মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

আইসক্রিম ও পপসিকল তৈরি

দুধ, গুঁড়া দুধ ও চিনি দিয়ে আইসক্রিম, কুলফি ও পপসিকল তৈরি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর মাইনাস ২০ ডিগ্রির ঠান্ডার শিকল একবার ভাঙলেই মাল নষ্ট।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
আইসক্রিম ও পপসিকল তৈরি

আইসক্রিম ও পপসিকল তৈরি

শুরুর পুঁজি
৳২,৫০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ১২ জন
প্রথম বিক্রি
৪৫ – ১০০ দিন
সরকারি সূত্র
খরচ উঠতে
৬ – ১৮ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

দুধ, গুঁড়া দুধ, চিনি ও ফ্লেভার মিশিয়ে আইসক্রিম, কুলফি ও পপসিকল বানিয়ে বিক্রি করার কাজ। বাজারটা বড় হচ্ছে দ্রুত। ২০২১ সালে দেশে আইসক্রিমের বাজার ছিল দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার, ২০২৬ সালে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় — বছরে বাড়ছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে। আগে মৌসুম ছিল মার্চ থেকে জুন, এখন গরম টেনে যায় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত, তাই বিক্রির সময়ও লম্বা হয়েছে। কিন্তু দুটো জিনিস এই ব্যবসাকে কঠিন করে রাখে। এক, কাঁচামাল। স্কিমড মিল্ক পাউডার, বাটার ফ্যাট, কোকো আর ফ্লেভার প্রায় পুরোটাই আমদানি করা, দেশি দুধের জোগান চাহিদার তুলনায় কম। শুল্ক আর ডলারের দাম বাড়লে খরচ সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায়। দুই, ঠান্ডার শিকল। কারখানা থেকে খদ্দেরের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত আইসক্রিম মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখতে হয়। উপজেলা ও গ্রামে লোডশেডিং হলে সেই শিকল ভাঙে আর মাল নষ্ট হয়। ইগলুর প্রধান নির্বাহী বলেছেন, জ্বালানির দাম বাড়ায় এই খাতে খরচ বেড়েছে ১০ শতাংশ। আর আইসক্রিম বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য (বিডিএস ১০৮৩), আইস ললিও তাই (বিডিএস ১৮৪৭) — সিএম লাইসেন্স ছাড়া বানালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আর কারখানা সিলগালা।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,৫০,০০০ – ৳১৮,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২৮০ – ৳৫০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৫০ – ৳২৩০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১৮% – ৭০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৪৫ – ১০০ দিনসরকারি সূত্র
খরচ উঠে আসার সময়৬ – ১৮ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৭ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ২৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০০ – ১,২০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ব্যাচ ফ্রিজার বা আইসক্রিম মেশিন, মিক্সিং ট্যাংক, পপসিকল মোল্ড, হার্ডেনিং ডিপ ফ্রিজ এবং দোকানে বসানোর ফ্রিজার। দারাজে ৩০০ লিটারের চেস্ট ফ্রিজার ৳৪৩,৮৫৭–৫৩,৫৯০ (১৬-০৯-২০২৬)। ব্যাচ ফ্রিজারের দেশীয় দর যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • গুঁড়া দুধ ১ কেজি ৳৮৩০–৯৬০, চিনি ৳১১০–১১৫ খুচরা ও ৳১০২–১০৩ পাইকারি (টিসিবি ও ডিএএম, ১৫-০৯-২০২৬), তরল দুধ মিল্কভিটা লিটারে ৳১১০। স্কিমড মিল্ক পাউডার, বাটার ফ্যাট, কোকো ও ফ্লেভার আমদানিনির্ভর।শুরুর মাল
  • নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও প্রিমিসেস লাইসেন্স — ৳১,০০০ নতুন, ৳৫০০ নবায়ন, মেয়াদ তিন বছর। প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
  • বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স — আইসক্রিম (বিডিএস ১০৮৩:২০০৬) ও আইস ললি (বিডিএস ১৮৪৭:২০১১, সংশোধনী-১:২০২১) বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকাভুক্ত। আবেদন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০, অন্যান্য পণ্যে মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫।লাইসেন্স
  • মিশ্রণের অনুপাত ও ওভাররান ঠিক রাখা, আর তাপমাত্রা ধরে রাখা। বেশি বাতাস ঢুকলে আইসক্রিম হালকা হয়ে যায়, কম হলে শক্ত — দুটোই খদ্দের ধরতে পারে।দক্ষতা
  • গুঁড়া দুধ ও বাটার ফ্যাটের আমদানিকারক বা পরিবেশক, ফ্লেভার ও রঙের অনুমোদিত সরবরাহকারী, কাপ-কাঠি-মোড়কের উৎস, আর ঠান্ডা গাড়ির ব্যবস্থা।সরবরাহকারী
  • পাকা মেঝে ও নালাসহ আলাদা উৎপাদন কক্ষ, মজুতের জন্য ঠান্ডা ঘর, আর বিদ্যুতের জোরালো সংযোগ। ফ্রিজার ও হার্ডেনিং রুম বিদ্যুৎ টানে সবচেয়ে বেশি।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন কী বানাবেন — সস্তা পপসিকল ও কুলফি, নাকি দুধভিত্তিক আইসক্রিম। দুটোর যন্ত্র, কাঁচামাল আর লাইসেন্সের শর্ত আলাদা।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন।
  3. 3নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও খাদ্যপণ্যের প্রিমিসেস লাইসেন্স নিন — নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। প্রিমিসেস লাইসেন্স ছাড়া বিএসটিআইয়ের আবেদন গ্রহণ হয় না।
  4. 4বিএসটিআইয়ে সিএম লাইসেন্সের আবেদন করুন। আইসক্রিম (বিডিএস ১০৮৩) ও আইস ললি (বিডিএস ১৮৪৭) দুটোই বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত। আবেদন ফি ৳১,০০০, বছরে লাইসেন্স ফি ৳২০০, মার্কিং ফি সর্বনিম্ন ৳১,৮৭৫।
  5. 5ঠান্ডার ব্যবস্থা আগে দাঁড় করান — হার্ডেনিং রুম বা ডিপ ফ্রিজ, আর দোকানে বসানোর জন্য ফ্রিজার। দারাজে ৩০০ লিটারের চেস্ট ফ্রিজার ৳৪৩,৮৫৭–৫৩,৫৯০, ২০০ লিটার ৳৪২,৯৯০–৪৮,৯৯০ (১৬-০৯-২০২৬)।
