধানও পড়ে থাকে।
  7. 7মৌসুম শুরুর আগেই জমি বুকিং নিন। কোন কৃষকের জমি কবে পাকবে তা লিখে রাখুন আর সেই অনুযায়ী দিন ভাগ করুন — যন্ত্র এক দিন বসে থাকা মানে হাজার টাকার বেশি লোকসান।
  8. 8ভাড়ার হার উপজেলা কৃষি অফিস ঠিক করে দিয়েছে কি না তা আগে জেনে নিন। কটিয়াদীতে সর্বোচ্চ ৳২,৫০০ বিঘা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, আর তার বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
  9. 9কাটার সঙ্গে সঙ্গেই টাকা বুঝে নিন, বিশেষ করে বর্গাচাষির কাছে। ধান বিক্রির পরে দেবেন বললে টাকা মৌসুম শেষেও না-ও আসতে পারে।
  10. 10বোরোর পরে যন্ত্র নিয়ে অন্য জেলায় যান। হাওরে ধান আগে পাকে আর উত্তরে পরে — এই সময়ের তফাতেই একই যন্ত্র দিয়ে দুই-তিন এলাকায় কাজ করা যায়।
  11. 11মৌসুম শেষে যন্ত্র ধুয়ে, তেল দিয়ে ঢেকে রাখুন আর পরের মৌসুমের আগে সার্ভিসিং করান। ছয় মাস ফেলে রাখা যন্ত্র চালু করতে গিয়েই সবচেয়ে বড় খরচ হয়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চকম
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীকিশোরগঞ্জ · হাওর জেলা, তাই ৭০ শতাংশ ভর্তুকির আওতায়। কটিয়াদী উপজেলায় ২৭টি হারভেস্টার চললেও চাহিদা মেটেনি, আর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ভাড়া ৳২,৫০০ বেঁধে দিয়েছিলেন (মে ২০২৬)।
  • খুব উপযোগীনেত্রকোণা · হাওরাঞ্চল, ৭০ শতাংশ ভর্তুকি প্রযোজ্য; বড় জমি একসঙ্গে কাটা যায় বলে যন্ত্রের দক্ষতা বেশি।
  • খুব উপযোগীসুনামগঞ্জ · দেশের সবচেয়ে বড় হাওর এলাকা; ৭০ শতাংশ ভর্তুকির আওতায় আর বোরো ধান আগাম পাকে বলে মৌসুম এখানেই আগে শুরু হয়।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরের বাণিজ্যকেন্দ্র; যন্ত্রাংশ ও সার্ভিস সেন্টার কাছেই পাওয়া যায়।
  • সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · হাওর ও ভাটি এলাকা; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কাছে বলে যন্ত্র সরানো সহজ।
  • সম্ভবদিনাজপুর · বড় ধান উৎপাদনকারী জেলা; মৌসুমে শ্রমিক ও যন্ত্রের সংকট হয় বলে ভাড়া চড়ে।
  • সম্ভবগোপালগঞ্জ · বিল ও নিচু জমির এলাকা; পানি ওঠার আগে কাটার তাড়া থাকে বলে যন্ত্রের চাহিদা বেশি।
  • সম্ভবহবিগঞ্জ · হাওরের জেলা; আগাম বন্যার ভয়ে কৃষক দ্রুত কাটতে চান, তাই যন্ত্রের চাহিদা তীব্র।
  • সম্ভবযশোর · ধান ও গম দুটোই হয়, তাই বছরে দুইবার কাজ পাওয়ার সুযোগ।
  • সম্ভবসিলেট · হাওর এলাকা আছে আর প্রবাসী আয়ে যন্ত্র কেনার পুঁজি মেলে, তবে জমি ছড়ানো-ছিটানো।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: এই ব্যবসার পুরো হিসাব দাঁড়িয়ে আছে ভর্তুকির উপর, আর সেই ভর্তুকি ২০২৪ সালের জুন থেকে অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ। ৫১ হাজার ৩০০টি যন্ত্র দেওয়ার লক্ষ্যের মধ্যে ৪০ হাজার দেওয়ার পর কাজ থেমে যায়, ১১ হাজারের বেশি যন্ত্র বাকি পড়ে থাকে, আর যন্ত্র বিক্রি ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যায়। ভর্তুকি ছাড়া ৩০–৪০ লাখ টাকার যন্ত্র নিজের টাকায় কিনতে হবে। কৃষি সচিব বলেছেন অনিয়ম নিষ্পত্তি হলে ভর্তুকি আবার চালু হবে, কিন্তু কবে তা বলা নেই — টাকা লাগানোর আগে উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে বর্তমান অবস্থা জেনে নিন।
