মৃৎশিল্প ও টেরাকোটা
মাটির হাঁড়ি-পাতিল, টব ও টেরাকোটার শোপিস তৈরি। বিজয়পুরের পণ্য বিদেশে যায়, কিন্তু গ্যাস না থাকায় লাকড়িতে পোড়াতে হয় আর মাল নষ্ট হয়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মৃৎশিল্প ও টেরাকোটা
- শুরুর পুঁজি
- ৳৪০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
কাদামাটি চাকায় ঘুরিয়ে হাঁড়ি-পাতিল, ফুলদানি, বাটি, মগ-জগ আর টেরাকোটার শোপিস বানানো। রোদে শুকিয়ে আগুনে পোড়ানোর পরই পণ্য বিক্রির উপযুক্ত হয়। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর এই শিল্পের সবচেয়ে পরিচিত নাম। কয়েক দশক আগেও সেখানকার সাতটি গ্রামের আট শতাধিক পাল পরিবার মাটির কাজ করতেন; এখন দেড় শতাধিক পরিবার টিকে আছেন, আর বিজয়পুর রুদ্রপাল মৃৎশিল্প সমবায় সমিতিতে আছে অন্তত ৫০টি পরিবার। সমিতিটি গড়া হয়েছিল ১৯৬১ সালের ২৭ এপ্রিল, আখতার হামিদ খানের হাত ধরে। বিজয়পুরের মাটির পণ্য জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাতে যায়। কিন্তু সমস্যা একটাই — গ্যাস। সমিতি গ্যাস সংযোগ পেয়েছিল ১৯৯১ সালে, ২০১৫ সাল থেকে চাপ কমতে থাকে আর ২০১৭ সালের দিকে প্রায় শূন্য হয়ে যায়। এখন লাকড়ি দিয়ে পোড়াতে হয়, আর তাতে কিছু পণ্য নষ্ট হয়ে যায়। আয়ের ছবিটাও স্পষ্ট। ৩৫ বছর ধরে কাজ করা মৃৎশিল্পী পরিমল পাল দৈনিক হাজিরা পান ৳৫০০, আর নকশা ও ফিনিশিংয়ের কাজ করা নারীরা মাসে পান ৳৬,০০০–৮,০০০। প্লাস্টিক আর অ্যালুমিনিয়ামের ভিড়ে হাঁড়ি-পাতিলের বাজার ছোট হয়ে এসেছে, তাই যাঁরা টিকছেন তাঁরা শোপিস, টব আর সাজসজ্জার পণ্যের দিকে গেছেন।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩৮,০০০ – ৳৬২,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৬০ – ৳৭৮৫ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২৫ – ৳৩০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৫৮% – ৬২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ১৫ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২০ – ১৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- চাকা (হাতে ঘোরানো বা মেশিন), পোড়ানোর চুলা বা ভাটি, মাটি ভেজানোর চৌবাচ্চা, নকশা ও ফিনিশিংয়ের সরঞ্জাম, আর মোড়কজাতের খড়-কাগজ। যন্ত্রপাতির দাম কোনো দলিলে পাওয়া যায়নি।যন্ত্রপাতি
- এঁটেল মাটি, পোড়ানোর জ্বালানি (গ্যাস, লাকড়ি বা বিদ্যুৎ) আর রং। বিজয়পুরে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্য হওয়ায় লাকড়িই ভরসা, আর তাতে খরচ ও নষ্টের হার দুটোই বেশি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০; ৩–৫ কার্যদিবস।লাইসেন্স
- চাকায় মাটি টানার দক্ষতা — হাতে ঘোরানো কাঠের চাকা হোক বা মেশিনের চাকা। বিজয়পুরের পরিমল পাল ৩৫ বছর ধরে হাতে ঘোরানো চাকায় কাজ করছেন। এই দক্ষতা কয়েক দিনে হয় না, আর সেই কারণেই দক্ষ কুমার পাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা।দক্ষতা
- মাটির জোগানদার, লাকড়ি বা গ্যাসের সরবরাহকারী, আর মোড়কজাতের সামগ্রী। সমবায় সমিতিতে যুক্ত হলে বাজার ও কাঁচামাল দুটোই সহজ হয় — বিজয়পুরে ১৯৬১ সাল থেকেই এই ব্যবস্থা চলছে।সরবরাহকারী
- চাকার ঘর, রোদে শুকানোর খোলা উঠান আর পোড়ানোর ভাটি — তিনটি আলাদা জায়গা। বর্ষায় শুকানোর জন্য ছাউনি দেওয়া জায়গাও দরকার।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কী বানাবেন — রান্নার হাঁড়ি-পাতিল, টব ও রিং স্ল্যাব, না শোপিস ও সাজসজ্জার পণ্য। প্লাস্টিক-অ্যালুমিনিয়ামের কারণে রান্নার পাত্রের বাজার ছোট হয়ে গেছে, দামও কম।
