রেহেনা বেগমের শিঙাড়া-আলুচপের দোকান
চিত্রা নদীর পাড়ে ধলগ্রাম স্লুইসগেটে ১০ বছর ধরে ৫ টাকার শিঙাড়া
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ধলগ্রাম স্লুইসগেট এলাকায় চিত্রা নদীর পাড়ে টিনের ছাপরার নিচে প্রায় ১০ বছর ধরে শিঙাড়া-আলুচপের দোকান চালান রেহেনা বেগম। আগে সরকারি কর্মসৃজন কর্মসূচি ও দিনমজুরির কাজ করতেন; নিয়মিত কাজ না পাওয়ায় দোকানটি দেন। প্রতিদিন সকাল আটটায় দোকান খোলেন, স্বামী ভ্যানচালক মুরাদ হোসেন ফকির উপকরণ প্রস্তুতে সাহায্য করে কাজে চলে যান; রাত আটটা পর্যন্ত বিক্রি চলে। সাধারণ দিনে ১৫০টি শিঙাড়া, আড়াই কেজি আটার পেঁয়াজু, এক কেজি ছোলা, এক কেজি আলুচপ, বেগুনি ও পাঁপড় ভাজেন; শনি ও বুধবারের ধলগ্রাম হাটের দিনে শিঙাড়া হয় ৪০০টি। মাটির চুলায় কাঠের আগুনে ভাজা হয়, ক্রেতারা বেঞ্চে বসে খান। খরচ বাদে হাটের দিনে ৩০০–৩৫০ টাকা এবং অন্য দিনে ২০০–২৫০ টাকা আয় হয়; দোকানের ভাড়া মাসে ৩০০ টাকা।
পণ্য ও সেবা
শিঙাড়া
৳৫ / প্রতিটি
আলুচপ
৳৫ / প্রতিটি
পেঁয়াজু
৳৫ / প্রতিটি
বেগুনি
৳৫ / প্রতিটি
ছোলা
৳১০ / প্লেট
পাঁপড়
৳৪ / প্রতিটি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