  6. 6কাঁচামালের সরবরাহকারী ঠিক করুন। গুঁড়া দুধ ১ কেজি ঢাকায় খুচরা ৳৮৩০–৯৬০ (টিসিবি ১৫-০৯-২০২৬), চিনি ৳১১০–১১৫ খুচরা ও ৳১০২–১০৩ পাইকারি, তরল দুধ মিল্কভিটা লিটারে ৳১১০। স্কিমড মিল্ক পাউডার ও বাটার ফ্যাট আমদানিনির্ভর, তাই ডলারের দাম বাড়লে খরচ বাড়বে।
  7. 7নমুনা বানিয়ে বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করান, তারপর লেবেল ছাপান — নাম, ব্র্যান্ড, ওজন, উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ, ব্যাচ নম্বর, ঠিকানা, খুচরা মূল্য ও বিডিএস নম্বরসহ মানচিহ্ন।
  8. 8বিক্রির পথ ঠিক করুন — ফেরিওয়ালা ও ভ্যানের বিক্রেতা, না দোকানে ফ্রিজার বসিয়ে। ফ্রিজার বসালে সেটি আপনার পুঁজি, আর বিদ্যুৎ বিল দোকানির — এই ভাগাভাগি আগেই লিখিত করে নিন।
  9. 9ফেব্রুয়ারি থেকেই মজুত বাড়ানো শুরু করুন, কারণ মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত টানা চাহিদা থাকে। শীতের তিন মাসে বিক্রি নেমে যায়, সেই সময়ের খরচ আগেই সরিয়ে রাখুন।
  10. 10লোডশেডিংয়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা রাখুন — জেনারেটর বা আইপিএস, আর ফ্রিজারে তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা। একবার গলে জমাট বাঁধা আইসক্রিম খেতে খারাপ লাগে, খদ্দের আর ফেরে না।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেকম
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, বন্দরের কাছে বলে আমদানি করা কাঁচামাল দ্রুত পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বড় বাজার, বিদ্যুৎ তুলনামূলক নিরবচ্ছিন্ন আর দোকানের ঘনত্ব বেশি বলে ঠান্ডার শিকল ধরে রাখা সহজ।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · শিল্পাঞ্চল ও ঘন বসতি; সাভার-আশুলিয়ার মতো এখানেও বড় কারখানাগুলো বসেছে, তাই সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি।
  • খুব উপযোগীময়মনসিংহ · ভালুকায় সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় আইসক্রিম কারখানা বসেছে; দুধের জোগান কাছেই আর ঢাকার সঙ্গে সড়ক ভালো।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও কারখানার শ্রমিকদল; ঢাকার বাজারে দ্রুত পৌঁছানো যায়।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলায় বিতরণের ঘাঁটি করা যায়।
  • সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটন মৌসুমে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও সৈকতের বিক্রেতাদের চাহিদা বেড়ে যায়।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · বাঘাবাড়ি ঘিরে দেশের বড় দুধ সংগ্রহ এলাকা, তাই তরল দুধ কাছেই মেলে।
  • সম্ভবসিলেট · শহরে রেস্তোরাঁ ও সুপারশপ বাড়ছে, প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতাও বেশি।
  • কম উপযোগীরংপুর · চাহিদা আছে, কিন্তু লোডশেডিং বেশি আর দূরত্বের কারণে ঠান্ডার শিকল ধরে রাখা ব্যয়বহুল।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনষ্ট হওয়া: কারখানা থেকে খদ্দেরের হাত পর্যন্ত আইসক্রিম মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখতে হয়। উপজেলা ও গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নেই, তীব্র লোডশেডিং হয়, আর তখনই ঠান্ডার শিকল ভাঙে। ইগলুর প্রধান নির্বাহী বলেছেন, গ্রীষ্মে চাহিদা যখন সবচেয়ে বেশি তখনই লোডশেডিংও সবচেয়ে বেশি; খুচরা বিক্রেতার ফ্রিজার চালানোর খরচ বাড়ে আর পণ্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে শহরতলিতে বাজার যত দ্রুত বাড়ছে, গ্রামে পৌঁছানো তত ব্যয়বহুল।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: মূল কাঁচামাল — স্কিমড মিল্ক পাউডার, বাটার ফ্যাট, কোকো ও বিশেষ ফ্লেভার — প্রায় পুরোটাই আমদানি করা। বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন ও আইসক্রিম ম্যানুফ্যাকচারার্স ফোরাম বলছে, চাহিদার তুলনায় দেশি দুধের জোগান অপর্যাপ্ত। বাজেটে শুল্ক-কর বাড়লে বা ডলারের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচ সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায়, অথচ দোকানে দাম বাড়ানো যায় না — কারণ আইসক্রিমের গায়ে দাম লেখা থাকে।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: আইসক্রিম বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক পণ্য। সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদন করলে বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করে ও কারখানা সিলগালা করে — ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার তেজগাঁওয়ে সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদনের দায়ে এক খাদ্য কারখানাকে ৳৩০,০০০ জরিমানা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আলাদা করে রান্নাঘর ও মজুতের পরিবেশ দেখে; নোংরা পরিবেশে উৎপাদন পেলে লাখ টাকার জরিমানা হয়।
  • বেশিচাহিদা: বিক্রি পুরোপুরি আবহাওয়ার উপর। আগে মৌসুম ছিল মার্চ থেকে জুন, এখন গরম টেনে যায় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত — এটা সুবিধা। কিন্তু নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি বিক্রি প্রায় বন্ধ, আর টানা বৃষ্টির সপ্তাহেও বিক্রি নেমে যায়। ফ্রিজারের বিদ্যুৎ বিল, ঘরভাড়া আর কর্মীর বেতন কিন্তু ওই মাসগুলোতেও দিতে হয়।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: দোকানে ফ্রিজার বসাতে হয় নিজের টাকায়, আর একটা ৩০০ লিটারের চেস্ট ফ্রিজারই ৳৪৩,৮৫৭–৫৩,৫৯০। দশটা দোকানে বসাতে গেলে শুধু ফ্রিজারেই সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা আটকে যায়, অথচ সেই টাকা ফেরত আসে বিক্রির সঙ্গে ধীরে ধীরে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে মানিকগঞ্জের একজন আইসক্রিম কারখানার মালিক

