মোবাইল সার্ভিসিং
যন্ত্রাংশে লাভ কম, আসল লাভ হাতের মজুরিতে। মাদারবোর্ডের কাজ যিনি পারেন, অন্য দোকানও তাঁর কাছেই সেট পাঠায়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মোবাইল সার্ভিসিং
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪০,০০০ – ৳২,৫০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৩ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
নষ্ট মোবাইল ফোন সারিয়ে দেওয়ার দোকান। ভাঙা ডিসপ্লে বদলানো, চার্জিং পোর্ট ঠিক করা, ব্যাটারি পাল্টানো, পানিতে পড়া সেট খুলে শুকানো, সফটওয়্যার দেওয়া আর প্যাটার্ন লক খোলা — এই কয়টা কাজেই দিনের বেশির ভাগ সময় যায়। কাজের বিল দুই ভাগে ভাগ হয়: যন্ত্রাংশের দাম আর হাতের মজুরি। যন্ত্রাংশে লাভ সামান্য, আসল লাভ থাকে মজুরিতে — আর মজুরি নির্ভর করে কাজটা আপনি পারেন কি না তার উপর। যে দোকানদার শুধু ডিসপ্লে আর ব্যাটারি বদলাতে পারেন, তিনি যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী; যিনি মাদারবোর্ডে কাজ করতে পারেন, তিনিই আসল মিস্ত্রি — কারণ মাদারবোর্ডের কাজ অন্য দোকান পারে না, তাই তারা তাঁর কাছেই সেট পাঠায়। যন্ত্রাংশ আসে ঢাকার হাতিরপুলের মোতালিব প্লাজা থেকে; জেলা শহরের দোকানগুলো সেখান থেকেই কুরিয়ারে বা লোক পাঠিয়ে মাল আনে, আর সেই কারণে তাদের কেনা দর ঢাকার চেয়ে বেশি পড়ে। দোকান ছোট হলেও চলে, কিন্তু হাতিয়ার আর কিছু চলতি যন্ত্রাংশ মজুদ রাখতেই হয়। টাকা নগদে আসে, কাজ শেষ হওয়ার দিনই — এটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে ভালো দিক।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২৫,০০০ – ৳১,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৫০ – ৳৩,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২০ – ৳২,২০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৭% – ৮৭% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৪ – ১৫ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- সোল্ডারিং আয়রন, হট এয়ার রিওয়ার্ক স্টেশন, ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই, ডিজিটাল মাল্টিমিটার, মাইক্রোস্কোপ বা ম্যাগনিফায়ার ল্যাম্প, খোলার টুল সেট, আলট্রাসনিক ক্লিনার আর সফটওয়্যার বক্স।যন্ত্রপাতি
- এলাকায় সবচেয়ে বেশি চলে এমন মডেলের ডিসপ্লে ও ব্যাটারি, চার্জিং পোর্ট, ফ্লেক্স কেবল, স্ক্রু ও আঠা। যন্ত্রাংশের মজুদে টাকা আটকায়, কিন্তু মজুদ না থাকলে কাজ হাতছাড়া হয়।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- হাতেকলমে শেখা কাজ — সোল্ডারিং, ডিসপ্লে ও ব্যাটারি বদলানো, চার্জিং পোর্ট মেরামত, সফটওয়্যার দেওয়া, আর সবচেয়ে বড় দক্ষতা মাদারবোর্ডে কাজ করতে পারা। শেষেরটাই এক দোকানকে অন্য দোকান থেকে আলাদা করে।দক্ষতা
- যন্ত্রাংশের উৎস — ঢাকার হাতিরপুলের মোতালিব প্লাজা এই ব্যবসার প্রধান পাইকারি কেন্দ্র। ডিসপ্লে, ব্যাটারি, চার্জিং পোর্ট ও ফ্লেক্স কেবলের আলাদা আলাদা দোকান আছে। জেলা শহরের দোকান সেখান থেকে কুরিয়ারে মাল আনে, তাই কেনা দর ঢাকার চেয়ে বেশি পড়ে।সরবরাহকারী
- ছোট দোকান হলেই হয় — একটা কাজের টেবিল, ভালো আলো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ আর গ্রাহকের সেট রাখার নিরাপদ তালাবদ্ধ জায়গা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে কাজ শিখুন। ছয় মাস থেকে এক বছর কোনো দোকানে হাতেকলমে কাজ না করে নিজের দোকান খুললে প্রথম কয়েকটা নষ্ট সেটেই পুঁজি শেষ হয়ে যায়।
