সঞ্জুস হর্স ফার্ম
শখ থেকে বাণিজ্যিক ঘোড়ার খামার, এখন ২৪টি ঘোড়া — মাড়োয়ারি, সিন্ধি, নুকরাসহ নানা জাত
ময়মনসিংহশুরু ২০১৪ সালে২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
সঞ্জুস হর্স ফার্ম গড়ে তুলেছেন শরীফুল ইসলাম, যিনি সবার কাছে সঞ্জু নামে পরিচিত। ছোটবেলা থেকেই ঘোড়দৌড়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর; ২০০৬ সালে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হওয়ার পর মায়ের জমানো টাকায় ‘দুলদুল’ নামের একটি দেশি ঘোড়া দিয়ে শুরু, ঘোড়দৌড়ে অংশ নিয়ে পুরস্কারও জেতেন। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ শেষ করে গ্রামে ফিরে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদে চাকরির পাশাপাশি ২০১৪ সালে নিজের বাড়িতে ঘোড়ার খামার গড়ে তোলেন। ভারতের রাজস্থান, বিহার ও পাঞ্জাব থেকে ঘোড়ার বাচ্চা এনে শুরু করা শখের খামারটি প্রতিবেদনের তিন বছর আগে বাণিজ্যিক খামারে রূপ নেয়। এখন খামারে মাড়োয়ারি, সিন্ধি, নুকরাসহ বিভিন্ন জাতের ২৪টি ঘোড়া আছে; সবচেয়ে আকর্ষণীয় ধবধবে সাদা আরব্য জাতের ‘নুকরা’। দেখাশোনার জন্য দুজন শ্রমিক রয়েছেন। ঘোড়দৌড়ে অংশ নেওয়া মানুষ, বিত্তবান ও শৌখিন ক্রেতারা ঘোড়া কেনেন; বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার একাডেমির কাছেও ঘোড়া বিক্রি করেছেন। বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠানে ঘোড়া ভাড়া দেন, দূরদূরান্ত থেকে লোকজন খামার দেখতে আসেন। আমদানিনির্ভরতা কমাতে তিনি ব্রিডিংয়ের চেষ্টা করছেন।
পণ্য ও সেবা
ঘোড়া (মাড়োয়ারি, সিন্ধি, নুকরাসহ বিভিন্ন জাত)
ঘোড়দৌড়ের প্রতিযোগী, শৌখিন ক্রেতা ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি
অনুষ্ঠানে ঘোড়া ভাড়া
বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
