মাল্টা ও কমলা চাষ
সবুজ মাল্টা ও কমলার বাগান। ছয় বছরে দেশের উৎপাদন ১৭ হাজার টন থেকে ৮৪ হাজার টনে, আর ঢাকায় দেশি মাল্টার দাম নেমে ৳৮০–১২০ কেজি।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মাল্টা ও কমলা চাষ
- শুরুর পুঁজি
- ৳৯০,০০০ – ৳৩,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৩০ – ৪৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
সবুজ মাল্টা আর কমলার বাগান করে ফল বিক্রি। এই পাতাটা উৎসাহ দেওয়ার জন্য নয়, দাম পড়ে যাওয়ার আগে হিসাবটা দেখে নেওয়ার জন্য। সরকার বছরের পর বছর মাল্টা চাষ ছড়িয়েছে আমদানি কমাতে। ২০০৫ সালে পাহাড়ে সাইট্রাস প্রকল্প, তারপর ২০১৯ সালে ৩০ জেলার ১২৩টি উপজেলা — ফলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যেখানে ২,৪৩৩ হেক্টরে ১৭ হাজার টন মাল্টা হতো, ২০২৪-২৫ সালে তা প্রায় আট হাজার হেক্টরে ৮৪ হাজার টন ছাড়িয়েছে। ছয় বছরে জোগান পাঁচ গুণ। দাম সেই অনুপাতেই নেমেছে। কয়েক বছর আগে দেশি মাল্টা কেজি ১৫০ টাকার আশপাশে ছিল, সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ ঢাকায় তা বিক্রি হয়েছে ৳৮০–১২০ কেজিতে। আর বান্দরবানের চিম্বুকে চাষি প্রেন্তে ম্রো বলেছেন, মধ্যস্বত্বভোগীরা তাঁর কাছ থেকে নিয়ে যায় কেজি ৳৩০–৪০ টাকায়। বাগানে দাম ভালো পেলে লাভ আছে — খাগড়াছড়ির প্রতিবিন্দু দেওয়ান আড়াই একরে ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা খরচ করে ৬ লাখ টাকার মাল্টা বেচেছেন। কিন্তু সেটা তখনই, যখন ফল পাকার পর তোলা হয় আর বাগান থেকে সরাসরি বিক্রি করা যায়। কৃষি কর্মকর্তা মেথুইচিং মারমা বলেছেন, চাষিরা সেপ্টেম্বরের শুরুতেই অপরিপক্ব ফল পেড়ে ফেলেন, তাতে রং আসে না আর দামও কম পাওয়া যায়। গাছ লাগানোর আগে একটাই কাজ — আপনার উপজেলায় এরই মধ্যে কত জমিতে মাল্টা হচ্ছে, সেটা কৃষি অফিসে গিয়ে জেনে আসুন।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৭,০০০ – ৳১৮,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩০ – ৳১২০ / কেজি | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২০ – ৳৩০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ০% – ৬৪% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩০ – ৪৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৮০ – ৩০০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৮ – ২৭ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- সেচের ব্যবস্থা — পাহাড়ে পানি ধরে রাখার ট্যাংক, পাম্প ও পাইপ। শুকনো মৌসুমে পানি না দিলে ফল ছোট হয়।যন্ত্রপাতি
- চারা — বারি মাল্টা-১ বা ভিয়েতনামি জাত, সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার বা নার্সারি থেকে। চারার একক দাম যাচাই করা যায়নি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। বাগান থেকে সরাসরি বিক্রি করলে দরকার নাও হতে পারে, কিন্তু আড়ত বা দোকান খুললে লাগবেই।লাইসেন্স
- ফল কখন পাকল তা চিনতে পারা। অপরিপক্ব অবস্থায় পাড়লে রং আসে না, আর রং না এলে দাম অর্ধেক।দক্ষতা
- ফল নেওয়ার ক্রেতা — স্থানীয় আড়ত, বেপারী বা জেলা শহরের ফলের দোকান। একটিই ক্রেতা থাকলে দর তিনিই ঠিক করবেন।সরবরাহকারী
- উঁচু ও পানি না জমা জমি — পাহাড়ের ঢাল বা সমতলের উঁচু জমি। খাগড়াছড়ির একজন চাষি আড়াই একরে বাগান করেছেন, বান্দরবানে আরেকজনের ২৫০টি গাছ।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে উপজেলা কৃষি অফিসে যান। আপনার এলাকায় এরই মধ্যে কত জমিতে মাল্টা হচ্ছে আর গত মৌসুমে চাষিরা কেজি কত পেয়েছেন — এই দুটো না জেনে চারা কিনবেন না।
- 2উঁচু, পানি না জমা, রোদ পাওয়া জমি বেছে নিন। পাহাড়ের ঢাল বা সমতলের উঁচু জমি — দুটোতেই চলে, কিন্তু গোড়ায় পানি জমলে গাছ মরে।