- 2মাটির উৎস ঠিক করুন। এঁটেল মাটি লাগে, আর সেটা কোথা থেকে আসবে ও কত পড়বে তা আগে জেনে নিন — মাটি কাটার আইনি সীমাও দেখে নিতে হবে।
- 3জায়গা নিন: চাকার ঘর, রোদে শুকানোর খোলা উঠান আর পোড়ানোর চুলা বা ভাটি — তিনটাই আলাদা লাগে।
- 4কুমার জোগাড় করুন বা নিজে শিখুন। হাতে ঘোরানো কাঠের চাকা আর মেশিনের চাকা — দুটোই চলে, কিন্তু দক্ষতাটা বছর ধরে তৈরি হয়।
- 5ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর বিসিক ও সমবায় সমিতির সদস্য হওয়ার সুযোগ আছে কি না খোঁজ নিন।
- 6পোড়ানোর ব্যবস্থা ঠিক করুন — গ্যাস, লাকড়ি না বৈদ্যুতিক। গ্যাস থাকলে নষ্ট কম হয়; লাকড়িতে পোড়ালে কিছু পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
- 7অল্প কয়েকটা নমুনা বানিয়ে পুড়িয়ে দেখুন কতটা নষ্ট হচ্ছে। এই হার না জেনে বড় চালান ধরবেন না।
- 8বিক্রির পথ খুলুন: স্থানীয় হাট, সাজসজ্জার দোকান, নার্সারি, রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়র আর অনলাইন পেজ। শোপিসের দাম হাঁড়ি-পাতিলের চেয়ে অনেক বেশি।
- 9মেলার মৌসুমের জন্য আগে থেকে মাল বানিয়ে রাখুন — পয়লা বৈশাখের আগের সময়টাই সবচেয়ে বড় বিক্রির সময়।
- 10ভাঙা কমানোর জন্য মোড়কজাত ও পরিবহনে আলাদা যত্ন নিন। খড়, কাগজ ও কার্টন ছাড়া দূরে পাঠালে বেশির ভাগই ভেঙে পৌঁছায়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীকুমিল্লা · বিজয়পুরের মৃৎশিল্প শত বছরের পুরোনো; সাত গ্রামে দেড় শতাধিক পরিবার, সমবায় সমিতি আছে আর পণ্য জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাতে যায়।
- খুব উপযোগীঢাকা · শোপিস, টব ও সাজসজ্জার পণ্যের সবচেয়ে বড় ক্রেতা; রেস্টুরেন্ট ও ইন্টেরিয়রের চাহিদাও এখানেই।
- সম্ভববরিশাল · বাকেরগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় শতবর্ষী পাল পরিবার আছে; তবে বাজার সংকুচিত।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · শহরের সাজসজ্জা ও রপ্তানির বাজার; বন্দরের কারণে বিদেশে পাঠানো সহজ।
- সম্ভবখুলনা · কারিগর আছেন আর শহরে সাজসজ্জার পণ্যের চাহিদা বাড়ছে।
- সম্ভবমুন্সীগঞ্জ · ঢাকার কাছে পুরোনো পালপাড়া আছে, আর শহরে মাল পাঠানো সহজ।
- সম্ভবনওগাঁ · গ্রামীণ পালপাড়া এখনো টিকে আছে, আর স্থানীয় হাটে চাহিদা আছে।
- সম্ভবনেত্রকোণা · পয়লা বৈশাখ ও মেলার মৌসুমে কুমারপাড়া ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
- সম্ভবরাজশাহী · মৃৎশিল্পের পুরোনো এলাকা; এঁটেল মাটি সহজলভ্য।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · কালিগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় পুরোনো মৃৎশিল্প; শিল্পটি সংকটে আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: জ্বালানিই এখন এই শিল্পের সবচেয়ে বড় সংকট। বিজয়পুর রুদ্রপাল মৃৎশিল্প সমবায় সমিতি ১৯৯১ সালে গ্যাস সংযোগ পেয়েছিল; ২০১৫ সাল থেকে চাপ কমতে থাকে আর ২০১৭ সালের দিকে প্রায় শূন্যে নামে। ফলে লাকড়ি দিয়ে পোড়াতে হচ্ছে আর তাতে কিছু কিছু পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলছেন, চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত উৎপাদন করা যাচ্ছে না। বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রাহক বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ নেই। প্রায় নয় বছর ধরে এই অবস্থা চলছে।
- বেশিচাহিদা: প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের কারণে মাটির হাঁড়ি-পাতিলের বাজার ছোট হয়ে গেছে। কয়েক দশক আগেও বিজয়পুর এলাকার সাত গ্রামের আট শতাধিক পাল পরিবার এই কাজ করতেন; এখন টিকে আছেন দেড় শতাধিক পরিবার। অনেকে পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। যাঁরা শুধু রান্নার পাত্র বানান, তাঁদের বাজার আরও কমছে; শোপিস ও সাজসজ্জার পণ্যেই এখনো দাম মেলে।
