প্রতীকী ছবিআল-আমিনের কচুলতি খেত
ধনবাড়ীর মুশুদ্দিতে লতিরাজ কচুর লতি চাষ, সপ্তাহে ১৫-২০ হাজার টাকার লতি বিক্রি
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষক আল-আমিন বাণিজ্যিকভাবে কচুলতি চাষ করেন। তাঁর ভাষ্য, চারা রোপণের আড়াই মাসের মধ্যে লতি আসে এবং টানা সাত মাস বিক্রি করা যায়। এক বিঘায় রোপণ থেকে বিক্রি পর্যন্ত ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়; প্রতি সপ্তাহে তিনি স্থানীয় হাটে ১৫-২০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেন, কেজি ৪৫-৫০ টাকা দরে। তিনি জানান, এতে কীটনাশক লাগে না, গরু-ছাগল কচু খায় না এবং দেখাশোনার জন্য বাড়তি লোক লাগে না। ধনবাড়ী উপজেলায় ২০ হেক্টরে কচুলতি চাষ হয়, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়।
পণ্য ও সেবা
কচুর লতি
৳৪৫–৫০ / কেজি
স্থানীয় হাটে বিক্রি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
