মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ

ঘরে কয়েকটা মেশিন বসিয়ে সেলাই ও হস্তশিল্প শেখানো। টাকা কোর্সের শুরুতেই আসে, কিন্তু সরকার ছয় মাসের ট্রেড কোর্স করায় ৳৩০০–১,০০০ টাকায় — সেই দরের সঙ্গেই লড়তে হয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳১৫,০০০ – ৳২,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১৯ – ৪০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘরে বসে · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

নিজের ঘরে বা ভাড়া করা একটা কক্ষে কয়েকটা সেলাই মেশিন বসিয়ে অন্যকে সেলাই ও হস্তশিল্প শেখানো। যিনি ভালো সেলাই জানেন, তিনি দুইভাবে আয় করতে পারেন — জামা বানিয়ে, অথবা জামা বানানো শিখিয়ে। দ্বিতীয়টায় ঝুঁকি কম: কাপড় কেনা লাগে না, অর্ডার নষ্ট হওয়ার ভয় নেই, আর টাকা কোর্সের শুরুতেই আসে। কিন্তু এই ব্যবসায় নামার আগে একটা কঠিন হিসাব মিলিয়ে নিতে হবে — প্রতিযোগী সরকার নিজেই। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ছয় মাসের ট্রেড কোর্সের ফি অষ্টম শ্রেণি পাসে ভর্তি হওয়া ট্রেডে ৳৩০০, আর এইচএসসি পাসে ভর্তি হওয়া ট্রেডে ৳১,০০০ — ছয় মাস ধরে, ৬৩ জেলায়, প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ থেকে ৫০টি আসন, আর শেষে সরকারি বরাদ্দ সাপেক্ষে ভাতাও দেওয়া হয়। এর সঙ্গে আছে বিভিন্ন সংস্থার বিনা মূল্যের প্রশিক্ষণ, যেখানে শেষে একটা সেলাই মেশিনও উপহার দেওয়া হয়। তাই যিনি টাকা নিয়ে শেখাবেন, তাঁকে এমন কিছু দিতে হবে যা সরকারি কোর্সে নেই — মাপ নিয়ে কাটা, নকশা, ব্লাউজ-কামিজের ফিটিং, বা শেখানোর পর কাজ ধরিয়ে দেওয়া। মেশিনের দাম দিয়েই পুঁজির হিসাব শুরু। দারাজে ছোট হাতের মেশিন ৳২৪২ থেকে ৳২,৪৯০, আর একটা ব্রাদার অটো সেলাই মেশিন তালিকাভুক্ত ৳২৫,০০০ টাকায় (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। পাঁচটা মেশিন, একটা ঘর আর একটা কাটিং টেবিল — এটাই পুরো কারখানা।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳১৫,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩০০ – ৳১,০০০ / এককসরকারি সূত্র
পরিবর্তনশীল খরচ৳১০০ – ৳৪০০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৬০% – ৬৬.৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১৯ – ৪০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ২৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা২৪ – ৫০সরকারি সূত্র

