প্রতীকী ছবিহাজেরা বেগমের ব্রকলি খেত
ফকিরহাটে জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা আগাম ব্রকলি
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ১৫ শতক খাসজমিতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্রকলি চাষ করেন। নিজের কোনো জমি নেই তাঁর; চার মেয়ে, এক ছেলে ও অসুস্থ দিনমজুর স্বামী নিয়ে সংসার। স্মলহোল্ডার অ্যাগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রকল্প (এসএসিপি) থেকে তিনি বীজ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক সহায়তা পান, আর এনজিও থেকে নেওয়া ৩০ হাজার টাকার ঋণে চাষ শুরু করেন। অক্টোবরের মাঝামাঝি রোপণ করা প্রায় সাড়ে তিন হাজার চারার ফলন ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বাজারে আসে; আগাম উৎপাদনের কারণে প্রতিটি ব্রকলি ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যেই প্রায় ৬৫ হাজার টাকা আয় করেছেন, মৌসুম শেষে মোট বিক্রি ১ লাখ ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা হবে বলে আশা করছেন। জৈব চাষের কারণে তাঁর ব্রকলির বাড়তি কদর আছে, ক্রেতারা খেতে এসেও কেনেন।
পণ্য ও সেবা
ব্রকলি
৳৪৫–৫০ / প্রতিটি
জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা আগাম ব্রকলি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
