মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

প্লাস্টিক পণ্য তৈরি

ছাঁচে গলানো প্লাস্টিক ঢেলে বালতি, মগ ও চেয়ার বানানো। বাজার ৫০ হাজার কোটি টাকার, কিন্তু আরএফএলের দোকানেই ৩০ লিটারের বালতি ৳১৯৩ — নতুন দানা কিনে এই দামে টেকা যায় না।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
প্লাস্টিক পণ্য তৈরি

প্লাস্টিক পণ্য তৈরি

শুরুর পুঁজি
৳৬,০০,০০০ – ৳৫০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৪ – ৩০ জন
প্রথম বিক্রি
৯০ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১২ – ২৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

বালতি, মগ, গামলা, চেয়ার, টুল — ঘরের এই জিনিসগুলো ছাঁচে গলানো প্লাস্টিক ঢেলে বানানো হয়। বাজারটা বিশাল। প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির হিসাবে দেশে প্লাস্টিকের অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার, ছোট-বড় প্রায় ছয় হাজার প্রতিষ্ঠান আছে আর প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এ খাতে কাজ করেন। কিন্তু সত্যি কথাটা আগে জেনে নেওয়া দরকার। ঘরের প্লাস্টিক পণ্যের বাজার আরএফএল আর বেঙ্গলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের দখলে। আরএফএল একাই মাসে প্রায় ১০ হাজার টন কাঁচামাল দিয়ে পাঁচ হাজারের বেশি পণ্য বানায়। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আরএফএলের নিজস্ব অনলাইন দোকানে ৩০ লিটারের বালতির দাম ছিল ৳১৯৩, মগ ৳৮৮ আর প্লাস্টিকের চেয়ার ৳৩৪০ থেকে। এই দামের নিচে গিয়ে নতুন কারখানার পক্ষে টেকা কঠিন — কারণ নতুন দানার দামই আকাশছোঁয়া। যুদ্ধের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন কাঁচামাল ছিল ৯০০–৯৫০ ডলার, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তা দেড় হাজার ডলারের কাছাকাছি, মানে কেজিপ্রতি প্রায় ১৮৫ টাকা। তার ওপর আমদানিতে ৩২ শতাংশ কর। তাই ছোট কারখানার একমাত্র পথ পুনর্ব্যবহৃত দানা — ভাঙারি থেকে কেনা শক্ত প্লাস্টিক গলিয়ে বানানো দানা, যার দাম নতুন দানার এক-চতুর্থাংশেরও কম। এই খাতে ঢুকতে হলে ওই পার্থক্যটাই আপনার পুরো ব্যবসা।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫০,০০০ – ৳২০,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৮৮ – ৳১,৯৫৫ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৬৬ – ৳১,২৭০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার২৫% – ৩৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৯০ – ২৪০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১২ – ২৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৪৫ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৬%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৪০০ – ৮,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ইনজেকশন মোল্ডিং মেশিন এবং প্রতিটি পণ্যের আলাদা ছাঁচ। দারাজে বিসমিল্লাহ মেশিনারি বিডির একটি প্লাস্টিক মোল্ডিং মেশিন ৳৫,২৫,০০০ (১৬-০৯-২০২৬)। সঙ্গে গ্রাইন্ডার, শুকানোর যন্ত্র ও শীতলীকরণের ব্যবস্থা।যন্ত্রপাতি
  • কাঁচামাল — নতুন দানা ২০২৬ সালের এপ্রিলে টনপ্রতি প্রায় ১,৫০০ ডলার (কেজিপ্রতি প্রায় ১৮৫ টাকা), আমদানিতে ৩২ শতাংশ কর। বিকল্প পুনর্ব্যবহৃত দানা, যা ভাঙারি থেকে কেনা শক্ত প্লাস্টিক গলিয়ে বানানো হয়।শুরুর মাল
  • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার লাইসেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশগত ছাড়পত্র — কারখানার আকার ও প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রযোজ্য। ফি ও মেয়াদ স্থানীয় দপ্তর থেকে যাচাই করে নিন; এই গবেষণায় তা পাওয়া যায়নি।লাইসেন্স
  • বিএসটিআই মান সনদ — পণ্য ভেদে প্রযোজ্য। খাবার রাখার প্লাস্টিক পাত্র বানালে বিএসটিআই দপ্তরে আগে যাচাই করে নিন।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু, বছর বছর নবায়ন।লাইসেন্স
  • কাঁচামাল আমদানিকারক বা পুনর্ব্যবহৃত দানার সরবরাহকারী, এবং ছাঁচ বানানোর কারখানা।সরবরাহকারী
  • শিল্প বিদ্যুৎ সংযোগ ও পর্যাপ্ত লোডসহ কারখানা, কাঁচামাল ও তৈরি মাল রাখার আলাদা গুদাম। প্লাস্টিক পণ্য হালকা কিন্তু জায়গা নেয় অনেক।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1প্রথমে ঠিক করুন আপনি কোন পণ্য বানাবেন এবং নতুন না পুনর্ব্যবহৃত দানা ব্যবহার করবেন। নতুন দানার দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১৮৫ টাকা, তার ওপর ৩২ শতাংশ আমদানি কর — এই খরচ নিয়ে আরএফএলের ৳১৯৩ টাকার বালতির সঙ্গে লড়া যায় না।
  2. 2পুনর্ব্যবহৃত দানার জোগান ঠিক করুন। ভাঙারির আড়ত থেকে শক্ত প্লাস্টিক কিনে ধুয়ে, কেটে ও গলিয়ে দানা বানানো হয়। স্থিতিশীল জোগান না থাকলে মেশিন বসে থাকবে।
