মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

বরফ কল

মাছ সংরক্ষণের বরফ তৈরির কারখানা। এক ক্যান বরফ ১২০–৩০০ টাকা, কিন্তু ১২৫ কেজির এক ক্যান বানাতে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ লাগে — লোডশেডিংই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
বরফ কল

বরফ কল

শুরুর পুঁজি
৳১৫,০০,০০০ – ৳১,০০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
৫ – ২৫ জন
প্রথম বিক্রি
৯০ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৯ – ৩২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

মাছের জন্য বরফ বানানোর কারখানা। পানি ভরা ক্যান ব্রাইনের ঠান্ডা ট্যাংকে ডুবিয়ে রাখা হয়, আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্প্রেসার চললে ভেতরের পানি জমে বরফের চাক হয়। এই ব্যবসার পুরো খরচটাই বিদ্যুৎ। পাথরঘাটা বরফকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর হিসাবে, ১২৫ কেজি ওজনের এক ক্যান বরফ বানাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাগে। মহিপুরের জননী আইসপ্লান্টের মালিক কবির হোসেন বলছেন, শুধু পানি ঠান্ডা হতেই ৮ ঘণ্টা যায়, পুরো বরফ হতে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দরকার। তাই লোডশেডিং এখানে অসুবিধা নয়, সরাসরি লোকসান। ২০২৬ সালের আগস্টে পাথরঘাটায় ২৪ ঘণ্টায় ৫–৭ বার আর মহিপুর-আলীপুরে ৭–৮ বার বিদ্যুৎ যাচ্ছিল, প্রতিবার দুই ঘণ্টার বেশি। ফল — যে ক্যানে ১২৫ কেজি বরফ হওয়ার কথা, তাতে হচ্ছে বড়জোর ৬০ কেজি। পাথরঘাটার ২৪টি কল আগে ৮ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৮০০ ক্যান বানাত, নেমে এসেছে ১০ হাজারে। দাম তখন লাফ দেয়: যে ক্যান কিছুদিন আগেও ১২০ টাকায় মিলত, তার জন্য ২০০ থেকে ২৫০ টাকা গুনতে হয়েছে; পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুরে ১৫০ টাকার ক্যান উঠেছিল ৩০০ টাকায়। ক্রেতা হলো মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, আড়তদার আর সাগরগামী ট্রলার — একটা ট্রলার গভীর সাগরে যাওয়ার সময়েই ২৫০ থেকে ৩০০ ক্যান বরফ তুলে নেয়। বিদ্যুতের দামও বেড়েছে: ৩ জুন ২০২৬ তারিখে বিইআরসি খুচরা গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করেছে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৯,৫০,০০০ – ৳৩৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১২০ – ৳৩০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৭৫ – ৳১০৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১২% – ৭৫%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৯০ – ২৪০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৯ – ৩২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার০% – ৫২%অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৪১৭ – ১,২০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • কম্প্রেসার, ঠান্ডা করার (ব্রাইন) ট্যাংক, বরফের ক্যান বা ছাঁচ, ক্যান তোলার ক্রেন বা হুইস্ট, গভীর নলকূপ ও পানির পাম্প, আর লোডশেডিংয়ের জন্য জেনারেটর।যন্ত্রপাতি
  • শিল্প বা বাণিজ্যিক শ্রেণির বিদ্যুৎ সংযোগ — পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বিপিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকো বা ওজোপাডিকো থেকে। বিইআরসি ৩ জুন ২০২৬ তারিখে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেছে: পাইকারি ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা, খুচরা গড় ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা। শিল্প শ্রেণির নিজস্ব ধাপভিত্তিক দর বিতরণ অফিস থেকে লিখিতভাবে নিন।লাইসেন্স
  • পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র লাগবে কি না, জেলা কার্যালয় থেকে জেনে নিন। বরফ কলে অ্যামোনিয়া ব্যবহার হয় বলে শিল্প শ্রেণিতে পড়তে পারে — এই তথ্যটি সরকারি সূত্রে যাচাই করা যায়নি, তাই আবেদনের আগেই জিজ্ঞেস করে নিন।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • কম্প্রেসার ও ব্রাইন ট্যাংক চালানো ও ছোটখাটো মেরামত। কল বন্ধ থাকলেই ক্ষতি, তাই মিস্ত্রির অপেক্ষায় বসে থাকা যায় না।দক্ষতা
  • নিয়মিত বিদ্যুৎ ও পরিষ্কার পানি — এই দুটোই আসল কাঁচামাল। সঙ্গে ডিজেলের সরবরাহ ও কম্প্রেসারের যন্ত্রাংশ মেরামতকারী মিস্ত্রি।সরবরাহকারী
  • মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বা মাছের ঘাটের লাগোয়া জায়গা, পাকা মেঝে ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ। ক্যান তোলা-নামানোর জন্য ছাদের উচ্চতা ও ক্রেনের জায়গা লাগে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1বিদ্যুৎ আগে, জায়গা পরে। যে এলাকায় কল বসাবেন সেখানকার পল্লী বিদ্যুৎ বা বিতরণ অফিসে গিয়ে জেনে নিন — চাহিদা কত, সরবরাহ কত, ফিডারে দিনে কয়বার লোডশেডিং হয়। এই একটা খবরই ব্যবসাটা চলবে কি না ঠিক করে দেয়।
  2. 2মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বা ঘাটের একদম কাছে জায়গা নিন। বরফ ভারী আর গলে যায়, তাই দূরত্ব মানেই ক্ষতি।
  3. 3ক্রেতা গুনুন। এই ঘাটে কয়টা সাগরগামী ট্রলার ভেড়ে, কয়টা আড়ত আছে, এক ট্রিপে একটা ট্রলার কত ক্যান নেয় — বরগুনায় একটা ট্রলার গভীর সাগরে যাওয়ার সময় ২৫০–৩০০ ক্যান তোলে।
  4. 4শিল্প বা বাণিজ্যিক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করুন এবং লিখিতভাবে ইউনিট প্রতি দর ও ডিমান্ড চার্জ জেনে নিন। ৩ জুন ২০২৬ থেকে খুচরা গড় দর ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা ৬৩ পয়সা।
  5. 5পানির উৎস ঠিক করুন — গভীর নলকূপ বা সরবরাহের লাইন। বরফের মান পানির উপরেই দাঁড়ায়।
  6. 6যন্ত্র বসান: কম্প্রেসার, ঠান্ডা করার (ব্রাইন) ট্যাংক, বরফের ক্যান বা ছাঁচ, আর ক্যান তোলার ক্রেন। কয়টা ক্যান বসাবেন তা ঠিক করার আগে হিসাব করুন — এক ক্যান বরফ হতে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ লাগে, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় একটা ছাঁচ বড়জোর তিনবার খালি হয়।
  7. 7জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখুন, আর তার তেলের খরচ আলাদা খাতায় লিখুন। জেনারেটরে বরফ বানানো লাভজনক কি না — সেই হিসাবটা প্রথম মাসেই করে ফেলুন।
  8. 8আড়তদার ও ট্রলার মালিকদের সঙ্গে সরবরাহের কথা পাকা করুন, আর বাকির শর্ত লিখিত রাখুন। মাছ বিক্রির পর টাকা — এই শর্তে দিলে আপনার টাকা সাগরে চলে গেল।
  9. 9মৌসুম ধরে হিসাব করুন। ইলিশের ভরা মৌসুমে চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর তখনই লোডশেডিং সবচেয়ে বেশি ভোগায় — এই দুটো একসঙ্গে পড়ে।
  10. 10স্থানীয় বরফ কল মালিক সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। পাথরঘাটা ও কক্সবাজার দুই জায়গাতেই সমিতি আছে, আর দাম নিয়ে দর-কষাকষি সমিতির মাধ্যমেই হয়।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুকম
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেকম
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবরগুনা · পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছের মোকাম; উপজেলায় ২৪টি বরফকল আর জেলার ট্রলার মালিক সমিতির অধীনে ১,৩৫০টি সাগরগামী ট্রলারসহ মোট সাড়ে ৩ হাজার নৌযান।