- 2জায়গা দেখুন — মোবাইলের দোকানের সারি, বাজার, কলেজের সামনে বা বাসস্ট্যান্ডের পাশে। মানুষ নষ্ট ফোন নিয়ে দূরে যায় না, যেখানে চোখে পড়ে সেখানেই ঢোকে।
- 3সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি; ৩–৫ কার্যদিবসে হয়।
- 4হাতিয়ার কিনুন — সোল্ডারিং আয়রন, হট এয়ার গান, ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই, মাল্টিমিটার, মাইক্রোস্কোপ বা ম্যাগনিফায়ার, খোলার টুল সেট আর আলট্রাসনিক ক্লিনার। প্রথমেই সব লাগে না, কিন্তু প্রথম চারটা ছাড়া কাজ শুরু হয় না।
- 5ঢাকার হাতিরপুলের মোতালিব প্লাজায় গিয়ে যন্ত্রাংশের উৎস ঠিক করুন — ডিসপ্লে, ব্যাটারি, চার্জিং পোর্ট আর ফ্লেক্স কেবলের দোকান আলাদা আলাদা। জেলা শহর হলে কুরিয়ারে মাল আনার ব্যবস্থা করুন।
- 6যেসব মডেল আপনার এলাকায় সবচেয়ে বেশি চলে, সেগুলোর ডিসপ্লে আর ব্যাটারি অল্প করে মজুদ রাখুন। যন্ত্রাংশ হাতে না থাকলে গ্রাহক সেট নিয়ে পাশের দোকানে চলে যান।
- 7সেট নেওয়ার সময় সামনে খুলে দেখিয়ে সমস্যা লিখুন আর একটা রসিদ দিন, যাতে পরে 'এই দাগ আগে ছিল না' নিয়ে ঝামেলা না হয়।
- 8বিল দুই ভাগে বলুন — যন্ত্রাংশের দাম কত আর মজুরি কত। একসঙ্গে বললে গ্রাহক শুধু মোট অঙ্কটা নিয়ে দরকষাকষি করেন, আর মজুরিটাই কাটা যায়।
- 9পানিতে পড়া সেট আর মাদারবোর্ডের কাজে আগে থেকেই বলে দিন যে ঠিক না-ও হতে পারে। না বললে সেট নষ্ট হলে দাম দেওয়ার দাবি ওঠে।
- 10আশপাশের যেসব দোকান মাদারবোর্ডের কাজ পারে না, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখুন। তাদের পাঠানো সেটই ধীরে ধীরে দোকানের নিয়মিত আয় হয়ে দাঁড়ায়।
- 11খাতায় লিখুন কোন মডেলের কোন সমস্যা কতবার এলো। কয়েক মাস পর দেখবেন হাতে গোনা কয়েকটা মডেলই বেশির ভাগ কাজ — মজুদ আর শেখা দুটোই ওখানে নিয়ে যান।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনবেশি
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহরের ব্যবহারকারী বেশি আর নিজস্ব মোবাইল মার্কেট আছে; ঢাকার উপর নির্ভরতা কিছুটা কম।
- খুব উপযোগীঢাকা · যন্ত্রাংশের প্রধান পাইকারি কেন্দ্র হাতিরপুলের মোতালিব প্লাজা এখানেই; মাল হাতে হাতে পাওয়া যায় বলে কেনা দর সবচেয়ে কম আর কাজ আটকায় না।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার শ্রমিকদের হাতে সস্তা ফোনের সংখ্যা প্রচুর, আর ঢাকা থেকে যন্ত্রাংশ আনা সহজ।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও কারখানা এলাকা; ঢাকার মার্কেট কাছে হওয়ায় জরুরি যন্ত্রাংশ একই দিনে আনা যায়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলা থেকেও সেট আসে, বিশেষ করে মাদারবোর্ডের কাজে।
- সম্ভবকুমিল্লা · জেলা শহরের বাজারে নিয়মিত কাজ আছে, তবে যন্ত্রাংশ ঢাকা থেকে কুরিয়ারে আনতে হয় বলে দুই-তিন দিন দেরি হয়।
- সম্ভবময়মনসিংহ · ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেশি; ডিসপ্লে ভাঙা আর চার্জিং পোর্টের কাজ নিয়মিত আসে।
- সম্ভবরংপুর · ব্যবহারকারী অনেক কিন্তু ক্রয়ক্ষমতা কম, তাই সস্তা মেরামতের কাজ বেশি আর মজুরি কম।
- সম্ভবসিলেট · দামি ফোনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, তাই মজুরির অঙ্কও বেশি; কিন্তু সেই কাজের জন্য দক্ষতাও বেশি লাগে।
