প্রতীকী ছবিপ্রধানিয়া এগ্রো
চাঁদপুরের মাটিতে শতাধিক জাতের আঙুর, বছরে প্রায় ২০ লাখ টাকা বিক্রি
চাঁদপুর সদর, চাঁদপুরশুরু ২০২৪ সালে৬ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- শেখান
- পরামর্শ দেন
পরিচিতি
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাট কালিভাংতি এলাকায় বাবুরহাট-মতলব সড়কের পাশে কামরুজ্জামানের আঙুরবাগান প্রধানিয়া এগ্রো। ২০২৪ সালে ১৮ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেন; শুরুতে চারা কিনতে গিয়ে বারবার প্রতারিত হয়ে লোকসান গুনলেও দমে যাননি। এখন তাঁর তিনটি বাগান (১৮, ৬০ ও ২০ শতক), মোট প্রায় দেড় একর, সম্পূর্ণ বাণিজ্যিকভাবে চলছে। বাগানে শতাধিক জাতের আঙুরের চারা আছে, বছরে দুবার ফলন হয়। তাঁর ভাষ্যে বার্ষিক বিক্রি প্রায় ২০ লাখ টাকা, ব্যয় প্রায় ১০ লাখ টাকা; পাঁচজন নিয়মিত শ্রমিক কাজ করেন। অনলাইনে খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ নানা জেলা থেকে মানুষ বাগান দেখতে ও চারা কিনতে আসেন। নতুনদের তিনি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং চারা রোপণ থেকে ফলন পর্যন্ত পরামর্শ দিতে চান।
পণ্য ও সেবা
আঙুরের চারা
শতাধিক জাত
আঙুর
বছরে দুবার ফলন
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
শেখান
নতুন উদ্যোক্তাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও চারা রোপণ থেকে ফলন পর্যন্ত পরামর্শ দেন
পরামর্শ দেন
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

গ্রামবাংলা নার্সারি
নার্সারি ও চারা উৎপাদন
কলেজছাত্র ইমনের ১৪০ শতকের বাগানে ৪০ জাতের আম ও কলমের চারা
মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর২০২৪ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়

ইকরাম খানের আঙুর বাগান
নার্সারি ও চারা উৎপাদন
একটি চারা দিয়ে শুরু, ইকরামের বাগানে এখন ১৫০ জাতের আঙুর
মতলব উত্তর, চাঁদপুর২০২১ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