নামী ব্র্যান্ডের আদলে আইসক্রিম, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ১ লাখ

পরিচিত ব্র্যান্ডের কাছাকাছি নামে আইসক্রিম বানিয়ে, অনুমোদন ছাড়া বিএসটিআই সিল ছেপে আর মোড়কে উপাদান না লিখে কয়েক বছর চলার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা করে।

কারণ
আইনি জটিলতা

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

টমেটো সস ও কেচাপ

শীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

ছোট বেকারি

পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। ময়দার বস্তা এক বছরে ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ৳১,০০০ — বাধ্যতামূলক।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
৩ – ২০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

ফাস্ট ফুড ও বার্গার শপ

বার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল ও ফ্রাই বিক্রির ছোট দোকান। রেস্তোরাঁর চেয়ে পুঁজি কম, কিন্তু লাইসেন্সের তালিকা হুবহু একই — ট্রেড, নিরাপদ খাদ্য, ফায়ার, পরিবেশ, ভ্যাট।

পুঁজি
৳২.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

কফি শপ

এসপ্রেসো মেশিন আর আমদানি করা কফি বিনের দোকান। কাপ ৳৫০ থেকে ৳৪০০, কিন্তু দিনে বিক্রি হয় ৭০–১০০ কাপ — ক্রেতা এক কাপ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন।

পুঁজি
৳২.৩ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
আইসক্রিম তৈরির ব্যবসা: বিএসটিআই সনদ, ঠান্ডার শিকল ও দাম · আয়-রোজগার