প্রতীকী ছবিজনসন ম্রংয়ের আনারস বাগান
বুনো হাতির এলাকায় কাঁটাওয়ালা আনারসে বাজিমাত, গজনী অবকাশের পাশে বাগান
ঝিনাইগাতী, শেরপুরশুরু ২০২৩ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- পরামর্শ দেন
পরিচিতি
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার আদিবাসী কৃষক জনসন ম্রং (৫০) ১৯৯৩ সালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আনারস চাষের অভিজ্ঞতা নেন। ২০২৩ সালে শেরপুরে ফিরে সীমান্তঘেঁষা বাঁকাকুড়ায় ৫০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলক আনারস চাষ করেন; চারা, পরিচর্যা, সেচ, সার ও শ্রমিক মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে খরচ বাদে ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়। ২০২৪ সালে একই উপজেলার গজনী অবকাশের পাশে ১০০ শতক জমিতে আনারস লাগান এবং দেড় লাখ টাকার বেশি মুনাফার আশা করছেন। আকারে ছোট হলেও আনারস খুব মিষ্টি; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়ানোর পর দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এসে খেত থেকে আনারস কিনে নিয়ে যান। আগ্রহী কৃষকদের চারা ও পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন।
পণ্য ও সেবা
আনারস
খেত থেকে সরাসরি বিক্রি
আনারসের চারা
আগ্রহী কৃষকদের দেবেন বলে জানিয়েছেন
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
পরামর্শ দেন
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

পিটার সাংমার আনারস বাগান
লেবু ও আনারস চাষ
গারো পাহাড়ের ঢালে ৬ একরে মধুপুর জাতের আনারস, এক মৌসুমে ১৬ লাখ টাকায় বাগান বিক্রি
ঝিনাইগাতী, শেরপুর২০২২ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