  • বেশিচলতি মূলধন: ৳২,৫০০ বিঘা দরে ৩০ লাখ টাকার যন্ত্রের দামই তুলতে প্রায় ১,২০০ বিঘা জমি কাটতে হবে, ৪০ লাখ হলে ১,৬০০ বিঘা — আর এটা জ্বালানি, চালকের মজুরি ও মেরামতের আগের হিসাব। বোরোর কাটার মৌসুম চলে মাত্র কয়েক সপ্তাহ। তাই ঋণ নিয়ে যন্ত্র কিনলে কিস্তি বারো মাস চলে আর আয় আসে দুই-তিন মাস।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: মৌসুমের মাঝপথে যন্ত্র নষ্ট হলে ব্যবসা থেমে যায়। জেলায় ওই ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টার না থাকলে যন্ত্রাংশ আনতেই এক সপ্তাহ চলে যায়, আর ততদিনে বুকিং দেওয়া কৃষকেরা অন্য যন্ত্র ডেকে নেন। একবার জমি হাতছাড়া হলে মৌসুমে আর ফেরত পাওয়া যায় না।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: কৃষক ধান বিক্রির পরে টাকা দেবেন বলে থাকেন, আর ধানের দাম কম হলে সেই টাকা আটকে যায়। মে ২০২৬-এ কটিয়াদীতে কাঁচা ধান বিক্রি হচ্ছিল মণপ্রতি ৳৬৫০–৭০০, আর বিঘায় উৎপাদন খরচ ২২ হাজার টাকার বিপরীতে ২৫ মণ ধান বিক্রি করে আসছিল ১৭,৫০০ টাকা — অর্থাৎ কৃষক নিজেই বিঘায় ৪–৫ হাজার টাকা লোকসানে। যে কৃষক লোকসানে আছেন তাঁর কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা কঠিন।
  • মাঝারিচাহিদা: চাহিদা আছে, কিন্তু তা মৌসুমের কয়েক সপ্তাহে জমাট বাঁধে। শ্রমিকের মজুরি দিনে ৳১,৩০০ আর দুই মণ ধানেও শ্রমিক না মেলায় যন্ত্রের দিকেই সবাই ঝুঁকছে — কটিয়াদীতে ২৭টি যন্ত্র চলা সত্ত্বেও পাশের জেলা থেকে যন্ত্র আনতে হয়েছে। কিন্তু একই কারণে সবাই যন্ত্র কিনলে পরের বছর বিঘাপ্রতি ভাড়া পড়ে যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

স্ট্রবেরি চাষ

শীতের ফসল, ৭২–৭৫ দিনে ফল। কেজি ৳৪০০–১০০০, কিন্তু ৩০ শতকেই খরচ প্রায় ৪ লাখ আর ফল দুই-তিন দিনের বেশি থাকে না।

পুঁজি
৳৪ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম আয়
৭২ – ৭৫ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ

ট্যাংকে ঘন করে মাছ চাষ। অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব, কিন্তু ঠাকুরগাঁওয়ে চার লাখ টাকা ঢেলে একজন বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ৬০ হাজার টাকার মাছ।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৫০ – ১৮০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

লেয়ার মুরগির খামার

এক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১২৬ – ১৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

গরুর দুগ্ধ খামার

গাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি যন্ত্র ভাড়া: ভর্তুকি, যন্ত্রের দাম ও বিঘাপ্রতি ভাড়া · আয়-রোজগার