মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মোজা ও গেঞ্জি কারখানা

ঝুট কাপড়ে গেঞ্জি, মোজা ও সোয়েটার বানানোর কারখানা। পাবনায় প্রায় এক হাজার কারখানা, বছরে ১৮–২০ কোটি পিস; তবে ভারতে স্থলপথ বন্ধ হওয়ায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মোজা ও গেঞ্জি কারখানা

মোজা ও গেঞ্জি কারখানা

শুরুর পুঁজি
৳২,০০,০০০ – ৳২৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৫ – ১০০ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৬ – ১২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

গেঞ্জি, মোজা, স্যান্ডো, সোয়েটার আর শিশুদের পোশাক বানানোর ছোট কারখানা। বাংলাদেশে এর কেন্দ্র পাবনা, আর সেখানকার গল্পটা জানা দরকার। প্রায় দুই শ বছর আগে ইছামতী নদীর পাড়ে সুতার গেঞ্জি দিয়ে শুরু, ১৯৭২ সালে প্রায় মুখ থুবড়ে পড়া, তারপর ১৯৯০ সালের দিকে নতুন জন্ম — কিন্তু এবার সুতা নয়, গার্মেন্টের ফেলে দেওয়া ঝুট কাপড় দিয়ে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের পোশাক কারখানার ঝুট কিনে এনে কেটে সেলাই করলেই এক্সপোর্ট কোয়ালিটির কাপড়ে গেঞ্জি-মোজা-শার্ট তৈরি হয়ে যায়। ২০২৪ সালে পাবনায় তালিকাভুক্ত ঝুটপণ্যের কারখানা ছিল প্রায় এক হাজার, কাজ করতেন ৫০–৬০ হাজার মানুষ, বছরে তৈরি হতো ১৮–২০ কোটি পিস, আর বাণিজ্য ছিল ১,২০০ থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার। কিন্তু ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর সব উল্টে গেছে। দেশের হোসিয়ারি পণ্যের ৬৫ শতাংশ যেত পাবনা থেকে, আর প্রতি সপ্তাহে শতাধিক ট্রাক ভারতে যেত। এখন যায় সাত-আট ট্রাক, নৌপথে, চট্টগ্রাম বন্দর ঘুরে। আগে স্থলপথে পৌঁছাতে দুই-তিন দিন আর টাকা আসত পাঁচ দিনে; এখন পৌঁছাতে ২০–২৫ দিন, টাকা আসে ৩০–৩৫ দিনে। জেলা হোসিয়ারি ম্যানুফ্যাকচারার্স গ্রুপ বলছে, তিন হাজার কারখানার ৬৫ শতাংশ শ্রমিক এখন কর্মহীন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫০,০০০ – ৳১২,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৬০ – ৳৮৩ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৪২ – ৳৫৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩০% – ৩৪%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৫ – ৩৫ দিনঅভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৬০০ – ৬৭০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • কাটিং টেবিল ও কাটার মেশিন, সেলাই ও ওভারলক মেশিন, মোজার জন্য নিটিং মেশিন, ছাপ দেওয়ার সরঞ্জাম, লন্ড্রি ও ইস্ত্রির ব্যবস্থা, মোড়কজাতের সরঞ্জাম। পুরোনো মেশিনে শুরু করা যায়; নতুন ও পুরোনো মেশিনের দর কোনো দলিলে পাওয়া যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • ঝুট কাপড় — ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের পোশাক কারখানা থেকে কেনা। কাপড় এক্সপোর্ট কোয়ালিটি হওয়ায় এতে তৈরি পোশাকের চাহিদা ভালো। ঝুটের দর কোনো প্রকাশিত সূত্রে পাওয়া যায়নি।শুরুর মাল
  • টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড; আর রপ্তানি করতে হলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) নিবন্ধন সনদ ও ব্যাংকে রপ্তানিকারক হিসাব। ইপিবি নিবন্ধনের ফি ও মেয়াদ যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
  • কাটিং মাস্টারের দক্ষতা। ঝুট ছোট টুকরার কাপড়, তাই মাপ ধরে কম নষ্টে কাটাই লাভের মূল জায়গা। সেলাই, ওভারলক ও ছাপের কাজ শেখানো যায়, কিন্তু কাটিং মাস্টার তৈরি হতে সময় লাগে।দক্ষতা
  • ঝুটপল্লির ব্যবসায়ী (যেমন পাবনার সাধুপাড়া), সুতা ও ইলাস্টিকের দোকান, আর ছাপের রঙের সরবরাহকারী।সরবরাহকারী
  • কাটিং, সেলাই, রং-ছাপ, লন্ড্রি ও মোড়কজাতের জন্য আলাদা জায়গা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। ঝুট ও তৈরি মাল রাখার গুদামও লাগে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন কী বানাবেন — মোজা, গেঞ্জি, স্যান্ডো না সোয়েটার। মোজার মেশিন আলাদা, আর কাটিং-সেলাইয়ের কাজও আলাদা।
  2. 2ঝুট কাপড়ের উৎস ঠিক করুন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের পোশাক কারখানা থেকে ঝুট কিনে আনা হয়, আর পাবনার সাধুপাড়ার মতো ঝুটপল্লিতে বাছাই করা কাপড় পাওয়া যায়।
  3. 3ঘর ঠিক করুন — কাটিং, সেলাই, রং ও ছাপ, লন্ড্রি আর মোড়কজাত করার আলাদা জায়গা লাগে। বিদ্যুৎ যেন নিরবচ্ছিন্ন হয়।
  4. 4সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর জেলা হোসিয়ারি ম্যানুফ্যাকচারার্স গ্রুপে তালিকাভুক্ত হোন — বাজারের খবর ও দরদাম ওখান থেকেই আসে।
  5. 5মেশিন কিনুন: কাটিং টেবিল ও কাটার, সেলাই ও ওভারলক মেশিন, মোজার জন্য আলাদা নিটিং মেশিন, ছাপ দেওয়ার সরঞ্জাম। পুরোনো মেশিনে শুরু করলে পুঁজি অনেক কম লাগে।
