বিউটি পার্লার
চুল, ত্বক ও সাজের সেবা। ঢাকায় বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০, পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০। বাসায় শুরু করলে পুঁজি কম, দোকান নিলে অনেক বেশি।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বিউটি পার্লার — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳২০,০০০ – ৳৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১.৫ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
চুল কাটা, রং করা, ফেসিয়াল, থ্রেডিং, ওয়াক্সিং আর বিয়ে-অনুষ্ঠানের সাজ — এই কাজগুলো নিয়েই বিউটি পার্লার। বাংলাদেশে নারীদের ব্যবসার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা এটি নিয়েই, আর শুরু করার দুটি আলাদা পথ আছে। একটা হলো বাসার একটা ঘরে কাজ শুরু করা — ভাড়া নেই, সাইনবোর্ড নেই, খদ্দের আসে পরিচিতের মাধ্যমে। আরেকটা হলো বাজারে দোকান নেওয়া — ভাড়া, অগ্রিম, সাজসজ্জা, কর্মী আর ট্রেড লাইসেন্স। দুটোর পুঁজি আকাশ-পাতাল আলাদা, তাই সিদ্ধান্তটা প্রথমেই নিতে হয়। সেবার দাম এলাকা অনুযায়ী আলাদা। ঢাকায় শেবা ডটএক্সওয়াইজেড নামের সেবা প্ল্যাটফর্মে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০ থেকে, সাধারণ পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০ আর বিলাসী মেকওভার ৳৬,২২৫। পাড়ার পার্লারে এর চেয়ে অনেক কম, আবার নামী পার্লারে বিয়ের সাজ অনেক বেশি। শেখাটা বাধ্যতামূলক নয় কিন্তু ছাড়া উপায় নেই। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পে নারীদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আর প্রশিক্ষণকালে দিনে ৳১৫০ ভাতা মেলে; ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। এই ব্যবসার আসল কথা হলো, আয় সারা মাসে সমান আসে না — বিয়ের মৌসুম আর ঈদের কয়েকটা দিনেই বড় অঙ্কটা ওঠে, আর বাকি দিনগুলো চেয়ার খালি পড়ে থাকে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮,০০০ – ৳১,১০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৮২০ – ৳৬,২২৫ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২০০ – ৳১,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৭৬% – ৮৪% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১.৫ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ৮% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৬ – ৩০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- বড় আয়না ও চেয়ার, চুল ধোয়ার বেসিন, হেয়ার ড্রায়ার ও স্ট্রেইটনার, স্টিমার, প্রসাধনীর ট্রলি, তোয়ালে ও এপ্রোন, আর জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা। এসবের দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- প্রসাধনী, চুলের রং, ব্লিচ, ওয়াক্স, ফেসিয়ালের সামগ্রী — সবই আগে কিনতে হয় আর সবেরই মেয়াদ থাকে। মেয়াদ শেষ হলে টাকা পুরোটাই নষ্ট।শুরুর মাল
- ভ্যাট নিবন্ধন — বিউটি পার্লারের সেবায় ভ্যাট দিতে হয়। ২০ মার্চ ২০২২ তারিখে এনবিআর চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে পার্লারের ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব নাকচ করে বলেছেন, ভ্যাট ভোক্তা দেন আর ব্যবসায়ী তা সরকারকে জমা দেন। কত শতাংশ হারে, তা এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
