প্রতীকী ছবিরেজাউল ইসলামের গাড়লের খামার
৪৫টি বাচ্চা দিয়ে শুরু, এখন ২৩০টি গাড়লের খামার
দিনাজপুর সদর, দিনাজপুরশুরু ২০১৮ সালে২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
দিনাজপুর সদর উপজেলার উলিপুর গ্রামের খামারি মো. রেজাউল ইসলাম (৩৫) ২০১৮ সালের শেষ দিকে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি বিভাগের এক শিক্ষকের পরামর্শে মাত্র ৫০ হাজার টাকা মূলধনে ৪৫টি গাড়লের বাচ্চা কিনে খামার শুরু করেন; দুই বছর পর লাভ দেখতে শুরু করেন। এখন খামারে ২৩০টি গাড়ল; বাড়ির পাশের টিকলির সরকারি চারণভূমি থেকেই খাবারের চাহিদা মেটে, বাড়তি খাবার লাগে না। গাড়ল মাচার ওপর রাখা হয়, বছরে দুবার ২–৩টি করে বাচ্চা দেয়। ২০২৬ সালের কোরবানির জন্য ৪০টি গাড়ল প্রস্তুত করেছেন, প্রতিটিতে প্রায় ৫০ কেজি মাংস হবে; প্রতিটি ৪০–৫০ হাজার টাকায় বিক্রির আশা করছেন, পাইকারেরা খামারে এসে দেখে গেছেন। এখন বছরে ৮–১০ লাখ টাকা আয় হয়; দুই বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। ভবিষ্যতে দুম্বা পালনের পরিকল্পনা আছে।
পণ্য ও সেবা
কোরবানির গাড়ল
৳৪০,০০০–৫০,০০০ / প্রতিটি
প্রায় ৫০ কেজি মাংস হয় এমন; ২০২৬ সালে প্রত্যাশিত দাম
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
