প্রতীকী ছবিআবুল কালামের ক্যাপসিকাম খেত
জামালগঞ্জের রামপুর গ্রামে পাঁচ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের আবুল কালাম নতুন কিছু করার প্রত্যয়ে পাঁচ বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। প্রতিবেদনের সময় তাঁর গাছে সবুজ ক্যাপসিকাম ধরেছিল; আবহাওয়া অনুকূল থাকায় প্রতিটি ফলের ওজনও ভালো হয়েছে, আর বাজারে চাহিদা থাকায় দামও ভালো পাচ্ছেন বলে তিনি জানান। তাঁর পদ্ধতিতে বীজ রোপণের এক মাস পর চারা তৈরি হয়, পলিথিন দিয়ে বেড বানিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা রোপণ করা হয়; ৩০–৩৫ দিনে ফুল আসে এবং আরও ২৫ দিনের মধ্যে ফল বিক্রির উপযুক্ত হয়, কয়েক মাস ধরে ফল পাওয়া যায়। তাঁর সফল চাষ দেখে অনেকেই ক্যাপসিকাম চাষে এগিয়ে আসছেন বলে তিনি জানান। আগামীতে কয়েক গুণ বাড়িয়ে চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাঁর মাঠ পরিদর্শন করেছেন।
পণ্য ও সেবা
ক্যাপসিকাম
পাঁচ বিঘা জমিতে চাষ; প্রতিবেদনের সময় সবুজ ক্যাপসিকাম ধরেছিল
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
