প্রতীকী ছবিমানিক মিস্ত্রির নৌকা
আমিরাবাদের কাঠমিস্ত্রি, ৩৫ বছর ধরে বর্ষার আগে নৌকা বানিয়ে বিক্রি
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
পরিচিতি
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকারচর ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের কাঠমিস্ত্রি মানিক মিয়া বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখেছেন; তাঁর বাবা জয়নাল আবেদীন ও দাদা মাহমুদ আলীও কাঠমিস্ত্রি ছিলেন, দুই বড় ভাইও এ কাজে যুক্ত। নিয়মিত কাঠমিস্ত্রির কাজের পাশাপাশি প্রায় ৩৫ বছর ধরে প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত কড়ই ও চাম্বুল কাঠ দিয়ে নৌকা বানিয়ে বিক্রি করেন, এতে বছরে ৫০–৫৫ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়। মেঘনার চরাঞ্চলের মানুষ বর্ষায় ঘাস কাটা, মাছ ধরা, জমি দেখা ও যাতায়াতের জন্য নৌকা কেনেন; স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যে তাঁর নৌকার মান তুলনামূলক ভালো, আর তাঁর কারণেই গ্রামটি ‘নৌকার গ্রাম’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই আয়ে তিনি তিন মেয়েকে লেখাপড়া করাচ্ছেন।
পণ্য ও সেবা
১০ হাত নৌকা
৳৬,০০০–৭,০০০ / প্রতিটি
কড়ই ও চাম্বুল কাঠের
১১ হাত নৌকা
৳৮,০০০–৯,০০০ / প্রতিটি
১২ হাত নৌকা
প্রতিবেদনে দাম ‘১০ থেকে ১১ টাকা’ ছাপা, সম্ভবত হাজার টাকা
কাঠমিস্ত্রির কাজ
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
