প্রতীকী ছবিরত্না রানী পালের মৃৎশিল্প
বিজয়পুরের গাঙকুল গ্রামে বংশপরম্পরার কুমারের কাজ, দইয়ের হাঁড়ি তৈরি
সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা১ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার মৃৎশিল্পের জন্য বিখ্যাত বিজয়পুর অঞ্চলের গাঙকুল গ্রামের মৃৎশিল্পী রত্না রানী পাল (৪২) বংশপরম্পরায় কুমারের কাজ করেন; বাবা সুভাস পাল ও দাদা হীরক পালের কাছে কাজ শিখেছেন। স্বামী বিকাশ পাল ভ্যান চালান, সময় পেলে কাজে সাহায্য করেন। আগে ১০–১৫ ধরনের মাটির পণ্য বানিয়ে স্থানীয় বাজারে ও পাইকারদের কাছে বিক্রি করতেন, এখন শুধু দইয়ের পাতিল বানান। একাই দিনে ৩৫–৪০টি, মাসে প্রায় এক হাজার হাঁড়ি বানান এবং মাসে একবার বাড়ির উঠানে একসঙ্গে পোড়ান। মাটি, খড়, লাকড়ি, জ্বালানি ও মজুরি মিলিয়ে মাসে প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়; এক কেজি দইয়ের একটি হাঁড়ির পাইকারি দাম ৯ টাকা, মাসে প্রায় ৯ হাজার টাকা পান।
পণ্য ও সেবা
দইয়ের মাটির হাঁড়ি (১ কেজি)
৳৯ / প্রতিটি
পাইকারি দাম
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
