মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মাছের নার্সারি ও পোনা

হ্যাচারির রেণু পুকুরে লালন করে পোনা বিক্রি। সরকারি খামারের ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরলে রেণু কেজি প্রায় ৳১,৯০০ আর পোনা কেজি প্রায় ৳২৫০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মাছের নার্সারি ও পোনা

মাছের নার্সারি ও পোনা

শুরুর পুঁজি
৳২,০০,০০০ – ৳২২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম বিক্রি
৬০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১৬ – ২৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

হ্যাচারি থেকে রেণু কিনে নার্সারি পুকুরে কিছুদিন লালন করে ধানি পোনা বা আঙুলি পোনা হিসেবে মাছচাষিদের কাছে বিক্রি করা — এটাই নার্সারির কাজ। মাছ চাষের শুরুটা এখানেই, আর দেশের মাছ উৎপাদনের ভিতও এই পোনার উপর দাঁড়িয়ে। দাম ওজনে হয়, সংখ্যায় নয়। ঝিনাইদহের সরকারি বালুহার মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরলে দাঁড়ায় — রেণু কেজিপ্রতি প্রায় ৳১,৯০০ আর পোনা কেজিপ্রতি প্রায় ৳২৫০। টাকা আসে বছরের নির্দিষ্ট কয়েক মাসে। ওই খামারই বছরের ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকার লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ২০ এপ্রিলের মধ্যেই ৩২ লাখ ৮ হাজার টাকা আয় করে ফেলেছিল। ময়মনসিংহই এই কাজের প্রাণকেন্দ্র। ত্রিশাল উপজেলা একাই বছরে ৮৫ হাজার টনের বেশি মাছ তোলে, সেখানে ২৪ হাজারের বেশি ব্যক্তিমালিকানার পুকুর, ৩৮টি বেসরকারি হ্যাচারি আর ১১০টি নার্সারি আছে। গোটা ময়মনসিংহ জেলা দেশের মাছ উৎপাদনের প্রায় ২২ শতাংশ জোগায়। একজন সফল উদ্যোক্তার হিসাব দেখলে ছবিটা পরিষ্কার হয়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আবদুল আজিজ সাইকেলে পোনা ফেরি করে শুরু করে এখন ১৫ একরের বেশি জায়গায় ১৭টি খামার চালান; এক মৌসুমে বিনিয়োগ ২০–২২ লাখ টাকা, বিক্রি ৩০–৩৫ লাখ, আর খরচ বাদে বছরে লাভ প্রায় ১০ লাখ। তাঁর অধীনে ১২ জন স্থায়ী কর্মী, মাসে বেতন ৯ থেকে ১৮ হাজার টাকা। পোনার ব্যবসায় একটা রাতই সব শেষ করে দিতে পারে — অক্সিজেন কমে গেলে বা পানি হঠাৎ গরম হলে পুরো পুকুর ভেসে ওঠে। তাই পানি বোঝা যাঁর হাতে, লাভটাও তাঁরই।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,০৮,০০০ – ৳২,১৬,০০০অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
বিক্রয় মূল্য৳২৫০ – ৳১,৯০০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৭৫ – ৳১,৩০০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২৯% – ৩৩%অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৬০ – ৩৬৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১৬ – ২৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৩০ – ৭৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২০% – ৪০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৮ – ৯০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • টানা জাল ও ঝাঁকি জাল, হাপা, পোনা বহনের ড্রাম ও অক্সিজেনসহ পলিব্যাগ, পানি তোলার পাম্প, আর ওজন মাপার নিক্তি।যন্ত্রপাতি
  • হ্যাচারি থেকে কেনা রেণু, মাছের খাবার, চুন ও সার। সরকারি খামারের দরে রেণু কেজি প্রায় ৳১,৯০০।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • খামার ও হ্যাচারির নিবন্ধন — উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, মৎস্য অধিদপ্তর। ফি, মেয়াদ ও শর্ত নিজ উপজেলা দপ্তর থেকে জেনে নিতে হবে; এই পাতায় তা যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • পানি দেখে বোঝা — রং, গন্ধ আর ভোরে পোনার আচরণ দেখে অক্সিজেনের অবস্থা বোঝা, আর রাক্ষুসে মাছ ও রোগ ঠেকানো।দক্ষতা
  • রেণুর জন্য নির্ভরযোগ্য হ্যাচারি, মাছের খাবারের মিল বা ডিলার, আর পোনা বিক্রির জন্য ফেরিওয়ালা ও পোনা ব্যবসায়ীর দল। ত্রিশাল উপজেলাতেই ৩৮টি বেসরকারি হ্যাচারি ও ২৮টি খাদ্য ক্রাশিং মিল আছে।সরবরাহকারী
  • ছোট ও অগভীর নার্সারি পুকুর, যেগুলো শুকিয়ে ফেলা যায় আর দরকারে নতুন পানি তোলা যায়। ত্রিশাল উপজেলায় ব্যক্তিমালিকানার পুকুরই ২৪,৪৯৮টি, জমির পরিমাণ ৩,১২৫ হেক্টর।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1নার্সারির জন্য ছোট ও অগভীর পুকুর বেছে নিন, যেখানে পানি ধরে রাখা যায় আর প্রয়োজনে পুরোটা শুকানো যায়।
  2. 2পুকুর শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ ও সাপ-ব্যাঙের ডিম সরান, তারপর চুন দিন। এই কাজটা বাদ দিলে ছাড়া রেণুর বড় অংশ প্রথম সপ্তাহেই খাওয়া পড়ে যায়।
