প্রতীকী ছবিশক্তিপদ–মল্লিকা দম্পতির বস্তার আদাবাগান
বাড়ির চারপাশের ফলবাগানে গাছের ফাঁকে ১০ হাজার বস্তায় আদা — কাজলা নদীর তীরে বামনহাটে
নড়াইল সদর, নড়াইল২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
নড়াইল সদর উপজেলার বামনহাটে কাজলা নদীর তীরে শক্তিপদ রায় ও তাঁর স্ত্রী মল্লিকা রানীর বাড়ির চারপাশে এক একর জমি, যেখানে আম, লিচু, আমড়াসহ নানা ফলের গাছ আছে; গাছের ফাঁকে তাঁরা সারা বছর বিভিন্ন ফসল ফলান। বড় ভাই মুক্তদেশ রায়ের কাছ থেকে বস্তায় আদা চাষের পদ্ধতি জেনে তাঁর পরামর্শে এই দম্পতি প্রথমবারের মতো ১০ হাজার বস্তায় আদা চাষ করেছেন — বড় গাছের ফাঁকে সারি করে আর ফাঁকা জায়গায় বস্তা পেতে, ছায়ার জন্য ধঞ্চে লাগিয়ে। প্রতিটি বস্তায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা, সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা খরচ হয়েছে; প্রতিটি গাছে দেড় কেজির মতো আদা আশা করছেন এবং ১০ মাসে ১৫ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন। চাষে কৃষি বিভাগ সহায়তা করছে। লাভ হলে পরের বার ১২ থেকে ১৫ হাজার বস্তায় চাষের পরিকল্পনা আছে। তাঁদের এই ‘বস্তার বাগান’ দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন।
পণ্য ও সেবা
আদা
বস্তায় চাষ; প্রতিবেদনে উল্লিখিত সাধারণ বাজারদর পাইকারি ৩০০ ও খুচরা ৪০০ টাকা কেজি
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