শুরু করতে যা লাগবে

  • সেলাই মেশিন — দারাজে তালিকাভুক্ত দর: ব্রাদার অটো সেলাই মেশিন ৳২৫,০০০ (বিক্রেতা সবুজ ইলেকট্রনিক), ছোট বৈদ্যুতিক ও হাতে চালানো মেশিন ৳২৪২–২,৪৯০ (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। সঙ্গে কাটিং টেবিল, কাঁচি, ফিতা, চক, ইস্ত্রি ও পুতুল-ডামি।যন্ত্রপাতি
  • প্র্যাকটিসের কাপড়, সুতা, সুচ, বোতাম, চেইন ও কাগজের প্যাটার্ন। প্রশিক্ষণার্থী নিজের কাপড় আনলে এই খরচ প্রায় শূন্যে নেমে আসে — শুরুতে সেই নিয়মই রাখা নিরাপদ।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু, বছরে নবায়ন।লাইসেন্স
  • শুধু সেলাই জানলেই হয় না — মাপ নেওয়া, কাটা, ফিটিং আর এগুলো ধাপে ধাপে বোঝাতে পারা লাগে। যিনি নিজে ভালো সেলাই করেন কিন্তু শেখাতে পারেন না, তাঁর ব্যাচ দ্বিতীয়বার ভরে না।দক্ষতা
  • কাপড় ও সুতার পাইকারি দোকান, মেশিন সারাইয়ের মিস্ত্রি, আর স্থানীয় বুটিক বা দরজি যাঁরা প্রশিক্ষণার্থীদের কাজ দিতে পারেন।সরবরাহকারী
  • অন্তত ১৫০ বর্গফুটের একটা কক্ষ, ভালো আলো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ আর নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য আলাদা টয়লেট। নিজের বাড়ির একটা ঘর হলে ভাড়ার খরচ বেঁচে যায়, আর এই ব্যবসায় সেটাই সবচেয়ে বড় সাশ্রয়।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1নিজের এলাকায় খোঁজ নিন সরকারি বা কোনো সংস্থার বিনা মূল্যের সেলাই প্রশিক্ষণ চলছে কি না। চললে সেখানে টাকা নিয়ে শেখানো কঠিন — এটাই প্রথম দিনের সবচেয়ে জরুরি খোঁজ।
  2. 2ঠিক করুন আপনি কী শেখাবেন যা ওই ফ্রি কোর্সে নেই — মাপ নিয়ে কাটা, ব্লাউজ ও কামিজের ফিটিং, নকশা, হাতের কাজ, বা শেখার পর কাজ ধরিয়ে দেওয়া। এই পার্থক্যটাই আপনার দাম।
  3. 3ঘর ঠিক করুন — পাঁচটা মেশিন, একটা কাটিং টেবিল আর বসার জায়গা ধরে অন্তত ১৫০ বর্গফুট, ভালো আলো আর বিদ্যুৎ। নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য আলাদা টয়লেট আর নিরাপদ যাতায়াতের পথ থাকতে হবে।
  4. 4মেশিন কিনুন। নতুন কিনলে দারাজে তালিকাভুক্ত ব্রাদার অটো মেশিন ৳২৫,০০০, আর হাতে চালানো ছোট মেশিন ৳২৪২–২,৪৯০ (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। পুরোনো পা-চালিত মেশিনও কাজ চালিয়ে দেয়, তবে দর যাচাই করে নিন।
  5. 5সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী, ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু।
  6. 6কোর্সটা লিখে ফেলুন — কত সপ্তাহ, সপ্তাহে কয় দিন, কোন সপ্তাহে কী শেখানো হবে। লিখিত কোর্স না থাকলে প্রশিক্ষণার্থী মাঝপথে ছেড়ে দেয়, আর ছেড়ে দিলে টাকা ফেরত চায়।
  7. 7ফি কীভাবে নেবেন ঠিক করুন — পুরোটা আগে, না মাসে মাসে। আগে নিলে হাতে টাকা থাকে কিন্তু মাঝপথে কেউ ছাড়লে ঝগড়া হয়; মাসে নিলে বকেয়া পড়ে যায়।
  8. 8প্রথম ব্যাচ ছোট রাখুন — ৮ থেকে ১২ জন। সরকারি কেন্দ্রে এক ব্যাচে ২৪ জন বসে, কিন্তু নতুন প্রশিক্ষকের পক্ষে ২৪ জনকে হাতে ধরে শেখানো যায় না।
  9. 9কোর্স শেষে একটা সনদ দিন আর তৈরি জামাগুলোর ছবি তুলে রাখুন। পরের ব্যাচের প্রায় সব প্রশিক্ষণার্থী আগের ব্যাচের মুখে আসে।
  10. 10শেখানোর পাশাপাশি কাজ ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন — স্থানীয় বুটিক, দরজি বা পাইকারের কাছ থেকে অর্ডার এনে প্রশিক্ষণার্থীদের দিয়ে করানো। এতে কোর্সের দাম বাড়ে, আর এই একটা কারণেই মানুষ টাকা দিয়ে শিখতে আসে।
