প্রতীকী ছবিখলিলুর রহমান ও ফাতেমা খাতুনের কমলাবাগান
হাতীবান্ধার শিক্ষক দম্পতির চায়না, নাগপুরি ও দার্জিলিং কমলার বাগান
হাতীবান্ধা, লালমনিরহাটশুরু ২০১১ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবী গ্রামের শিক্ষক দম্পতি খলিলুর রহমান ও ফাতেমা খাতুন মজুমদার সমতল জমিতে চায়না, নাগপুরি ও দার্জিলিং জাতের কমলা চাষ করে জেলাজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন। খলিলুর রহমান মিলন বাজার মোজাম্মেল হোসেন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ফাতেমা খাতুন পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। ১৯৯৫–৯৬ সালের দিকে তাঁরা বিভিন্ন গাছের নার্সারি শুরু করেন; ২০১১ সালে এক বিঘা জমিতে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা লাগান। ২০১৫ সালে ১৫২টি গাছে ব্যাপক ফল আসে এবং ২০১৬ সালে জাতীয় কৃষি পুরস্কার পান। পরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে বাড়ির আশপাশসহ প্রায় এক একর জমিতে কমলাবাগান করেন; ২০২৪ সালের শেষে প্রতিটি গাছে আশানুরূপ ফল এসেছে, এ পর্যন্ত লক্ষাধিক টাকার কমলা বিক্রি করেছেন। বাগান দেখতে প্রতিদিন মানুষের ভিড় হয়।
পণ্য ও সেবা
দার্জিলিং কমলা
চায়না কমলা
আকারে ছোট, মিষ্টি
নাগপুরি কমলা
গাছের চারা
১৯৯৫–৯৬ থেকে নার্সারি
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

মৃণাল চন্দ্র রায়ের ফলের বাগান
ড্রাগন ফল চাষ · মাল্টা ও কমলা চাষ
লালমনিরহাটে কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে সফল মৃণাল
লালমনিরহাট সদর, লালমনিরহাট
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- পরামর্শ দেন

জাহাঙ্গীর আলমের ফলের বাগান
মাল্টা ও কমলা চাষ
শূন্য থেকে শুরু করে ফলের বাগানে সফল লালমনিরহাটের জাহাঙ্গীর
লালমনিরহাট সদর, লালমনিরহাট
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- পরামর্শ দেন