  3. 3উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে খামারের নিবন্ধন ও পরামর্শ নিয়ে নিন, আর ট্রেড লাইসেন্স করান।
  4. 4নির্ভরযোগ্য হ্যাচারি ঠিক করুন আর রেণু আনার দিন-তারিখ আগেই বলে রাখুন। রেণু কতক্ষণ পথে ছিল, সেটাই বাঁচার হার ঠিক করে দেয়।
  5. 5রেণু ছাড়ার আগে পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার তৈরি করে নিন, আর ভোরে বা সন্ধ্যায় ছাড়ুন — দুপুরের রোদে নয়।
  6. 6প্রতিদিন ভোরে পুকুরের পাড়ে যান। পোনা উপরে ভেসে মুখ তুললে বুঝবেন অক্সিজেন কমে গেছে — তখনই পানি নাড়তে হবে বা নতুন পানি দিতে হবে।
  7. 7খাবার মেপে দিন আর কত দিলেন তা লিখে রাখুন। মাছের খাবারের দাম বাড়ছে, আর এই খাতেই লাভের সবচেয়ে বড় অংশ কেটে যায়।
  8. 8বিক্রির সময় ওজনে বিক্রি করুন আর সংখ্যা-ওজনের হিসাব খদ্দেরের সামনেই করুন; রেণু ও পোনার দর আলাদা।
  9. 9পোনা পাঠানোর সময় অক্সিজেন ভরা পলিব্যাগে বা ড্রামে দিন, আর ভোরে পাঠান। দুপুরের গরমে পথেই বেশির ভাগ পোনা মরে।
  10. 10ফেরিওয়ালা ও পোনা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন — সুবর্ণচরের একটি খামারের পোনা ৬০ জন ফেরিওয়ালা ও মাছ ব্যবসায়ীর হাত ধরে বাজারে যায়।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেকম
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীময়মনসিংহ · দেশের মাছ উৎপাদনের প্রায় ২২ শতাংশ এই জেলার; ত্রিশাল উপজেলাতেই ৩৮টি বেসরকারি হ্যাচারি, ১১০টি নার্সারি আর ২৪,৪৯৮টি ব্যক্তিমালিকানার পুকুর। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটও এখানে।
  • খুব উপযোগীনোয়াখালী · সুবর্ণচরে পোনার খামার বড় আকারে দাঁড়িয়েছে; একটি খামার থেকেই বছরে ১ থেকে ১.৫ কোটি রেণু ও পোনা যায় আর ৬০ জন ফেরিওয়ালা-ব্যবসায়ী তার উপর নির্ভর করেন।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; পোনার হাট ও পরিবহন দুটোই মেলে, আর আশপাশের জেলায় পুকুরের সংখ্যা বাড়ছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · পুকুরে মাছ চাষ ঘন; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে ভোরে পোনা পাঠানো সহজ।
  • সম্ভবজামালপুর · যমুনা-লাগোয়া নিচু জমিতে পুকুর ও ঘের বেশি, আর ময়মনসিংহের সরবরাহ বলয়ের ভেতরেই পড়ে।
  • সম্ভবঝিনাইদহ · জেলার সব বেসরকারি মৎস্য বীজ খামার বন্ধ, আর একমাত্র সরকারি খামারটি জনবল সংকটে ধুঁকছে — চাহিদা আছে, জোগান নেই।
  • সম্ভবনেত্রকোণা · হাওর ও বিলের জেলা; বর্ষার পর পুকুর ও জলাশয়ে পোনা ছাড়ার চাহিদা বড়, আর ময়মনসিংহের হ্যাচারি কাছেই।
  • সম্ভবসাতক্ষীরা · ঘের ও মিঠাপানির চাষ দুটোই আছে; সাদা মাছের পোনার চাহিদা স্থানীয়ভাবেই মেলে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: পোনা একরাতেই শেষ হয়ে যেতে পারে। পানিতে অক্সিজেন কমে গেলে, হঠাৎ গরম পড়লে বা ভারী বৃষ্টিতে পুকুর উপচে গেলে পুরো পুকুরের মাল চলে যায়, আর তখন আগের দুই মাসের খাবার ও পরিশ্রমও সঙ্গে যায়। পথেও ক্ষতি হয় — দুপুরের রোদে অক্সিজেন ব্যাগে পোনা পাঠালে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই বড় অংশ মরে যায়।
  • বেশিচলতি মূলধন: আয় বছরের কয়েক মাসে জমা হয়, কিন্তু পুকুর, খাবার আর কর্মীর খরচ বারো মাসই চলে। ঝিনাইদহের সরকারি খামার ২০ এপ্রিলের মধ্যেই বছরের আয়ের অর্ধেকের বেশি তুলে ফেলেছিল — অর্থাৎ বাকি আট মাসে আয় সামান্য। ১৫ একরের একটি খামারে শুধু ১২ জন স্থায়ী কর্মীর বেতনই মাসে ৳১,০৮,০০০–২,১৬,০০০।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: রেণু নিজে বানানো যায় না — হ্যাচারির উপরেই নির্ভর করতে হয়, আর সেই হ্যাচারি বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প খুঁজতে হয় দূর জেলায়। ঝিনাইদহে জেলার সব বেসরকারি মৎস্য বীজ খামার বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে গোটা জেলা একটি সরকারি খামারের উপর দাঁড়িয়ে — আর সেই খামারে অনুমোদিত ২৮টি পদের মধ্যে কাজ করছেন মাত্র ১১ জন।
  • মাঝারিচাহিদা: পোনার ক্রেতা হলেন মাছচাষি, আর তাঁদের হাতের অবস্থাই আপনার বিক্রি ঠিক করে। ত্রিশালে চাষিরা বলছেন মাছের খাবারের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে আর লাভ কমে যাচ্ছে; চাষি পুকুরে কম পোনা ছাড়লে নার্সারির মাল অবিক্রীত থেকে যায়, অথচ পোনা বড় হয়ে গেলে আর নার্সারির দরে বিক্রি হয় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের একজন মাছের হ্যাচারি মালিক

সাইকেলে পোনা বিক্রি থেকে ১৭টি হ্যাচারি, বছরে নিট আয় ১০ লাখ

২০১২ সালে পৈতৃক ২০ শতাংশ জমি আর এনজিওর ২০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে শুরু। এখন ১৫ একর ২০ শতাংশে ১৭টি হ্যাচারি, বছরে ১ থেকে দেড় কোটি রেণু-পোনা, খরচ বাদে আয় প্রায় ১০ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳২০ হাজার
কারণ
ভালো যোগাযোগ, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

হাঁস পালন

হাওরে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে হাঁস পালন। ১০০ হাঁসে দিনে প্রায় ৬০টি ডিম, খাবার হাঁসপ্রতি দিনে ৳২, আর ১০০ ডিম বিক্রি হয় ৳১,২০০–১,৩০০ টাকায়।

পুঁজি
৳১.৮ লাখ – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
১৫০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

গরুর দুগ্ধ খামার

গাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

মহিষ পালন

চরে বা বাথানে মহিষ পালন করে দুধ বেচা। একটি মহিষ দিনে ৪ থেকে ৮ কেজি দুধ দেয়, আর মহিষের দুধ লিটারে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায় যায় — তবে সেই দাম শুধু সেসব জেলায় যেখানে দই বা মিষ্টির কারিগর আছে।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ড্রাগন ফল চাষ

খুঁটিতে ড্রাগন চাষ। বিঘাপ্রতি ঢালতে হয় ১–৪ লাখ টাকা, ফল আসে প্রায় এক বছর পর, আর দাম ৳৫০০ থেকে নেমে কারওয়ান বাজারে ৳৮০–১০০ কেজি।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩৬৫ দিন
বিতর্কিত
মাছের নার্সারি: রেণু ও পোনার দাম, মৌসুম ও ঝুঁকি · আয়-রোজগার