প্রতীকী ছবিমনজুর আলমের ক্যাপসিকাম খেত
পলিথিন ছাউনি ও নেটের শেডে বিষমুক্ত লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পটুয়াপাড়া গ্রামের সামছদ্দীন মোড়লের ছেলে কৃষক মনজুর আলম দেড় বিঘা জমিতে বিষমুক্তভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করেন। দেশীয়ভাবে তৈরি শেডে (ওপরে পলিথিনের ছাউনি, চারপাশে নেট) নেদারল্যান্ডসের একটি হাইব্রিড জাতের ক্যাপসিকাম চাষ হয়, যার বীজ তিনি ভারত থেকে আনেন। নভেম্বরের শেষ দিকে সি-ট্রেতে বীজ ফেলেন, ২৬ দিনের চারা খেতে রোপণ করেন, গাছের বয়স ৫৫ দিন হলে ফলন শুরু হয়। খেতে লাল ও হলুদ দুই ধরনের ক্যাপসিকাম, একেকটির ওজন ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত। ১৫ দিন তুলে ইতিমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছেন; পাইকারি দর কেজি ২৫০ টাকা। দেড় লাখ টাকা খরচ বাদে এ বছর অন্তত ১৫ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন।
পণ্য ও সেবা
ক্যাপসিকাম
৳২৫০ / কেজি
লাল ও হলুদ, বিষমুক্ত; পাইকারি দর
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা
কাছের একই ধরনের উদ্যোগের সাথে তুলনা করুন
মঞ্জুরুল আহসানের স্কোয়াশ খেত
ক্যাপসিকাম ও উচ্চমূল্যের সবজি
শার্শায় প্রথমবার বিষমুক্ত পদ্ধতিতে স্কোয়াশ চাষ
শার্শা, যশোর
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