  11. 11প্রতি ব্যাচের আয়-ব্যয় খাতায় তুলুন। কত টাকা ফি এল, বিদ্যুৎ-ভাড়া-সুতায় কত গেল, আর কতজন কোর্স শেষ করল — এই তিনটা সংখ্যাই পরের ব্যাচের দাম ঠিক করে দেয়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীঢাকা · ঘরে বসে কাজ খুঁজছেন এমন নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, আর বুটিক ও দরজির দোকান থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের কাজ ধরিয়ে দেওয়ার সুযোগও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানা-শহর; শ্রমিক পরিবারের মেয়েরা কাজে ঢোকার আগে সেলাই শিখতে চান।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · পোশাক ও নিটওয়্যার কারখানার ঘনত্ব বেশি; সেলাই শিখে কারখানায় ঢোকার পথ সবচেয়ে সোজা এখানে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলা থেকে মানুষ শিখতে আসে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · খাদি ও হাতের কাজের ঐতিহ্য আছে, আর প্রশিক্ষণার্থীদের কাজ দেওয়ার মতো ছোট কারখানাও আছে।
  • সম্ভবযশোর · সীমান্ত-বাণিজ্যের শহর, কাপড়ের জোগান সহজ; নারীদের ঘরে বসে কাজের চর্চাও পুরোনো।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর, আশপাশের উপজেলা থেকে প্রশিক্ষণার্থী আসে; শহরে বুটিকের সংখ্যাও বাড়ছে।
  • সম্ভবরংপুর · কাজের সুযোগ কম বলে প্রশিক্ষণের চাহিদা বেশি, কিন্তু ফি দেওয়ার সামর্থ্য কম — ফি কম রাখতে হবে।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি; নকশা ও হাতের কাজের কোর্সে বেশি দাম নেওয়া যায়।
  • সম্ভবটাঙ্গাইল · তাঁত ও পোশাকের পুরোনো ঐতিহ্য আছে, আর নারী উদ্যোক্তার সংখ্যাও বেশি বলে ধরা হয়।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: সবচেয়ে বড় প্রতিযোগী সরকার আর বিভিন্ন সংস্থা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ছয় মাসের ট্রেড কোর্স করায় ৳৩০০ থেকে ৳১,০০০ টাকায়, ৬৩ জেলায়, আর শেষে ভাতাও দেয়। এর বাইরে বিভিন্ন সংস্থা বিনা মূল্যে সেলাই শিখিয়ে মেশিনও দিয়ে দেয়। এলাকায় এমন একটা কর্মসূচি চালু হলে টাকা নিয়ে শেখানোর ব্যাচ ওই মৌসুমে ভরবে না। কেঁচো সারের ক্ষেত্রে যেভাবে নতুন খামারিদের কাছে কেঁচো বেচেই আয় হতো, সেলাইয়ে সেটা পুরোপুরি খাটে না — কারণ এখানে নতুন লোককে শেখানোর জায়গাটা সরকার ও সংস্থাগুলো বিনা মূল্যে দখল করে রেখেছে।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: মেশিন, ঘর আর টেবিল — টাকাটা প্রায় পুরোটাই প্রথমেই বেরিয়ে যায়, আর ফেরত আসে ব্যাচ ধরে ধরে। পাঁচটা নতুন মেশিন কিনলেই এক লাখ টাকার উপরে চলে যায়, অথচ প্রথম ব্যাচে আট-দশজনের বেশি পাওয়া কঠিন। এই কারণেই বেশির ভাগ ঘরোয়া কেন্দ্র দুই-তিনটা মেশিন দিয়ে শুরু করে।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মাসে মাসে ফি নিলে বকেয়া পড়ে। প্রশিক্ষণার্থী মাঝপথে ছেড়ে দিলে বাকি মাসের টাকা আর আসে না, আবার পুরো টাকা আগে নিলে ছেড়ে দেওয়ার সময় ফেরত চায়। দুই দিকেই ক্ষতি, তাই শর্তটা প্রথম দিনেই লিখে রাখা দরকার।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: কেন্দ্রটা একজন মানুষের উপর দাঁড়ানো — প্রশিক্ষক অসুস্থ হলে বা বাড়ি বদলালে ব্যাচ থেমে যায়। দ্বিতীয় একজন শেখানোর মতো লোক তৈরি না করলে ব্যবসাটা কখনোই এক ঘরের বাইরে যায় না।
  • কমআইনি বাধ্যবাধকতা: ঘরে ছোট কেন্দ্র চালালে কেউ লাইসেন্স খোঁজে না, কিন্তু সাইনবোর্ড টাঙিয়ে ভাড়া ঘরে প্রতিষ্ঠান চালালে ট্রেড লাইসেন্স লাগে। সনদ দিলে সেই সনদের কোনো সরকারি স্বীকৃতি আছে কি না তা পরিষ্কার করে বলা দরকার — না বললে পরে অভিযোগ আসে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুরের একজন নারী বুটিক ও প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা

১০ টাকা পুঁজির দরজি থেকে ৫০ লাখের প্রতিষ্ঠান, কাজ করেন ২০০ জন

১০ টাকা পুঁজি নিয়ে দরজির কাজ শুরু; ১৯৯৮ সালে প্রশিক্ষণকেন্দ্র খুলে যুব উন্নয়ন থেকে ২৫ হাজার টাকার ঋণ নেন। এখন বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লাখ টাকা, কর্মী ২০০ জন, খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় লাখ টাকা।

পুঁজি
৳১০
কারণ
দক্ষতার ঘাটতি, চলতি মূলধন
যা কাজ করেছেবিডিনিউজ২৪ বাংলার প্রতিবেদনে বরিশালের একজন নারী উদ্যোক্তা

শূন্য পুঁজিতে ১৯৯২ সালে শুরু, এখন ২৫ লাখ টাকার ব্যবসা

১৯৯২ সালে কোনো পুঁজি ছাড়া, শুধু হাতের কাজের দক্ষতা নিয়ে শুরু। ২০১২ সালে ব্যাংকঋণ; এখন ব্যবসার পুঁজি ২৫ লাখ টাকা, স্থায়ী কর্মী ২১ জন।

কারণ
দক্ষতার ঘাটতি, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন

বিয়ে, গায়ে হলুদ ও বৌভাতের আয়োজন গুছিয়ে দেওয়ার কাজ। স্টেজ সাজানোর বাজেট ৳১৫,০০০ থেকে ৳৮০,০০০-এর উপরে, আর টাকা আসে ৫০% বুকিংয়ে আর বাকি ৫০% অনুষ্ঠানের দিন।

পুঁজি
৳১৬.৩ হাজার – ৳৫.১ লাখ
জনবল
১ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৫ – ২৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

বিউটি পার্লার

চুল, ত্বক ও সাজের সেবা। ঢাকায় বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০, পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০। বাসায় শুরু করলে পুঁজি কম, দোকান নিলে অনেক বেশি।

পুঁজি
৳২০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কোচিং সেন্টার

ঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।

পুঁজি
৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৮ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ঘরে বসে টেইলারিং

একটি মেশিন দিয়ে পাড়ার অর্ডার। ঈদের আগের দুই মাসে কাজ তিনগুণ হয়।

পুঁজি
৳২৫ হাজার – ৳৪০ হাজার
জনবল
১ জন
প্রথম আয়
১৪ – ২৮ দিন
বাজারদর