সাইনবোর্ড ও ব্যানার তৈরি
ডিজিটাল প্রিন্টারে পিভিসি ব্যানার, প্যানাফ্লেক্স ও স্টিকার ছাপা আর এলইডি সাইনবোর্ড বানানো। ঢাকার প্রকাশিত দরে পিভিসি ব্যানার বর্গফুট ৳১৮, প্যানাফ্লেক্স সাইন ৳৩৮০, এলইডি সাইন ৳১,৪৭০; আর আসল পুঁজি প্রিন্টার — ৳৩,৪০,০০০ থেকে ৳১২,৫০,০০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

সাইনবোর্ড ও ব্যানার তৈরি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৭২,০০০ – ৳১২,৫০,০০০ বাজারদর
- জনবল
- ১ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১০ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৬ – ২০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
একসময় সাইনবোর্ড মানে ছিল টিনের ওপর হাতে আঁকা অক্ষর। এখন এটা পুরোপুরি ছাপার ব্যবসা। দোকানের সামনে বড় একটা ইকো-সলভেন্ট বা সলভেন্ট প্রিন্টার, পাশে একটা কাটিং প্লটার আর কম্পিউটারে ডিজাইনের সফটওয়্যার — এই তিনটিই কারবারের মেরুদণ্ড। কাজ তিন স্তরের, আর তিনটির দাম ও লাভ একেবারে আলাদা। সবচেয়ে নিচে ব্যানার ও ফেস্টুন: ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত দরে পিভিসি ব্যানার প্রিন্ট বর্গফুট ৳১৮, ফেস্টুন ৳২৮, অথচ পিভিসি রোল কিনতে বর্গফুটে ৳৭.৯০। এখানে কাজ অনেক, লাভ পাতলা, আর নির্বাচন বা উৎসবের আগে এক রাতে শত শত বর্গফুট ছাপতে হয়। মাঝখানে স্টিকার ও প্যানাফ্লেক্স সাইন: স্টিকার কাটিং ৳৪৫, এইচপি ল্যাটেক্স প্রিন্ট ৳৭০, প্যানাফ্লেক্স সাইন ৳৩৮০ বর্গফুট। ওপরে এলইডি ও অ্যাক্রিলিক অক্ষরের সাইন: এলইডি সাইন ৳১,৪৭০, এলইডি নিয়ন ৳১,২৭০, আর আরেক প্রতিষ্ঠানের থ্রিডি অ্যাক্রিলিক অক্ষরের এলইডি বোর্ড ৳৮৭৫–১,৩৭৫ বর্গফুট, কমপক্ষে ২৫ বর্গফুট। ওই প্রতিষ্ঠান নিজেই তালিকা দর ৳১,২৭৫–১,৬৭৫ লিখে পাশে কম দরে বিক্রি করছে — বোঝা যায় ওপরের স্তরেও দর নিয়ে টানাটানি চলছে। পুঁজির হিসাব সহজ: একটি কাটিং প্লটার ৳৭২,০০০, একক হেডের ইকো-সলভেন্ট প্রিন্টার ৳৩,৪০,০০০, ১.৮ মিটারের ইকো-সলভেন্ট ৳৬,২০,০০০, আর ঘণ্টায় ১৪০ বর্গমিটার ছাপা বড় সলভেন্ট প্রিন্টার ৳১২,৫০,০০০। প্রিন্টার না কিনে শুধু প্লটার ও নকশা দিয়ে শুরু করে ছাপাটা বাইরে থেকে করিয়ে নেওয়াও একটা পথ।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৫০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৮ – ৳১,৪৭০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১২ – ৳৯০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩৩% – ৩৯% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১০ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ২০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১০০ – ৮০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- প্রকাশিত দর (Signboard BD, ২১-০৯-২০২৬): টেনেথ কাটিং প্লটার ৳৭২,০০০ (তালিকা ৳৭৫,০০০); লেটপ ইকো সলভেন্ট সিঙ্গেল হেড প্রিন্টার ৳৩,৪০,০০০; ওয়াই-মোড ইকো সলভেন্ট ১.৮ মি i3200 হেড ৳৬,২০,০০০; ওয়াই-মোড YMD-330S8 সলভেন্ট প্রিন্টার, চারটি KM512i হেড, ঘণ্টায় ১৪০ বর্গমিটার ৳১২,৫০,০০০; ৫-ইন-১ হিট প্রেস ৳১৭,৫০০। সঙ্গে ডিজাইনের কম্পিউটার।যন্ত্রপাতি
