প্রতীকী ছবিদিদার হোসেনের পাটের ব্যবসা
কিশোরগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাটের মোকাম কটিয়াদীতে ২৫ বছরের পাট ব্যবসা
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দিদার হোসেন ২৫ বছর ধরে পাটের ব্যবসা করছেন। কটিয়াদী মোকাম জেলার সবচেয়ে বড় পাটের মোকাম; ব্রিটিশ আমল থেকে চলা এই মোকামে ভৈরব, পাকুন্দিয়া, হোসেনপুর, বাজিতপুর, করিমগঞ্জ ও নরসিংদীর শিবপুরের পাট বাজারজাত হয়, ক্রেতা নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর মিলমালিকেরা। মৌসুমে পাট কিনে গুদামে মজুত রেখে শেষে বিক্রি করা এখানকার রীতি। ২০২৩ সালে দাম পড়ে যাওয়ায় দিদার হোসেনকে আগের বছরের মজুত পাট তিন হাজার টাকায় কেনা হলেও দুই হাজার টাকার কমে বিক্রি করতে হয় এবং লাখ টাকা পুঁজি হারান। সেই সময় মোকামে বট পাট ১ হাজার ৪০০-১ হাজার ৬০০ টাকা ও বগি পাট ১ হাজার ৮০০-২ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছিল।
পণ্য ও সেবা
পাট (বট ও বগি)
২০২৩ সালের মোকাম দর: বট ১৪০০-১৬০০, বগি ১৮০০-২২০০ টাকা মণ
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