- প্রশিক্ষণ — মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে নারীদের ছয় মাসের দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, প্রশিক্ষণকালে দৈনিক ভাতা ৳১৫০, ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। বেসরকারি পার্লারের একাডেমিতেও কোর্স হয়, তবে সেসবের ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।দক্ষতা
- প্রসাধনীর পাইকারি দোকান এবং ব্র্যান্ডের পরিবেশক। নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বাজারে অনেক, তাই উৎস বেছে নেওয়া জরুরি।সরবরাহকারী
- দুটি পথ: বাসার একটি ঘর (ভাড়া ও অগ্রিম নেই, কিন্তু নতুন খদ্দের কম) অথবা বাজারের দোকান (অগ্রিম, মাসিক ভাড়া, সাজসজ্জা)। সরকারি প্রকল্পে যন্ত্রপাতি দেওয়া হলেও ঘরের ব্যবস্থা উদ্যোক্তাকেই করতে হয়।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে শিখুন। প্রশিক্ষণ ছাড়া এই কাজ হয় না, আর খারাপ কাজের কথা পাড়ায় ছড়াতে এক দিনও লাগে না।
- 2সরকারি প্রশিক্ষণের খোঁজ নিন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আর প্রশিক্ষণকালে দিনে ৳১৫০ ভাতা মেলে; ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি।
- 3ঠিক করুন বাসায় শুরু করবেন না দোকান নেবেন। বাসায় শুরু করলে ভাড়া-অগ্রিম নেই, কিন্তু নতুন খদ্দের কম আসে; দোকানে খদ্দের আসে, কিন্তু প্রতি মাসে ভাড়া গুনতে হয়।
- 4দোকান নিলে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং সেবার ধরন হিসেবে বিউটি পার্লারের কথা লিখিয়ে নিন।
- 5প্রসাধনী কেনার পাইকারি জায়গা ঠিক করুন এবং মেয়াদের তারিখ দেখে কিনুন। মেয়াদোত্তীর্ণ জিনিস ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হয় আর নাম নষ্ট হয়।
- 6সেবার দাম লিখে দেয়ালে টাঙান। দাম নিয়ে দর-কষাকষি শুরু হলে কাজের সময় নষ্ট হয় আর পুরোনো খদ্দের বিরক্ত হন।
- 7খদ্দেরের নাম ও ফোন নম্বর খাতায় রাখুন। এই ব্যবসার আয় ফিরে আসা খদ্দেরের উপর, আর বিয়ের মৌসুমে তাঁদেরই আগে খবর দিতে হয়।
- 8বিয়ের সাজের জন্য আলাদা প্যাকেজ ও অগ্রিম বুকিংয়ের নিয়ম করুন। একই দিনে দুটো বিয়ে পড়লে কাকে নেবেন, সেটা আগে থেকে ঠিক না থাকলে দুটোই খারাপ হয়।
- 9মৌসুমের আয় থেকে খালি মাসগুলোর খরচ আলাদা করে রাখুন। বিয়ে ও ঈদের কয়েক দিনেই বড় অঙ্কটা আসে, আর বাকি দিন চেয়ার খালি থাকে।
- 10কর্মী নিলে কাজ শেখানোর পাশাপাশি ভাগাভাগির নিয়ম ঠিক করুন। শিখে নিয়ে পাশেই নতুন পার্লার খোলার ঘটনা এই ব্যবসায় খুব সাধারণ।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, খরচ করার মতো আয়ের পরিবার অনেক, আর বিয়ের অনুষ্ঠানে সাজসজ্জায় খরচের চল আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · ঘন বসতি, চাকরিজীবী নারী আর অনুষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি; আবার প্রতিযোগিতা আর অনলাইন প্ল্যাটফর্মের চাপও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি আর বিয়ের অনুষ্ঠান বড় করে হয়, তাই কনের সাজের কাজ বেশি মেলে।
- সম্ভবকুমিল্লা · জেলা শহর ও আশপাশের উপজেলায় বিয়ের মৌসুমে চাহিদা বাড়ে; প্রবাসী পরিবারও আছে।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার নারী শ্রমিকদের নিজস্ব আয় আছে; দাম কম রাখলে নিয়মিত খদ্দের পাওয়া যায়।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারই মূল খদ্দের।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি আর ঢাকার লাগোয়া; ঢাকার চেয়ে ভাড়া কম বলে শুরু করা সহজ।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খদ্দের, তবে খরচের অঙ্ক ছোট।