প্রতীকী ছবিমনিরুল ইসলামের পেঁয়াজখেত
ছাত্রজীবনেই কবুরাটে ১০ বিঘায় হাইব্রিড পেঁয়াজ
কুমারখালী, কুষ্টিয়াশুরু ২০১৫ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কবুরাট এলাকার মনিরুল ইসলাম কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছাত্র এবং কৃষি উদ্যোক্তা। ২০১৫ সালে এসএসসি পাসের পর বাবার সঙ্গে চাষাবাদ শুরু করেন; ইউটিউব দেখে ও কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ২০১৫ সালে ১৬ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করে লাভ পান। ২০২৩ সালে পাঁচ বিঘা এবং ২০২৪ মৌসুমে ১০ বিঘা জমিতে হাইব্রিড পেঁয়াজ চাষ করেছেন, বিঘাপ্রতি ফলন ৮০ থেকে ১২০ মণ। বিঘায় খরচ ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা; দাম ভালো পেলে খরচ বাদে বিঘাপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ হাজার, মোট ৯ থেকে ১২ লাখ টাকা মুনাফার আশা তাঁর। এ ছাড়া তিন বিঘায় রসুন ও এক বিঘায় পেঁয়াজের বীজ আবাদ করেছেন; বাড়িতে চারটি গরু ও ১৭টি বিভিন্ন জাতের ছাগলের খামার আছে। পেঁয়াজ তোলার মৌসুমে মাঠে ২৫ জন শ্রমিক এবং বাড়িতে ২০–২৫ জন নারী পেঁয়াজ পরিষ্কারের কাজ করেন। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, তাঁদের এলাকায় প্রথম হাইব্রিড পেঁয়াজের আবাদ তাঁরই।
পণ্য ও সেবা
হাইব্রিড পেঁয়াজ
১০ বিঘায়, বিঘাপ্রতি ৮০–১২০ মণ ফলন
রসুন
তিন বিঘায় আবাদ
পেঁয়াজের বীজ
এক বিঘায় আবাদ
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