  3. 3বিদ্যুৎ ও জায়গা ঠিক করুন। ইনজেকশন মোল্ডিং মেশিন ভারী বিদ্যুৎ টানে; শিল্প সংযোগ ও লোড অনুমোদন আগেই নিতে হয়, নইলে মেশিন এনেও চালানো যায় না।
  4. 4সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর কারখানার জন্য ফায়ার লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রযোজ্য কি না জেনে নিন।
  5. 5মেশিন কিনুন। দারাজে বিসমিল্লাহ মেশিনারি বিডি একটি প্লাস্টিক মোল্ডিং মেশিন ৳৫,২৫,০০০ টাকায় তালিকাভুক্ত করেছে (১৬-০৯-২০২৬)। টনেজ ও ছাঁচের ধরন অনুযায়ী দাম অনেক বদলায়, তাই কমপক্ষে তিনটি দর নিন।
  6. 6প্রতিটি পণ্যের জন্য আলাদা ছাঁচ বানান। ছাঁচই স্থায়ী সম্পদ ও স্থায়ী ঝুঁকি — একটা পণ্য না চললে সেই ছাঁচের টাকা ফেরত আসে না।
  7. 7বিএসটিআই থেকে পণ্যের মান সনদ প্রযোজ্য কি না যাচাই করুন, বিশেষত খাবার রাখার পাত্র বানালে।
  8. 8পাইকারি আড়তে নমুনা নিয়ে যান। গৃহস্থালি প্লাস্টিকের বাজার আড়তনির্ভর; আড়ত নমুনা দেখে অর্ডার দেয় আর দামও সেখানেই ঠিক হয়।
  9. 9বড় ব্র্যান্ড যেখানে যায় না সেখানে জায়গা খুঁজুন — বিশেষ মাপ, ডেকোরেটরের জন্য মজবুত টুল, শিল্প-কারখানার জন্য বিশেষ পাত্র। ৩০ লিটারের সাধারণ বালতিতে আরএফএলের সঙ্গে সরাসরি দামের লড়াই হারই।
  10. 10কাঁচামালের দাম প্রতি মাসে দেখে নিন। ২০২৬ সালের এপ্রিলে যুদ্ধের কারণে টনপ্রতি দাম ৪০–৫০ শতাংশ বেড়েছিল আর আরএফএল পণ্যের দাম ১০–১৫ শতাংশ বাড়িয়েছিল। এই দোলাচলে অর্ডারের দাম আগে থেকে বেঁধে ফেলা বিপজ্জনক।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দরের কারণে আমদানি করা কাঁচামাল সবচেয়ে আগে ও সস্তায় এখানেই পৌঁছায়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · গৃহস্থালি প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় পাইকারি আড়ত, ভাঙারির বাজার আর ছাঁচ বানানোর কারখানা — তিনটিই এখানে।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · শিল্প বিদ্যুৎ সংযোগ ও জায়গা তুলনামূলক সহজ, বড় প্লাস্টিক কারখানাও এখানে আছে।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ছোট ও মাঝারি প্লাস্টিক কারখানার ঘন এলাকা, ঢাকার আড়ত হাতের নাগালে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের পাইকারি কেন্দ্র; স্থানীয়ভাবে ছাঁচ ও যন্ত্রাংশ বানানোর কারিগর আছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসে দুই বড় বাজারেই মাল পাঠানো যায়।
  • সম্ভবখুলনা · দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বড় পাইকারি বাজার, আর মোংলা বন্দর কাছে।
  • সম্ভবমুন্সীগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, জমি ও ভাড়া তুলনামূলক কম আর নদীপথে মাল পাঠানো সহজ।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: বাজার বড় প্রতিষ্ঠানের দখলে। আরএফএল একাই মাসে প্রায় ১০ হাজার টন কাঁচামাল দিয়ে পাঁচ হাজারের বেশি পণ্য বানায়, আর নিজের দোকানে ৩০ লিটারের বালতি ৳১৯৩ ও মগ ৳৮৮ টাকায় বিক্রি করে। তাদের ক্রয়ক্ষমতা, ছাঁচের সংখ্যা ও পরিবেশক নেটওয়ার্কের সঙ্গে একটি ছোট কারখানার সাধারণ পণ্যে দামের লড়াই সম্ভব নয়। ছোট কারখানা টিকে থাকে সেইসব মাপ ও পণ্যে, যেখানে বড়রা যায় না।
  • বেশিচলতি মূলধন: কাঁচামালের দাম হঠাৎ লাফ দেয়। যুদ্ধের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে টনপ্রতি ছিল ৯০০–৯৫০ ডলার, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তা দেড় হাজার ডলারের কাছাকাছি — এক লাফে ৪০–৫০ শতাংশ। লুনা পলিমারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভাষ্য, আমদানিতে ৩২ শতাংশ কর দিতে হয় আর ব্যাংকের সহায়তাও কম। আকিজ প্লাস্টিকস তখন উৎপাদন ২০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। যে কারখানার হাতে মজুত নেই, তার মেশিন বসে থাকে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: কাঁচামালের প্রায় পুরোটাই আমদানি। সমিতির হিসাবে দেশে বছরে প্রায় ১৭ লাখ টন কাঁচামাল লাগে, তার প্রায় ১৫ লাখ টনই আমদানি করা হয়। সমিতির সভাপতির সরাসরি কথা — আমদানি কমে গেলে অনেক ছোট কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। হরমুজ প্রণালির মতো সমুদ্রপথ বন্ধ হলে বা ডলার না মিললে ছোট কারখানাই আগে থামে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ছাঁচে টাকা মরে যায়। প্রতিটি নতুন পণ্যের জন্য নতুন ছাঁচ লাগে, আর ছাঁচ অন্য কাজে লাগানো যায় না। একটি পণ্য বাজারে না চললে সেই ছাঁচের পুরো খরচই ক্ষতি — আর ছোট কারখানার পক্ষে ভুল করার সুযোগ দুই-তিনবারের বেশি নেই।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