- কম উপযোগীবান্দরবান · ব্যবহারকারী কম আর যন্ত্রাংশ আনতে সময় ও খরচ দুটোই বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিঅন্যান্য: গ্রাহকের সেট নষ্ট হয়ে যাওয়া। মাদারবোর্ডে কাজ করতে গিয়ে বা পানিতে পড়া সেট ধরতে গিয়ে ফোন একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাহক নতুন ফোনের দাম দাবি করেন। একটা দামি সেটের দাম দিতে গেলে কয়েক মাসের মজুরির আয় চলে যায়। আগে থেকে লিখিতভাবে ঝুঁকির কথা না বললে এই দাবি ঠেকানো যায় না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: যন্ত্রাংশের পুরো সরবরাহ ঢাকার একটি মার্কেটের উপর নির্ভরশীল। জেলা শহরের দোকানকে কুরিয়ারে মাল আনতে হয়, তাই কেনা দর বেশি পড়ে আর জরুরি যন্ত্রাংশ পেতে দুই-তিন দিন চলে যায়। এই দুই-তিন দিনেই গ্রাহক সেট নিয়ে অন্য দোকানে চলে যান।
- মাঝারিচাহিদা: কম দামি ফোন সারানোর চেয়ে নতুন কেনা সস্তা হয়ে যাচ্ছে, তাই সস্তা সেটের মেরামত কমে আসছে। আবার দামি ফোনের কাজে দক্ষতা ও যন্ত্রপাতি দুটোই বেশি লাগে। যে দোকান শুধু ডিসপ্লে-ব্যাটারি বদলাতে পারে, তার কাজ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: যন্ত্রাংশের মজুদে টাকা আটকে যায়, আর মডেল পুরোনো হয়ে গেলে সেই ডিসপ্লে আর কেউ চায় না — টাকাটা তাকেই পড়ে থাকে। বেশি মডেলের যন্ত্রাংশ রাখতে গেলে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: চুরি যাওয়া বা ছিনতাই হওয়া ফোন সারাতে আসে। না জেনে সেট নিলে পুলিশের খাতায় দোকানের নাম উঠে যেতে পারে। সেট নেওয়ার সময় গ্রাহকের নাম, নম্বর আর সেটের আইএমইআই লিখে রাখা ছাড়া নিজেকে বাঁচানোর উপায় নেই।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
নিজের ফোন সারাতে না পেরে শুরু, এখন ঢাকায় পাঁচটি শাখা
ঢাকার শপিং সেন্টারগুলোতে পাঁচটি শাখা, কাজ করেন ৫০–৬০ জন টেকনিশিয়ান — বাঁধা বেতনে নয়, কমিশনে। দেশে ফোন মেরামতের বাজার ধরা হয় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো যোগাযোগ
একই রকম আরও ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাসেপটিক ট্যাংক ও ড্রেন পরিষ্কার
সেপটিক ট্যাংক খালি করা ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজ। ঢাকার এক প্রতিষ্ঠান শুরুর দর বলে প্রায় ৳৭,০০০। কিন্তু এই কাজে মানুষ মারা যায় — গ্যাসে, ট্যাংকের ভেতরে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৪৫ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপেস্ট কন্ট্রোল সেবা
বাসা, রেস্টুরেন্ট ও গুদামে পোকামাকড় ও ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের সেবা। বার্ষিক চুক্তিতে আয় নিশ্চিত হয়, আর লাইসেন্স ছাড়া এই কাজ করা আইনে নিষেধ।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘর ও অফিস পরিষ্কার সেবা
ফ্ল্যাট ও অফিস গভীরভাবে পরিষ্কার করার সেবা। ঢাকায় বাথরুম ৳১,২২৫–২,২৫০, পুরো বাড়ি ৳৫,১০০–৯,২০০, মেঝে ৳৩.৫–১০ প্রতি বর্গফুট।
- পুঁজি
- ৳৩০ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবামোটরসাইকেল সার্ভিসিং
মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও যন্ত্রাংশ বিক্রি। দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ৪৯ লাখ ৮০ হাজার, ২০২৫ সালের নতুন নিবন্ধনের ৮৬ শতাংশই মোটরসাইকেল।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৪৫ দিন