- রোল ও কাঁচামাল, বর্গফুট দরে (প্রকাশিত): ইকো প্যানাম্বো ৳৭.৫০, পিভিসি রোল ৳৭.৯০, ক্লিয়ার মিডিয়া ৳৮.৫০, সাদা ভিনাইল ৳৯.৯০, রঙিন ভিনাইল ৳১৩, প্যানাফ্লেক্স ৫১০ জিএসএম ৳১৯, রিফ্লেক্টিভ ভিনাইল ৳২০–২২, রিফ্লেক্টিভ পিভিসি ৳২৫, ল্যামিনেশন ৳৫.৫০। কালির দর যাচাই করা যায়নি।শুরুর মাল
- দোকানের সামনে বা রাস্তায় সাইনবোর্ড ও বিলবোর্ড লাগাতে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার বিজ্ঞাপন কর বা অনুমতি লাগে — এটি মূলত যিনি সাইন লাগাচ্ছেন তাঁর দায়। হার ও নিয়ম এখানে যাচাই করা যায়নি; স্থানীয় রাজস্ব শাখায় জেনে নিতে হবে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ইস্যু ৩–৫ কর্মদিবসে, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- ইলাস্ট্রেটর বা কোরেলড্রয়ে নকশা, বাংলা ও ইংরেজি ফন্টে সঠিক বানান, রঙ মেলানো, প্রিন্টারের হেড পরিষ্কার ও কালির লাইন সামলানো; এলইডি সাইনে মডিউলের তার ও পাওয়ার সাপ্লাই বোঝা।দক্ষতা
- রোল, কালি ও এলইডি মডিউলের নিয়মিত জোগানদার, আর প্রিন্টারের বিক্রয়োত্তর সেবা ও হেড পাওয়ার নিশ্চয়তা — হেড না মিললে প্রিন্টার বসে থাকে।সরবরাহকারী
- রাস্তার পাশে দোকান, প্রিন্টারের জন্য ধুলোমুক্ত ঠান্ডা ঘর, বড় বোর্ড রাখা ও ফ্রেম বানানোর জায়গা, স্থির বিদ্যুৎ সংযোগ। ভাড়া যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোন স্তরে ঢুকবেন — ব্যানার, স্টিকার-প্যানাফ্লেক্স, নাকি এলইডি। ব্যানারে বর্গফুটে মুনাফা ৳৬-এর মতো, এলইডিতে ৳৫০০-র বেশি; কিন্তু এলইডিতে কারিগরি দক্ষতা ও পুঁজি দুটোই বেশি লাগে।
- 2ডিজাইনের সফটওয়্যার শিখুন আগে — ইলাস্ট্রেটর বা কোরেলড্রয়ে নকশা, বাংলা ফন্ট ও মাপ ঠিক করা। দোকানে ক্রেতা আসেন নকশা দেখে, প্রিন্টার দেখে নয়।
- 3রাস্তার পাশে দোকান নিন যেখানে বড় বোর্ড রাখা ও শুকানোর জায়গা আছে, আর বিদ্যুতের লাইন স্থির। প্রিন্টারের জন্য ধুলো কম ও ঠান্ডা ঘর দরকার।
- 4প্রথমে কাটিং প্লটার কিনুন (যেমন ৳৭২,০০০)। স্টিকার কাটিং ও ভিনাইলের অক্ষর দিয়ে আয় শুরু করুন, আর বড় ছাপা আপাতত অন্য দোকান থেকে করিয়ে নিন।
- 5কাজ বাড়লে প্রিন্টার কিনুন — একক হেডের ইকো-সলভেন্ট ৳৩,৪০,০০০, ১.৮ মিটার ইকো-সলভেন্ট ৳৬,২০,০০০, বড় সলভেন্ট ৳১২,৫০,০০০। কিস্তি নিলে মাসিক কিস্তি আগে ধরে হিসাব করুন।
- 6রোলের জোগানদার ঠিক করুন — পিভিসি রোল বর্গফুট ৳৭.৯০, প্যানাফ্লেক্স ৫১০ জিএসএম ৳১৯, সাদা ভিনাইল ৳৯.৯০, রঙিন ভিনাইল ৳১৩। নির্বাচন ও উৎসবের আগে রোলের দাম ও সংকট দুটোই বাড়ে, তাই আগেই মজুত রাখুন।
