প্রতীকী ছবিমিরাজুল ইসলামের ড্রাগন বাগান
সৌদি থেকে ফিরে টগরা গ্রামে দেড় একরে গড়া উপজেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগান
জিয়ানগর, পিরোজপুরশুরু ২০২০ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার ইন্দুরকানি গ্রামের মিরাজুল ইসলাম (৩৩) ১০ বছর সৌদি আরবে শ্রমিকের কাজ করে আকামা জটিলতায় ২০১৯ সালে খালি হাতে দেশে ফেরেন। ইউটিউবে ড্রাগন চাষের ভিডিও দেখে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে উপজেলার টগরা গ্রামে দেড় একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান শুরু করেন; গাজীপুর থেকে ৬০ টাকা দরে ৬০০ চারা আনেন। বাগান করতে খরচ হয় ছয় থেকে সাত লাখ টাকা, যা ফল বিক্রি করেই উঠে গেছে। এখন বাগানে সাড়ে তিন হাজার ড্রাগনগাছ; মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বছরে ছয়-সাতবার ফল তোলা যায়। একবারে দেড় টন ফল তুলে ২৫০ টাকা কেজি দরে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাইকারদের কাছে বিক্রি করেছেন; বছরে খরচ বাদে আট থেকে নয় লাখ টাকা লাভের আশা। নিজেই রোগমুক্ত শাখা থেকে চারা তৈরি করে ৪০ টাকা দরে দেড় হাজার চারা বিক্রি করেছেন, তাঁর চারা নিয়ে অনেকে বাড়িতে ও ছাদে বাগান করেছেন। বাগানে চুইঝাল, এলাচ, চায়না লেবু ও মৌসুমি সবজিও চাষ করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার ভাষায়, উপজেলায় তাঁর বাগানটিই সবচেয়ে বড়।
পণ্য ও সেবা
ড্রাগন ফল
৳২৫০ / কেজি
ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাইকারদের কাছে বিক্রি
ড্রাগনের চারা
৳৪০ / প্রতিটি
রোগমুক্ত শাখা থেকে নিজে তৈরি
চুইঝাল
এলাচ
চায়না লেবু
মৌসুমি সবজি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

মাইনুদ্দীন সিকদার সুজনের নার্সারি
নার্সারি ও চারা উৎপাদন · ফুল চাষ ও ফুলের দোকান
অলংকারকাঠির নার্সারি গ্রামে ১৫-২০ ধরনের ফুল, ফল ও কাঠের চারার নার্সারি
নেছারাবাদ, পিরোজপুর
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়

ইয়ামিন নার্সারি
নার্সারি ও চারা উৎপাদন
সন্ধ্যা নদীতীরের অলংকারকাঠিতে ফুল ও ফলের চারার নার্সারি
নেছারাবাদ, পিরোজপুর
- পণ্য বিক্রি করেন