মশার কয়েল তৈরি

কাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।

পুঁজি
৳৪ লাখ – ৳৪০ লাখ
জনবল
৫ – ৪০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

কম্পিউটার এমব্রয়ডারি কারখানা

মেশিনে কাপড়ের উপর সুতার নকশা বসিয়ে অন্যের জন্য কাজ করে দেওয়া। টুপির কারখানা, বুটিক ও শাড়ির কুঠিই খদ্দের। হাতে যে কারচুপিতে ১৫ দিন লাগে, মেশিন তা ঘণ্টায় করে।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
২ – ৩০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
বাজারদর
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

কার্টন ও বক্স তৈরি

ঢেউতোলা কাগজে কার্টন ও বাক্স বানানোর কারখানা। ছোট পার্সেল কার্টন প্রতিটি ৳২৪–৪০, আর দেশে দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেলই সবচেয়ে বড় বাজার।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳৩০ লাখ
জনবল
৪ – ৩০ জন
প্রথম আয়
৪৫ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

রাবার ও প্লাস্টিক স্যান্ডেল তৈরি

পুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
৩ – ২৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
প্লাস্টিক পণ্য তৈরির ব্যবসা: কাঁচামালের দাম, মেশিন ও বাজারের বাস্তবতা · আয়-রোজগার