- 3জাত ঠিক করুন। পাহাড়ে বারি মাল্টা-১ আর ভিয়েতনামি জাত চলছে; বারি মাল্টা-১ দেশের আবহাওয়ায় ভালো খাপ খেয়েছে। কোন জাত কিনছেন তা লিখে রাখুন।
- 4সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার বা পরিচিত নার্সারি থেকে চারা নিন। জাত না জেনে চারা কিনলে তিন বছর পর গিয়ে বোঝা যায়, আর তখন কিছু করার থাকে না।
- 5সেচের ব্যবস্থা করুন। পাহাড়ে পানির টান আছে, তাই বর্ষার পানি ট্যাংকে ধরে রাখার ব্যবস্থা লাগে।
- 6প্রথম দুই-তিন বছর কোনো আয় ধরবেন না। এই সময়ের সার, আগাছা আর মজুরির টাকা আলাদা করে হাতে রাখুন।
- 7মার্চ-এপ্রিলে গাছে ফুল আসে, ফল ওঠে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। পাহাড় ও উপকূলের ২৪ জেলায় ফল পাকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি, দিনাজপুরের দিকে নভেম্বরে।
- 8পাকার আগে ফল পাড়বেন না। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই অপরিপক্ব ফল পাড়লে রং আসে না আর দাম কম পাওয়া যায় — এটাই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কথা।
- 9শীত পড়ার আগেই বিক্রি শেষ করুন। শীত শুরু হলে দেশি মাল্টায় রস কমে যায়, আর রস কমলে ক্রেতা ফিরে যায়।
- 10মধ্যস্বত্বভোগীর হাতে পুরো বাগান ছেড়ে দেবেন না। চিম্বুকে যে চাষি বাগানে ৳৩০–৪০ কেজি পাচ্ছেন, একই ফল ঢাকায় ৳৮০–১২০-এ বিক্রি হচ্ছে। জেলা শহরের দোকান বা বাগানে আসা ক্রেতার কাছে সরাসরি বিক্রির পথ আগে বানিয়ে রাখুন।
- 11আকার ও রং অনুযায়ী আলাদা করে বিক্রি করুন। একসঙ্গে দিলে পুরো চালানই খারাপ ফলের দামে যায়।
মৌসুম
- জানুকম
- ফেব্রুকম
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবান্দরবান · দেশে মাল্টা উৎপাদনে শীর্ষে বান্দরবান; ১,১৯৭ একরে ৪,৬৮৬ টন। রোয়াংছড়ি ও চিম্বুকের ঢালে হাজারো চাষি। তবে পানির টান আছে আর মধ্যস্বত্বভোগীর দর কম।
- খুব উপযোগীখাগড়াছড়ি · জেলা হিসেবে দ্বিতীয়; ১,৫৬০ একরে ৫,৮৩৯ টন — পরিমাণে সবচেয়ে বেশি। এখানকার এক চাষি আড়াই একরে ২,১৫,০০০ খরচ করে ৬ লাখ টাকার ফল বেচেছেন।
- খুব উপযোগীরাজশাহী · কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যানতত্ত্ব শাখার হিসাবে জেলা হিসাবে উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থানে রাজশাহী — অর্থাৎ সমতলেও বড় আকারে হচ্ছে।
- খুব উপযোগীরাঙ্গামাটি · পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে তৃতীয়, ৬৬২ একরে ২,৫১৮ টন। রাঙামাটি অঞ্চল মিলিয়ে দেশের মোট উৎপাদনের ১৭.৭২ শতাংশ।
- সম্ভবভোলা · বরিশাল অঞ্চলের ছয় জেলায় ১,৬০৭ একরে ১০,৪৬০ টন — উৎপাদনে দেশে দ্বিতীয় অঞ্চল। উপকূলের জেলাগুলোতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ফল পাকে।
- সম্ভবকক্সবাজার · চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ২,০০৭ একরে ৫,১৬৪ টন — উৎপাদনে তৃতীয় অঞ্চল। পর্যটকের কাছে বাগান থেকে সরাসরি বিক্রির সুযোগ আছে।
- সম্ভবদিনাজপুর · এদিকে মাল্টা পাকে নভেম্বরে, অর্থাৎ পাহাড়ের ফল বাজার ছেড়ে যাওয়ার পর। দেরিতে ওঠা ফল কম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · টিলাভূমি ও নিষ্কাশন ভালো; সিলেট অঞ্চলে কমলার পুরোনো চাষ আছে, তবে জেলাভিত্তিক মাল্টার উৎপাদন এখানে যাচাই করা যায়নি।
- সম্ভবপটুয়াখালী · বরিশাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত; উপকূলের যে ২৪ জেলায় সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মাল্টা পাকে তার একটি।