  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · চট্টগ্রামের গভীর সাগরগামী ট্রলার মাছ বিক্রি ও বরফের জন্য পাথরঘাটা পর্যন্ত যায় — অর্থাৎ এখানকার চাহিদা স্থানীয় সরবরাহে মেটে না।
  • খুব উপযোগীকক্সবাজার · জেলার সবচেয়ে বড় মাছের মোকাম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, সেখানে বরফ কল মালিক সমিতি আছে আর বরফের দাম নিয়ে আগেও কেনাবেচা বন্ধ হয়েছে।
  • খুব উপযোগীপটুয়াখালী · কলাপাড়ার মহিপুর-আলীপুর বন্দরে ২৭টি বরফকল, আলীপুর-মহিপুর এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৬টি; গভীর সাগরের এক ট্রিপে একটা ট্রলার ২০০–৩০০ ক্যান বরফ নেয়।
  • সম্ভববাগেরহাট · মোংলা ও রামপালের চিংড়ির ঘের আর মাছের ডিপোর কারণে সারা বছরই বরফের চাহিদা থাকে।
  • সম্ভবভোলা · মেঘনা-তেঁতুলিয়ার ইলিশের ঘাট আর মাছের আড়ত অনেক; তবে বিদ্যুতের সরবরাহ কেমন, তা বসানোর আগে যাচাই করতে হবে।
  • সম্ভবচাঁদপুর · ইলিশের বড় মোকাম, মাছ ঢাকায় পাঠানোর জন্য প্রচুর বরফ লাগে; তবে এখানকার অনেক বরফ কল আগেও বন্ধ হয়েছে।
  • সম্ভবখুলনা · চিংড়ি ও সাদা মাছের প্রক্রিয়াজাত কারখানা এবং রপ্তানির ডিপো — শিল্প শ্রেণির ক্রেতা এখানে বেশি।
  • সম্ভবপিরোজপুর · নদীঘেরা জেলা, মাছের ঘাট অনেক; তবে ছোট কলগুলো বিদ্যুতের খরচে আগেও ধুঁকেছে।
  • সম্ভবসাতক্ষীরা · শ্যামনগর-আশাশুনির চিংড়ির ঘের ঘিরে মাছ পরিবহনে বরফের নিয়মিত চাহিদা।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: বিদ্যুৎই এই ব্যবসার সব। ১২৫ কেজির এক ক্যান বরফ বানাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাগে, আর মহিপুরের কল মালিক কবির হোসেনের হিসাবে পুরো বরফ পেতে ১২–১৬ ঘণ্টা। ২০২৬ সালের আগস্টে পাথরঘাটায় চাহিদা ১৩ মেগাওয়াটের বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৭–৮ মেগাওয়াট, মহিপুর-আলীপুর-কুয়াকাটায় ১০-এর বিপরীতে ৫–৬। ফলে ক্যানপ্রতি ৬০ কেজির বেশি বরফ হয়নি, আর পাথরঘাটার ২৪টি কলের উৎপাদন ২৮,৮০০ ক্যান থেকে ১০ হাজারে নেমেছে।
  • বেশিচলতি মূলধন: বিদ্যুৎ না থাকলেও শ্রমিকের বেতন থামে না। পাথরঘাটার খাজা বরফকলে ২০–২৫ জন শ্রমিক কাজ করেন; মালিক মিহির কুমার বলেছেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের বসিয়ে বেতন দিতে হচ্ছে আর কয়েক মাসে অনেক টাকার লোকসান হয়েছে। এভাবে চললে শ্রমিক ছাঁটাই করে কল বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় থাকে না।
  • বেশিচাহিদা: চাহিদা মাছের মৌসুমের সঙ্গে ওঠানামা করে, আর মৌসুম মানেই কয়েক সপ্তাহ। ইলিশের ভরা মৌসুমে বরগুনার ট্রলার মালিক সমিতির অধীনেই ১,৩৫০টি সাগরগামী ট্রলার, সব মিলিয়ে সাড়ে ৩ হাজার নৌযান বরফ খোঁজে; মৌসুম শেষ হলে সেই চাহিদা নেই। কল কিন্তু সারা বছরের খরচ টানে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: সংকট হলেই দাম নিয়ে গোলমাল বাধে এবং বরফ কল মালিকদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের অভিযোগ ওঠে। পাথরঘাটার মাছ ব্যবসায়ী জাকির হোসেন সরাসরি বলেছেন, উৎপাদন কমে যাওয়ায় বরফ ব্যবসায় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠলে মৎস্য ব্যবসায়ীরা কেনাবেচা বন্ধ করে দেন আর বিএফডিসির অবতরণ কেন্দ্র অচল হয়ে পড়ে — তখন কারও বিক্রি নেই।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: বরফ ধরে রাখা যায় না — বানানোর পর যত দেরি, তত গলে যায়। তাই দিনের বরফ দিনেই বিক্রি করতে হয়, আর ট্রলার না ভিড়লে বা আবহাওয়া খারাপ থাকলে সেই বরফ টাকায় রূপ নেয় না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিদৈনিক চাঁদপুর খবরের প্রতিবেদনে চাঁদপুরের বরফকলের মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

