প্রতীকী ছবিআশরাফ উদ্দিনের মাশরুম চাষ
২৫ বছরের প্রবাসজীবন শেষে বাড়ির আঙিনায় মাশরুম, যাচ্ছে ঢাকার সুপার শপেও
ভালুকা, ময়মনসিংহশুরু ২০২৫ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের বাটাজোর গিলাচালা গ্রামের আশরাফ উদ্দিন ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে প্রথমে ড্রাগন ও লেবু চাষ করেন, পরে প্রায় ৮০ শতাংশ জমিতে কলা চাষ শুরু করেন; বাড়ির আঙিনায় পাঁচটি গরুর একটি খামারও আছে। ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে এবং কৃষি বিভাগের ব্যবস্থায় সাভারের মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে মাশরুম চাষ করছেন। আঙিনার দুটি ঘরে প্রায় ৭০০ প্যাকেটে মাশরুম হচ্ছে; ১৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে তিন মাসে ৩০–৩৫ হাজার টাকার মাশরুম বিক্রি করেছেন। তাজা মাশরুম ২০০ টাকা ও শুকনো মাশরুম ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। নিজেই দোকান, ফুটপাত ও পাকোড়ার দোকানে বিক্রি করেন, ঢাকায় নিয়েও বিক্রি করেন; তাঁর মাশরুম রাজধানীর সুপার শপ ও স্থানীয় বাজারে মিলছে। অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া যমজ দুই ছেলে কাজে সাহায্য করে।
পণ্য ও সেবা
তাজা মাশরুম
৳২০০ / কেজি
শুকনো মাশরুম
৳১,২০০ / কেজি
কলা
প্রায় ৮০ শতাংশ জমিতে চাষ
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