- 7ট্রেড লাইসেন্স নিন (ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, ফি ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কর্মদিবসে)।
- 8দরতালিকা বানিয়ে দোকানে টাঙিয়ে দিন, বর্গফুট হিসাবে। ঢাকার প্রকাশিত দর — ব্যানার ৳১৮, স্টিকার কাটিং ৳৪৫, প্যানাফ্লেক্স সাইন ৳৩৮০, এলইডি সাইন ৳১,৪৭০ — একটা সূচনাবিন্দু, কিন্তু নিজের এলাকার দর আগে জেনে নিন।
- 9প্রতিটি কাজের নকশা, বানান ও মাপ গ্রাহককে দিয়ে লিখিতভাবে বা মেসেজে অনুমোদন করিয়ে তারপর ছাপুন। বানান ভুলের ব্যানার আবার ছাপার খরচ আপনারই।
- 10অর্ধেক অগ্রিম নিন, বিশেষত রাজনৈতিক ও বড় অনুষ্ঠানের কাজে। নির্বাচনের পর অনেক বিল আর আদায় হয় না।
- 11এলইডি সাইনের দিকে গেলে একজন ইলেকট্রিশিয়ান রাখুন — মডিউলের তার, পাওয়ার সাপ্লাই ও পানি ঢোকা ঠেকানো ভুল হলে বর্ষায় বোর্ড নিভে যায়, আর মেরামতের ডাক আপনাকেই আসে।
- 12প্রিন্টারের হেড পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নিয়ম মানুন; কয়েক দিন বন্ধ রাখলে কালি শুকিয়ে হেড নষ্ট হয়, আর হেড বদলানো এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় আকস্মিক খরচ।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর, শিল্প ও বাণিজ্যের কেন্দ্র; অফিস ও কারখানার নির্দেশক বোর্ড আর দোকানের সাইনের বড় বাজার।
- খুব উপযোগীঢাকা · দুটি দরসূত্রই ঢাকার; দোকান, অফিস, কোচিং ও ক্লিনিকের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, আর এলইডি ও অ্যাক্রিলিক সাইনের বড় কাজ এখানেই হয়। প্রতিযোগিতাও তেমনি সবচেয়ে কঠিন।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা ও নির্দেশক বোর্ড, আর দ্রুত বাড়তে থাকা বাজার-এলাকার দোকানের সাইন।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র; আশপাশের উপজেলা থেকে ব্যানার ও সাইনের অর্ডার আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের পাশের বাজার আর কলেজ-কোচিংয়ের ঘনত্ব; রাজনৈতিক ব্যানারের চাহিদাও বেশি।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোর সাইনবোর্ডের কাজ এখান থেকে যায়।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · শিল্প এলাকা ও ঢাকার কাছে বলে রোল ও কালির জোগান সহজ।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টারের ব্যানার-ফেস্টুন আর বিভাগীয় শহরের দোকানের সাইন।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী আয়ের শহরে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও দোকানের নতুন সাইনের চাহিদা বেশি, আর বড় কাজের জন্য ঢাকা থেকে দূরে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো দোকান একটি প্রিন্টারের ওপর দাঁড়িয়ে। হেড নষ্ট হলে বা কালির লাইন বন্ধ হলে সেদিনের সব কাজ অন্য দোকানে যায়, আর বিদেশি হেড আসতে দিন-সপ্তাহ লাগে। কয়েক দিন যন্ত্র বন্ধ রাখলেই কালি শুকিয়ে হেড নষ্ট হতে পারে।