৩৩টি বরফকলের মধ্যে চালু ২টি, শীতের পাঁচ মাস স্রেফ লোকসান

চাঁদপুরে একসময় ৩৩টি বরফকল চলত, প্রতিবেদনের সময় চালু ছিল মাত্র ২টি। ক্যানপ্রতি পাইকারি দাম ১৬০ টাকা, আর শীতের টানা পাঁচ মাস চাহিদাই থাকে না।

কারণ
নির্ভরশীলতা, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

কংক্রিট ব্লক তৈরি

সিমেন্ট-বালু-পাথরের কুচি দিয়ে ব্লক বানিয়ে বিক্রি। একটি হলো ব্লক ৳৩২–৫০, আর একটি ব্লক পাঁচটি ইটের জায়গা নেয়। সরকারি কাজে শতভাগ ব্লকের সময়সীমা ২০২৫ সালের জুনে শেষ, কিন্তু মানা হয়নি।

পুঁজি
৳১২ লাখ – ৳৪৫ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
বাজারদর
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

ই-বর্জ্য রিসাইক্লিং

পুরোনো মোবাইল, টিভি, ফ্রিজ ও কম্পিউটার থেকে ধাতু আলাদা করার কাজ। ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের নিবন্ধন ও ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক; বিনা নিবন্ধনে করলে ২ বছর কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা বা দুটোই।

পুঁজি
৳১০ লাখ – ৳৩ কোটি
জনবল
৫ – ৪০ জন
প্রথম আয়
১২০ – ৫৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

প্লাস্টিক পণ্য তৈরি

ছাঁচে গলানো প্লাস্টিক ঢেলে বালতি, মগ ও চেয়ার বানানো। বাজার ৫০ হাজার কোটি টাকার, কিন্তু আরএফএলের দোকানেই ৩০ লিটারের বালতি ৳১৯৩ — নতুন দানা কিনে এই দামে টেকা যায় না।

পুঁজি
৳৬ লাখ – ৳৫০ লাখ
জনবল
৪ – ৩০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপ

মশার কয়েল তৈরি

কাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।

পুঁজি
৳৪ লাখ – ৳৪০ লাখ
জনবল
৫ – ৪০ জন
প্রথম আয়
৯০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
বরফ কল: ক্যানপ্রতি দাম, বিদ্যুৎ খরচ ও লোডশেডিং · আয়-রোজগার