- সম্ভবপিরোজপুর · বরিশাল অঞ্চলের ছয় জেলার একটি, যেখানে মিলিয়ে ১০,৪৬০ টন মাল্টা হয়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: জোগান বেড়ে দাম পড়ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ২,৪৩৩ হেক্টরে ১৭ হাজার টন মাল্টা হতো, ২০২৪-২৫ সালে প্রায় আট হাজার হেক্টরে ৮৪ হাজার টন। কয়েক বছর আগে দেশি মাল্টা কেজি ১৫০ টাকার আশপাশে ছিল, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় ৳৮০–১২০। আপনি যখন গাছ লাগাবেন, আপনার প্রতিবেশীও লাগাচ্ছে — তিন বছর পর ফল একসঙ্গে বাজারে আসবে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: বাগান থেকে ফল নিতে আসা মধ্যস্বত্বভোগীর উপর নির্ভরতা। চিম্বুকের চাষি প্রেন্তে ম্রো বলেছেন, মধ্যস্বত্বভোগীরা কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় মাল্টা কিনে নিয়ে যায়, ফলে লাভ কমেছে। একই ফল একই সময়ে ঢাকায় ৳৮০–১২০। রাস্তা খারাপ আর ফল পচনশীল বলে চাষির দর-কষাকষির জায়গা প্রায় থাকে না।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: ফল পেকে গেলে গাছে রাখা যায় না, আবার শীত পড়লে রস কমে যায়। ফল তোলার মাস দুয়েকের মধ্যেই বিক্রি শেষ করতে হয়; সংরক্ষণের ব্যবস্থা পাহাড়ে নেই বললেই চলে।
- মাঝারিচলতি মূলধন: টাকা যায় আগে, ফল আসে দুই-তিন বছর পর। এই পুরো সময় সার, আগাছা পরিষ্কার আর সেচের খরচ চালিয়ে যেতে হয়, অথচ কোনো আয় নেই। বান্দরবানে উপপরিচালক জানিয়েছেন, প্রকল্প না থাকায় এখন শুধু পরামর্শ দেওয়া ছাড়া আনুষঙ্গিক সহযোগিতা দেওয়া যাচ্ছে না — অর্থাৎ সরকারি উপকরণ সহায়তার ভরসা করবেন না।
- কমআইনি বাধ্যবাধকতা: আমদানি করা মাল্টায় মোট শুল্ককর ১২২ শতাংশ, আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকার মাল্টা আমদানি থেকে ১,৫৫৮ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। এই উঁচু করই এখন দেশি মাল্টার আড়াল। কর কমলে বা আমদানি সহজ হলে দেশি ফলের দাম আরও পড়বে — এটা চাষির হাতের বাইরের ঝুঁকি।
ভিডিও ও সাক্ষাৎকার
এই ব্যবসার গল্প
এক মৌসুমে মাল্টায় ১০–১২ লাখ, চারা বিক্রিতে আরও ১৫–২০ লাখ
চারঘাটে ২০১৯ সালে ৯ বিঘা লিজ নিয়ে শুরু, এখন ১৬ বিঘা। এক মৌসুমে মাল্টা থেকে নিট আয় ১০–১২ লাখ টাকা, বছরে চারা বিক্রি থেকে আরও ১৫–২০ লাখ; বাগানেই কেজি ২০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো মান
কোথায় কিনবেন
Rangamati Cold Storage Ltd.
রাঙ্গামাটি বিসিক শিল্পনগরীর হিমাগার; পাহাড়ি ফল ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কাজে লাগে।
Rangamati BSCIC Industrial Estate, Rangamati, রাঙ্গামাটি৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
বনায়ন
ফল, ঔষধি, মসলা ও শোভাবর্ধক গাছের চারা, বীজ, টব ও বাগানের সরঞ্জাম পাইকারি ও খুচরা পাওয়া যায়; উৎপাদন কেন্দ্র ময়মনসিংহ ও সাভারে।
Mirpur 12 Cantonment, Dhaka 1216 (production centres: Mymensingh and Savar), ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারটার্কি পালন
২০১৫–২০২০ সালের হুজুগে প্রায় ৫ হাজার খামার হয়েছিল, এখন কয়েক শ। বাচ্চার দাম ৬০০ থেকে ১৫০ টাকায় নেমেছে আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই পালন নিরুৎসাহিত করে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ দিন
কৃষি ও খামারপান বরজ
বাঁশ ও ছনের বরজে পান চাষ। বিঘাপ্রতি খরচ প্রায় ৳১ লাখ, আর রাজশাহীতে ৬৪ পাতার এক বিড়া ৳১০০–১২০ থেকে নেমে ৳৪ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১২০ – ১৮০ দিন
কৃষি ও খামারআগর চাষ
আগর গাছ লাগিয়ে কাঠে পেরেক মেরে আগর জমানো, তারপর সেই কাঠ থেকে আতর। কিন্তু প্রথম টাকা আসে ৮ থেকে ১৬ বছর পর, আর রপ্তানি করতে বন অধিদপ্তরের সাইটিস অনাপত্তি সনদ লাগে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ২,৫৫৫ – ৫,৮৪০ দিন
কৃষি ও খামারসমতলের চা চাষ
সমতল জমিতে চা লাগিয়ে কাঁচা পাতা তুলে কারখানায় নগদে বিক্রি। মার্চ ২০২৬-এ নির্ধারিত দর কেজি ৳২৮, বাজারে ৳৩৪–৩৫; তবে ওজন থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কাটা যায়।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন





