অন্য ধরন: সবজি চাষ (মালচিং পদ্ধতি)
মুকুল হোসেনের করলাখেত
মালচিং পদ্ধতিতে বর্ষায়ও করলা — হায়াতপুরের ৪৫ শতকের খেত
তথ্য সংগৃহীতখামার
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার হায়াতপুর গ্রামের কৃষক মুকুল হোসেন ৪৫ শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে করলা চাষ করেছেন। ২০২৬ সালের মৌসুমে করলা বিক্রি করে খরচ বাদে ইতিমধ্যে ৮০ হাজার টাকা লাভ করেছেন, পুরো মৌসুমে লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছেন। তাঁর ভাষ্য, শ্রাবণে মাঠে পানি জমে সাধারণত সবজির গোড়া পচে যায়, কিন্তু পলিথিনে ঢাকা উঁচু বেডে পানি জমে না, আগাছা হয় না, পোকামাকড় কম থাকে; ফলে ওষুধ ও শ্রমিক খরচ কম লাগে আর ফলন বাড়ে। বেসরকারি সংস্থা নবলোক পরিষদ পিকেএসএফের অর্থায়নে যে ১০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ ও মালচিংয়ের উপকরণ দিয়েছে, তিনি তাঁদের একজন।
পণ্য ও সেবা
করলা
মালচিং পদ্ধতিতে চাষ
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
হায়াতপুর গ্রাম, রাজগঞ্জ, মনিরামপুর, যশোর, মণিরামপুর, যশোর
