প্রতীকী ছবিমজুমদার চা-বাগান
লালমাই পাহাড়ের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র চা-বাগান
সদর দক্ষিণ, কুমিল্লাশুরু ২০২১ সালে৯ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বড় ধর্মপুর এলাকায় লালমাই পাহাড়ের টিলা ও ঢালে গড়ে ওঠা চা-বাগান, স্বত্বাধিকারী মো. তারিকুল ইসলাম মজুমদার। ২০২১ সালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের এক চা-বাগান মালিক বন্ধুর পরামর্শে তিনি মৌলভীবাজার থেকে ৪৫ টাকা দরে ছয় হাজার বিটি-২ জাতের চারা এনে এক একর জায়গায় রোপণ করেন। বৃষ্টি কম হওয়ায় বাগানে নলকূপ বসিয়ে পানি দেওয়া হয়। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ১৫ দিন অন্তর পাতা তোলা হচ্ছে; প্রথম ধাপে ৫০০ কেজি এবং এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় হাজার কেজি চা-পাতা উৎপাদিত হয়েছে, যা প্রক্রিয়াজাত করে ‘গ্রিন টি’ তৈরির পরিকল্পনা। শ্রীমঙ্গলের বিলাসছড়া চা-বাগান থেকে আসা তত্ত্বাবধায়ক রাজু তাঁতী ও তাঁর স্ত্রী দিপালী তাঁতী আরও সাতজন শ্রমিক নিয়ে বাগানের পরিচর্যা করেন। ২০২৩ সালের মার্চে আরও পাঁচ হাজার চারা লাগানো হয়েছে, পাঁচ একরে সম্প্রসারণ ও জাপান থেকে চা-পাতা প্রস্তুতের মেশিন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বাগানে প্রতিদিন পর্যটক ও ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরতে আসেন। একই এলাকায় কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় তারিকুল কাজুবাদামও চাষ করছেন।
পণ্য ও সেবা
চা-পাতা
বিটি-২ জাতের গাছ থেকে তোলা; গ্রিন টি তৈরির জন্য সংরক্ষিত
কাজুবাদাম
কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় পাহাড়ের ঢালে চাষ
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
