প্রতীকী ছবিমতিউর রহমানের শিঙাড়ার দোকান
যার শিঙাড়ার টানে বকুলতলা মোড়ের নাম এখন ‘শিঙাড়ার মোড়’; দিনে ৮০০-১০০০টি বিক্রি
টাঙ্গাইল৪ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে টাঙ্গাইল শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দক্ষিণে বকুলতলা মোড়ে মতিউর রহমানের শিঙাড়ার দোকান। তাঁর বাবা সেখানে ছোট মনিহারি দোকান চালাতেন; ২৫ বছর আগে বাবার মৃত্যুর পর তিনি দোকানটি ধরেন, কয়েক বছর পর চা, শিঙাড়া, পুরি ও পেঁয়াজু বিক্রি শুরু করেন। শিঙাড়ার সুনাম ছড়িয়ে চাহিদা বাড়লে কয়েক বছর ধরে তিনি শুধু শিঙাড়াই বিক্রি করেন—প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজারটি, প্রতিটি ১০ টাকা। সকালে বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে আলু রান্না ও ময়দা মাখেন, দুপুরের পর দুই ছেলে নীরব হাসান ও রিফাদ হাসানকে নিয়ে দোকানে ভাজা শুরু করেন, চলে রাত ৮টা-৯টা পর্যন্ত। যাত্রীবাহী গাড়ি থামিয়ে মানুষ পাঁচ-দশটি করে কিনে নেন, শহর থেকেও লোক আসেন; এখন মোড়টি ‘শিঙাড়ার মোড়’ নামে পরিচিত। মতিউর জানান, দু-এক দিন পরপর ভাজার তেল পাল্টান এবং পরিবারের সবাই মিলে যত্ন করে শিঙাড়া বানান। দোকানের আয়েই চলে আট সদস্যের পরিবার।
পণ্য ও সেবা
শিঙাড়া
৳১০ / প্রতিটি
আলুর পুর, দোকানে গরম ভাজা
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
