প্রতীকী ছবিমঞ্জুরুল আহসানের স্কোয়াশ খেত
শার্শায় প্রথমবার বিষমুক্ত পদ্ধতিতে স্কোয়াশ চাষ
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মঞ্জুরুল আহসান সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন এবং কয়েক বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে আম, কুল, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ নানা সবজি ও ফল চাষ করছেন। ইউটিউব দেখে ও উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে তিনি নভেম্বরে ২৫ শতক জমিতে ‘ইস্পাহানি স্কেল সুপার’ ও ‘ছানি হাউজ’ জাতের স্কোয়াশ লাগান; বীজ থেকে চারা করে মালচিং পদ্ধতিতে রোপণ করেন, দেড় মাসে ফল আসে। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে শার্শার মাটিতে এই প্রথম স্কোয়াশ চাষ। খরচ ১৮ হাজার টাকা; এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রি করেছেন, দেড় লাখ টাকার বিক্রির আশা। প্রতিটি স্কোয়াশ দেড় থেকে আড়াই কেজি, বাজারে কেজি ৪০-৬০ টাকা; বড়গুলো সবজি, ছোটগুলো সালাদের জন্য চাহিদা আছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি রাজধানীসহ বড় শহরের ক্রেতারাও তাঁর কাছ থেকে কেনেন, আর অন্য চাষিরা চাষ পদ্ধতি জানতে খেত দেখতে আসেন।
পণ্য ও সেবা
স্কোয়াশ
৳৪০–৬০ / কেজি
ইস্পাহানি স্কেল সুপার ও ছানি হাউজ জাত; বাজারদর
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা
কাছের একই ধরনের উদ্যোগের সাথে তুলনা করুন
মনজুর আলমের ক্যাপসিকাম খেত
ক্যাপসিকাম ও উচ্চমূল্যের সবজি
পলিথিন ছাউনি ও নেটের শেডে বিষমুক্ত লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম
ঝিকরগাছা, যশোর
- পণ্য বিক্রি করেন
