প্রতীকী ছবিমায়া রাইড
উইমেন–ফার্স্ট রাইড সার্ভিস: নারী চালকের মোটরসাইকেলে নারী যাত্রী
ঢাকাশুরু ২০২৬ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- লোক নিচ্ছেন
পরিচিতি
মায়া রাইড ঢাকায় নারীদের জন্য একটি রাইড শেয়ারিং উদ্যোগ, যেখানে চালক ও যাত্রী দুজনই নারী; এখানে নারী চালকদের বলা হয় ‘মায়াবী’। ফাহাদ চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে ২০২৬ সালের এপ্রিলে উদ্যোগটি শুরু করেন; অপরিচিত পুরুষ চালকের পেছনে বসতে নারীদের অস্বস্তি দেখে ফেসবুকে পরীক্ষামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাত্রী ও চালক দুই পক্ষের সাড়া পান। এপ্রিলের মাঝামাঝি ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ চালু হয়; অ্যাপ এখনো তৈরি হচ্ছে, তাই ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ফোনে এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে বুকিং দিতে হয়। মোটরসাইকেল দিয়ে শুরু হলেও এখন প্রাইভেট কার, কার-শেয়ারিং এবং স্কুলগামী শিশুদের জন্য মাসিক প্যাকেজের ‘মায়া কিডস’ সেবাও আছে। মায়ার হিসাবে ৬০০টির বেশি রাইডের অনুরোধ এসেছে, ৪০০টির বেশি সম্পন্ন হয়েছে, দিনে গড়ে সাত-আটটি রাইড হয়; চালকসংকটে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অনুরোধ পূরণ করা যায় না। কার-শেয়ারিংয়ে চারটি গাড়িতে প্রায় ১৫ জন চাকরিজীবী নারী মাসিক চুক্তিতে যাতায়াত করেন। সেবা রাত নয়টা পর্যন্ত চলে।
পণ্য ও সেবা
মোটরসাইকেল রাইড
নারী চালকের মোটরসাইকেলে নারী যাত্রী; প্রতি রাইডে মায়া ১০ শতাংশ কমিশন নেয়
প্রাইভেট কার রাইড
প্রতি রাইডে মায়া ১৫ শতাংশ কমিশন নেয়
কার-শেয়ারিং
চাকরিজীবী নারীদের মাসিক চুক্তিতে যাতায়াত
মায়া কিডস
মাসিক প্যাকেজে শিশুকে বাসা থেকে স্কুলে পৌঁছানো ও ফিরিয়ে আনা; চাইলে পরিবারের একজন সঙ্গে যেতে পারেন
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
খোলার সময়
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
লোক নিচ্ছেন
নারী চালক (মায়াবী) নেওয়া হয়; জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেনসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র লাগে
