প্রতীকী ছবিমহিদুল জামান কাজলের গরুর খামার
কোরবানির জন্য ষাঁড় মোটাতাজা করেন যশোর সদরের সীতারামপুরে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের সীতারামপুর উত্তরপাড়ার খামারি মহিদুল জামান কাজল কোরবানির ঈদের জন্য গরু প্রস্তুত করেন। ২০২৩ সালের কোরবানিতে তাঁর ৩৫ মণ ওজনের সাদা-কালো ছোপের ষাঁড় ‘ভাইজান’ যশোরে আলোচনায় ছিল; দাম চাওয়া হয়েছিল ১৮ লাখ টাকা, কিন্তু ৬ লাখের বেশি কেউ বলেননি, তাই বিক্রি করেননি। ভাইজানকে প্রতিদিন কাঁচা ঘাস, গমের ভুসি ও আটা, সয়াবিনের খৈল, ভুট্টা ভাঙা, রাইস পলিশ ও ধানের কুঁড়া খাওয়াতে দৈনিক ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা খরচ হয়। একই ঈদে খামারের আরও ছয়টি মাঝারি আকারের গরু দেড় থেকে দুই লাখ টাকায় সবই বিক্রি হয়েছে। আগামী কোরবানির জন্য তিনি নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্যও দামে মিললে গরু বিক্রি করবেন বলে জানান।
পণ্য ও সেবা
কোরবানির গরু (মাঝারি)
৳১,৫০,০০০–২,০০,০০০ / প্রতিটি
২০২৩ সালের বিক্রয়মূল্য
বড় ষাঁড়
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা
কাছের একই ধরনের উদ্যোগের সাথে তুলনা করুন
আবদুর রউফের গরুর খামার
গরু মোটাতাজাকরণ
তরুণ উদ্যোক্তার গরুর খামার: ২০ লাখ টাকা দিয়ে শুরু, ৩ বছরে পুঁজি দেড় কোটি
শার্শা, যশোর২০২৩ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