- বেশিনষ্ট হওয়া: মাটির পণ্য প্রতিটি ধাপে নষ্ট হয়। শুকানোর সময় ফেটে যায়, পোড়ানোর সময় ভাঙে, আর মোড়কজাত ও পরিবহনে ভেঙে যায়। লাকড়িতে পোড়ালে নষ্টের হার আরও বাড়ে। কত শতাংশ নষ্ট হয় তার কোনো হিসাব প্রকাশিত নেই, তাই এই পাতায় সেই সংখ্যা দেওয়া হয়নি — কিন্তু ঝুঁকিটি বাস্তব আর এটাই লাভ-লোকসানের বড় নির্ধারক।
- মাঝারিঅন্যান্য: দক্ষ কুমার পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে। পরিবারগুলো পেশা ছাড়ছে, আর নতুন প্রজন্ম এই কাজে আসছে না — দৈনিক ৳৫০০ হাজিরায় তরুণদের ধরে রাখা যাচ্ছে না। বিজয়পুরের মৃৎশিল্প এখনো ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি পায়নি, যদিও কুমিল্লার রসমালাই ও খাদি পেয়েছে। স্বীকৃতি না থাকায় ব্র্যান্ড হিসেবে দাম বাড়ানোর সুযোগও সীমিত।
ভিডিও ও সাক্ষাৎকার
৩:৪১
৩৪:৩০খোকন কারিগরের টেরাকোটা ও মৃৎশিল্প কারখানায় একদিন #Agroaid
এগ্রোএইড বাংলাদেশ | Agroaid Bangladesh
২:১৬
৭:৫৩
৩:৫৬এই ব্যবসার গল্প
মাসে ১৫–১৬ হাজার টাকা খরচে লাভ ৮ হাজার, টিকে আছে ১৫ পরিবার
বাগেরহাটের তালেশ্বর কুমারপাড়ায় একসময় ২০০-এর বেশি পরিবার মৃৎশিল্পে ছিল, এখন আছে প্রায় ১৫টি। একজন কুমারের মাসিক খরচ ১৫,০০০–১৬,০০০ টাকা, আর লাভ থাকে প্রায় ৮,০০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, চলতি মূলধন
কোথায় কিনবেন
বাংলাক্রাফট
হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সমিতি — নমুনা প্রদর্শনী, ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ ও রপ্তানির কাগজপত্রে সহায়তা দেয়।
Fare Diya Complex (3rd Floor), 11/8/E, Free School Street, Panthapath, Dhaka-1205, ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
বাংলাক্রাফট
হস্তশিল্পের উৎপাদক, সরবরাহকারী ও রপ্তানিকারকদের সমিতি; কাঁচামাল ও ক্রেতা খুঁজতে সদস্যদের তালিকা কাজে লাগে।
Fare Diya Complex (3rd Floor), 11/8/E, Free School Street, Panthapath, Dhaka-1205, ঢাকা৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদড়ি ও সুতলি তৈরি
পাটের আঁশ পাকিয়ে দড়ি-সুতলি বানানো। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ কাঁচা পাট কেজিপ্রতি প্রায় ৳৮৬–৯৯, আর তৈরি সুতলি অনলাইনে ৳৩৯০ কেজি — এই ব্যবধানই ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৪০ হাজার – ৳৬ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপটাইলস ও মার্বেল ফিটিং
মেঝে, দেয়াল ও বাথরুমে টাইলস-মার্বেল বসানোর কাজ। টাইলস প্রতিটি ৳৫৫–১৭০, আর টাইলস মিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳১১০৫ — সাইটের সবচেয়ে বেশি।
- পুঁজি
- ৳৩০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাজমিস্ত্রি ও ঠিকাদারি
গাঁথুনি, ঢালাই ও ফিনিশিংয়ের শ্রম চুক্তি। ঢাকায় প্লিন্থের প্রতি বর্গফুটে নির্মাণ খরচ ৳১৮০০–৩০০০, আর রাজমিস্ত্রির সরকারি ন্যূনতম হাজিরা শহরে ৳৯৪০।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপব্যাটারি রিকন্ডিশনিং — পুরোনো ব্যাটারি সারানো
দুর্বল হয়ে পড়া সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারিতে পানি-অ্যাসিড ঠিক করে, ধীরে চার্জ দিয়ে আবার চালু করা। ব্যাটারি ভেঙে সীসা গলানো সম্পূর্ণ আলাদা কাজ — সেটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া করলে অপরাধ, আর দেশে প্রায় ১,১০০ কারখানার মধ্যে মাত্র ৭টির ছাড়পত্র আছে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
