কুমার বৈরাগীর কুঁচিয়ার ব্যবসা
অভয়নগরের কচুয়া গ্রামে বাড়ির সংরক্ষণ হাউস থেকে জীবন্ত কুঁচিয়ার পাইকারি সরবরাহ
অভয়নগর, যশোরশুরু ২০১৯ সালে২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
পরিচিতি
যশোরের অভয়নগর উপজেলার কচুয়া গ্রামের কুমার বৈরাগী (৪৫) একসময় নিজে কুঁচিয়া শিকার করে হাটবাজারে বিক্রি করতেন। সাত বছর আগে ১০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি কুঁচিয়ার ব্যবসা শুরু করেন। বড় ছেলেকে নিয়ে আশপাশের অন্তত ৩০টি গ্রাম ঘুরে জীবন্ত কুঁচিয়া সংগ্রহ করে বাড়ির সংরক্ষণ হাউসে রাখেন, পরে খুলনার রূপসার আড়ত ও ঢাকার কাঁকড়া-কুঁচিয়ার আড়তে পাঠান; সেখান থেকে কুঁচিয়া চীন-তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। কেউ চাইলে কুঁচিয়া কেটে রান্নার উপযোগী করেও বিক্রি করেন। গত অর্থবছরে ১০০টি চালানে ১০ হাজার কেজি কুঁচিয়া পাইকারি বিক্রি করে খরচ বাদে তিন লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; গত পাঁচ বছরই লাভ হয়েছে। একটি বেসরকারি সংস্থা তাঁর বাড়ির আঙিনায় সংরক্ষণ হাউস, প্রক্রিয়াজাতকরণের উপকরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে। লাভের টাকায় তিনি জমি কিনে আধা পাকা বাড়ি তুলছেন।
পণ্য ও সেবা
জীবন্ত কুঁচিয়া
পাইকারি সরবরাহ
রান্নার উপযোগী কাটা কুঁচিয়া
চাহিদা অনুযায়ী
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