  6. 6দক্ষ কাটিং মাস্টার নিন। ঝুট কাপড় ছোট ছোট টুকরা, তাই কে কত কম নষ্ট করে কাটতে পারেন সেটাই এই ব্যবসার লাভ।
  7. 7নমুনা বানিয়ে পাইকারদের দেখান। জেলা শহরের হোসিয়ারি মার্কেট আর ঢাকার পাইকারি আড়তই প্রথম বাজার।
  8. 8রপ্তানি করতে চাইলে ইপিবি নিবন্ধন, ব্যাংকে রপ্তানিকারক হিসাব আর ক্রেতার সঙ্গে এলসি বা অগ্রিমের শর্ত আগে থেকে ঠিক করুন।
  9. 9রপ্তানির পথ ও সময় ধরে টাকার পরিকল্পনা করুন। নৌপথে পাঠালে পণ্য পৌঁছাতে ২০–২৫ দিন আর টাকা আসতে ৩০–৩৫ দিন — এই সময়টুকু চালানোর টাকা হাতে রাখুন।
  10. 10শুধু এক দেশের ক্রেতার উপর নির্ভর করবেন না। পাবনার কারখানাগুলো ভারতের উপর নির্ভর করে ছিল, আর সেই এক সিদ্ধান্তেই ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন হয়েছেন।
  11. 11শীতের আগের কয়েক মাসের জন্য আলাদা পরিকল্পনা করুন — সোয়েটার, মোজা ও ফুলহাতা গেঞ্জির বিক্রি তখনই সবচেয়ে বেশি।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীঢাকা · পাইকারি বাজার ও ক্রেতা সবচেয়ে বেশি; রপ্তানির কাগজপত্র ও ব্যাংকের কাজও এখানেই।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, তাই ঝুট কাপড় সবচেয়ে সস্তায় ও তাজা অবস্থায় মেলে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঝুট ও সুতার বড় বাজার, আর পাইকারি কাপড়ের আড়তও কাছে।
  • খুব উপযোগীপাবনা · দেশের হোসিয়ারিশিল্পের কেন্দ্র; শহরের সাধুপাড়া, বাংলাবাজার ও দিলালপুরে ঝুটপল্লি আর প্রায় এক হাজার তালিকাভুক্ত কারখানা।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · পোশাক কারখানার ঝুট মেলে, আর বন্দর কাছে বলে নৌপথে রপ্তানি সহজ।
  • সম্ভবযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দরের জেলা; স্থলপথ খুললে রপ্তানির সুবিধা এখানেই সবচেয়ে বেশি হবে।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · বস্ত্র ও তাঁতের পুরোনো এলাকা, শ্রমিক পাওয়া সহজ।
  • সম্ভবনাটোর · পাবনার পাশে, ঝুট কেনা ও পাইকারি বিক্রি দুটোই সুবিধাজনক।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহরের খুচরা ও পাইকারি বাজার, পাবনার কারখানার কাছেই।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · পাবনার লাগোয়া তাঁত ও বস্ত্র এলাকা; দক্ষ শ্রমিক ও ঝুটের সরবরাহ দুটোই কাছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: এক বাজারের উপর নির্ভরতা এই শিল্পকে ধসিয়ে দিয়েছে। দেশের হোসিয়ারি পণ্যের ৬৫ শতাংশ যেত পাবনা থেকে, আর প্রতি সপ্তাহে শতাধিক ট্রাক ভারতে যেত — তাতে আসত দেড় থেকে দুই লাখ মার্কিন ডলার। স্থলপথ বন্ধ হওয়ার পর সপ্তাহে যাচ্ছে সাত-আট ট্রাক। জেলা হোসিয়ারি ম্যানুফ্যাকচারার্স গ্রুপ বলছে, প্রায় তিন হাজার কারখানার ৬৫ শতাংশ শ্রমিক এখন বেকার। এক ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণে ৪০০ জনের কারখানা গড়ে দেউলিয়া হয়েছেন। জনি গার্মেন্টসে ৫০০ শ্রমিক কমে ২০০ হয়েছে।
  • বেশিবাকিতে বিক্রি: রপ্তানির টাকা আসতে এখন ৩০–৩৫ দিন লাগে, আগে লাগত পাঁচ দিন। এই পুরো সময়টা শ্রমিকের মজুরি, ঝুট কেনার টাকা আর বিদ্যুৎ বিল নিজের পকেট থেকে দিতে হয়। যাঁদের ব্যাংক বা এনজিওর কিস্তি চলছে, তাঁদের জন্য এই ২৫ দিনের বাড়তি অপেক্ষাই ব্যবসা ডুবিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
  • বেশিচলতি মূলধন: বিক্রি না হলেও মাল বানানো থেমে থাকে না, আর গুদাম ভরে যায়। পাবনার কারখানার গুদাম ও শোরুমে উৎপাদিত পণ্য জমে আছে, বস্তায় ভরা ঝুট কাপড়ও পড়ে আছে। এক ঝুট ব্যবসায়ী দেড় বছর ধরে বিক্রি না পেয়ে ১৫ জনের মধ্যে ১০ জনকে ছাঁটাই করেছেন। জমে থাকা মালে টাকা আটকে যায়, আর সেই টাকা ছাড়া নতুন অর্ডার নেওয়া যায় না।
  • মাঝারিচাহিদা: বিক্রি মৌসুমের উপর চলে। সোয়েটার, মোজা ও ফুলহাতা গেঞ্জি শীতের আগে বিক্রি হয়, আর ঈদের আগে শিশুদের পোশাকের চাহিদা বাড়ে। বছরের বাকি সময় বিক্রি কম, অথচ শ্রমিক ধরে রাখতে কাজ চালু রাখতে হয় — নইলে মৌসুমে দক্ষ লোক পাওয়া যায় না।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: রপ্তানির কাগজপত্র ও পথ নিয়ে সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীর হাতে নয়। স্থলবন্দর খোলা থাকবে কি না, কোন পণ্যে কী শর্ত বসবে — এসব রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, আর তা রাতারাতি বদলায়। যাঁরা শুধু স্থলপথের হিসাব ধরে কারখানা বানিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে কোনো বিকল্প ছিল না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার হোসিয়ারি কারখানার মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ, ৪০০ কর্মীর কারখানা বন্ধ করে দেনায় ডুবলেন মালিক

ব্যাংকঋণে গড়া ৪০০ কর্মীর হোসিয়ারি কারখানা ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। জেলার প্রায় ৩,০০০ ইউনিটে কাজ করা এক লাখের বেশি শ্রমিকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এখন কর্মহীন।

কারণ
নির্ভরশীলতা, বাকি টাকা

একই রকম আরও ব্যবসা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

বই প্রকাশনা ও প্রিন্টিং

পাণ্ডুলিপি থেকে বই ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া। সাদা লেখার কাগজ দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০, আর ছাপাখানা রাখতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘোষণা বাধ্যতামূলক।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳৫০ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
৬০ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

পাটের ব্যাগ তৈরি

পাটের কাপড় কিনে শপিং ও উপহারের ব্যাগ সেলাই। করপোরেট অর্ডারে বড় আয়।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳৫ লাখ
জনবল
৪ – ৮ জন
প্রথম আয়
২০ – ৪০ দিন
বাজারদর
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

রাবার ও প্লাস্টিক স্যান্ডেল তৈরি

পুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
৩ – ২৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

জুতা তৈরির কারখানা

ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
জনবল
৪ – ২০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
মোজা ও গেঞ্জি কারখানা: ঝুট কাপড়, পাবনার বাজার ও টাকার হিসাব · আয়-রোজগার