প্রতীকী ছবিশামীম মিয়ার খামার
একটি বাছুর থেকে রংপুর বিভাগের সেরা খামারি
বীরগঞ্জ, দিনাজপুর২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার দূরে বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের সাহাডুবি গ্রামে শামীম মিয়া ও শিরিন বেগম দম্পতির গরু মোটাতাজাকরণের খামার। ২০০৮ সালের মাঝামাঝি শামীম ঢাকায় রিকশা চালাতে যান; বছরখানেক পর গ্রামে ফিরলে বাবা তাঁকে একটি বাছুর দেন। পাঁচ মাস পর সেটি ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করে দুটি বাছুর কেনেন, এরপর থেকে খামার বড় হয়েছে। বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া ১১৫ ফুট লম্বা ও ১২ ফুট চওড়া টিনশেডের গোয়ালঘর; স্বামী-স্ত্রী দুজনেই খামারে কাজ করেন—শামীম গরু গোসল করান, শিরিন মেশিনে খড় কাটেন। ২০২৩ সালের কোরবানির আগে খামারে ৩০টি গরু ছিল, ঈদের বাজারে প্রতিদিন এক–দুটি বিক্রির পর ১৯টি ছিল, একেকটির দাম ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা। ২০২২ সালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে রংপুর বিভাগে সেরা খামারির পুরস্কার পান। খামারের আয়ে পাকা বাড়ি করেছেন, ৭৫ শতক জমি কিনেছেন এবং বাড়ির পাশে একটি হাস্কিং মিল বসিয়েছেন।
পণ্য ও সেবা
মোটাতাজা গরু
৳৮০,০০০–১,৫০,০০০ / প্রতিটি
কোরবানির হাটে বিক্রি (২০২৩)
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

পৃথ্বী এগ্রো
মহিষ পালন · গরু মোটাতাজাকরণ · নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ
চাকরি ছেড়ে মহিষের খামার গড়ে পাল্টে গেল মহসীনের জীবন
কাহারোল, দিনাজপুর২০১৬ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- পরামর্শ দেন