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: আয় সারা মাসে সমান আসে না। বিয়ের তারিখ আর ঈদের আগের কয়েকটা দিনে এক দিনে যা আয় হয়, স্বাভাবিক সপ্তাহে তা হয় না। অথচ দোকানভাড়া, বিদ্যুৎ আর কর্মীর বেতন প্রতি মাসেই সমান। মৌসুমের টাকা আলাদা করে না রাখলে খালি মাসেই দোকান বন্ধ হয়। এই ওঠানামা ঠিক কত — কোনো সূত্রে তার সংখ্যা পাওয়া যায়নি, আর এটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় অজানা।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পার্লারটাই আসলে যিনি কাজ করেন তিনি। খদ্দের নির্দিষ্ট মানুষের হাতের কাজ চেনেন, দোকানের নাম নয়। কর্মী শিখে নিয়ে পাশের গলিতে নিজের পার্লার খুললে পুরোনো খদ্দেরের একটা বড় অংশ তাঁর সঙ্গেই চলে যায়, আর নতুন কর্মী তৈরি করতে আবার মাসের পর মাস লাগে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: প্রসাধনী, রং আর ওয়াক্স আগে কিনে রাখতে হয়, আর সবেরই মেয়াদ আছে। মৌসুমের আশায় বেশি কিনে রাখলে এবং সেই মৌসুম খারাপ গেলে মেয়াদ শেষে পুরো টাকাই নষ্ট হয়। ঠিক কত শতাংশ এভাবে নষ্ট হয়, তার কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি।
- মাঝারিঅন্যান্য: অনলাইন সেবার প্ল্যাটফর্ম এখন সরাসরি খদ্দেরের বাসায় কর্মী পাঠাচ্ছে — শেবা ডটএক্সওয়াইজেডে বাসায় গিয়ে ফেসিয়াল, পার্টি মেকওভার, এমনকি বিয়ের মেহেদিও বুক করা যায়। যে খদ্দের আগে পার্লারে আসতেন, তিনি এখন ঘরে বসেই সেবা পান। ছোট পার্লারের হাঁটা-পথের খদ্দের এভাবে কমে যেতে পারে।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: বাসায় চালানো পার্লারের বেশির ভাগেরই ট্রেড লাইসেন্স বা ভ্যাট নিবন্ধন নেই। ছোট থাকতে এটা কেউ দেখে না, কিন্তু সাইনবোর্ড উঠলে, বিজ্ঞাপন দিলে বা অনলাইনে পেজ খুললে বিষয়টা আলাদা হয়ে যায়। এনবিআর পার্লারের ভ্যাট কমাতে রাজি নয়, তাই ভবিষ্যতে নজরদারি বাড়ার কথা।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
পুঁজি ২০ হাজার, অথচ প্রশিক্ষণেই খরচ ৩০ হাজার
ভাইয়ের কাছ থেকে ধার করা ২০ হাজার টাকায় শুরু, তিন মাসের প্রশিক্ষণেই গেল ৩০ হাজার। ২০০৬ সালে পরিকল্পনা, ২০০৯ সালে নিবন্ধন ও বড় করা।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার
- কারণ
- দক্ষতার ঘাটতি, চলতি মূলধন
৬০ হাজার টাকার ঋণে পার্লার বড়, মাসে আয় ৪০ হাজারের বেশি
নিজের জমানো টাকায় শুরু, পরে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পার্লার বড় করা। এখন পাঁচজন নিয়মিত কর্মী, মাসে আয় ৪০ হাজার টাকার বেশি।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার
- কারণ
- চলতি মূলধন, ভালো যোগাযোগ
একই রকম আরও ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকোচিং সেন্টার
ঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন
বিয়ে, গায়ে হলুদ ও বৌভাতের আয়োজন গুছিয়ে দেওয়ার কাজ। স্টেজ সাজানোর বাজেট ৳১৫,০০০ থেকে ৳৮০,০০০-এর উপরে, আর টাকা আসে ৫০% বুকিংয়ে আর বাকি ৫০% অনুষ্ঠানের দিন।
- পুঁজি
- ৳১৬.৩ হাজার – ৳৫.১ লাখ
- জনবল
- ১ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৫ – ২৫ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘরে বসে টেইলারিং
একটি মেশিন দিয়ে পাড়ার অর্ডার। ঈদের আগের দুই মাসে কাজ তিনগুণ হয়।
- পুঁজি
- ৳২৫ হাজার – ৳৪০ হাজার
- জনবল
- ১ জন
- প্রথম আয়
- ১৪ – ২৮ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবালন্ড্রি ও ড্রাই ক্লিনিং
কাপড় ধুয়ে ইস্ত্রি করে ফেরত দেওয়ার দোকান। মফস্বলে কাপড়প্রতি ৳১০, দিনে ১০০ কাপড়ে আয় ৳১,০০০ — তবে লোডশেডিং হলেই তা ৳৩০০–৪০০-এ নেমে আসে।
- পুঁজি
- ৳২৫ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
