বৌদির আইসক্রিম
কাজুবাদাম, কিশমিশ, সন্দেশ আর দুধের সরে তৈরি পাঁজিয়ার ঘরোয়া আইসক্রিম
কেশবপুর, যশোর২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া গ্রামের বিশ্বনাথ পাল স্ত্রী কাকলি পালের রেসিপিতে বাড়িতে আইসক্রিম তৈরি করে পাঁজিয়া বাজারে বাড়ির সঙ্গের ছোট দোকানে বিক্রি করেন। ২০-২৫ বছর আগে পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দোকান দিয়ে তিনি কোম্পানির আইসক্রিম বিক্রি করতেন; প্রতিনিধিরা চাহিদামতো আইসক্রিম দিতে না চাওয়ায় জেদ করে নিজেই বানানো শুরু করেন। শুরুতে শুধু দুধ-চিনির আইসক্রিম তেমন চলেনি; পরে কাকলি পালের পরিকল্পনায় কাজুবাদাম, কিশমিশ, সন্দেশ ও দুধের সর যোগ করায় বিক্রি ব্যাপক বেড়ে যায় এবং এটি ‘বৌদির আইসক্রিম’ নামে পরিচিতি পায়। এখন দিনে এক মণ দুধ লাগে: আড়াই-তিন ঘণ্টা জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে চিনি, সন্দেশ, কাজুবাদাম, সর ও কিশমিশ মিশিয়ে আবার জ্বাল দেওয়া হয়, ঠান্ডা হলে ওয়ানটাইম কাপে ঢেলে রাতভর ফ্রিজে রাখা হয়। প্রতিদিন ৪০০-৫০০ কাপ বিক্রি হয়, কাপভেদে দাম ১০-২০ টাকা, দিনে লাভ দুই-তিন হাজার টাকা। কেশবপুর ছাড়াও আশপাশের উপজেলা থেকে মানুষ খেতে আসেন।
পণ্য ও সেবা
কাপ আইসক্রিম
৳১০–২০ / প্রতি কাপ
দুধ, চিনি, কাজুবাদাম, কিশমিশ, সন্দেশ ও দুধের সর দিয়ে তৈরি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