- বেশিচাহিদা: দর নিয়ে টানাটানি ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত। ঢাকার একটি এলইডি সাইন প্রতিষ্ঠান নিজেই তালিকা দর ৳১,২৭৫–১,৬৭৫ লিখে বিক্রি করছে ৳৮৭৫–১,৩৭৫-এ — ৩০% পর্যন্ত ছাড়। নিচের দিকে ব্যানারে বর্গফুটে ৳৬-এর মতো থাকে, সেখানে পাশের দোকান ৳২ কমালেই কাজ চলে যায়।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: রাজনৈতিক কাজ ও বিজ্ঞাপনী সংস্থার বিল এক-দুই মাস ঝুলে থাকে, আর নির্বাচন শেষ হলে কিছু বিল আর ওঠেই না। নির্বাচনের মৌসুমে এক রাতেই কয়েক হাজার বর্গফুট ছাপা হয় বলে একটি অনাদায়ী বিলই কয়েক মাসের মুনাফা খেয়ে ফেলে।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: সিটি করপোরেশন মাঝে মাঝে অনুমতিহীন সাইনবোর্ড ও ব্যানার উচ্ছেদ অভিযান চালায়। লাগানো বোর্ড খুলে নিলে গ্রাহক প্রায়ই নির্মাতার কাছেই টাকা ফেরত বা নতুন বোর্ড চান, অথচ অনুমতি নেওয়ার দায় ছিল তাঁরই।
- মাঝারিচলতি মূলধন: প্রিন্টার কিস্তিতে নিলে মাসের কিস্তি কাজ থাকুক বা না থাকুক দিতেই হয়। জুলাই-আগস্টের বর্ষায় বাইরের কাজ কমে যায়, অথচ ওই দুই মাসের কিস্তি ও ভাড়া উৎসবের মৌসুমের আয় থেকে আগেই সরিয়ে রাখতে হয়।
সূত্র
যে হিসাবের সূত্র: requirements · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়, requirements · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
১৯৮৩ সালের আর্টের দোকান, ডিজিটাল প্রিন্টে হারিয়ে যাচ্ছে রং-তুলির কাজ
খুলনার কয়রায় ১৯৮৩ সালে গড়া হাতে লেখা সাইনবোর্ডের দোকানটি ৩৬ বছরের বেশি টিকে আছে, কিন্তু ডিজিটাল সেন্টার আসার পর রং-তুলিতে ব্যানার লেখার বাজার প্রায় শেষ।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো জায়গা
১৫ দিনের সম্মেলনের কাজে একেকটি প্রেসের ৫ লাখ টাকার অর্ডার
২৩ বছর পর হওয়া জেলা সম্মেলনকে ঘিরে পটুয়াখালীর ১৩টির বেশি ডিজিটাল প্রেসে টানা ১৫ দিন কাজ চলে; একেকটি প্রেস প্রায় ৫ লাখ টাকার অর্ডার পায়, জেলায় মোট কাজ প্রায় অর্ধকোটি টাকার।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো জায়গা
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপ্লাস্টিক ভাঙারি ও রিসাইক্লিং
ফেলনা প্লাস্টিক কিনে আলাদা করে কারখানায় বিক্রি। কেজিতে লাভ ৳২–২০, আর ঢাকায় ভাঙারির কেনা দর প্রতি কেজি ৳২২।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপতাঁত ও জামদানি
কাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১৮০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদর্জি ও ছোট গার্মেন্টস ইউনিট
প্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি
গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
