প্রতীকী ছবিসোলাইমান হোসেন মোল্লার পানের বরজ
বোধখানায় সাড়ে তিন বিঘার ভারতীয় বনহুঘলি পানের বরজ
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বোধখানা গ্রামের সোলাইমান হোসেন মোল্লা (২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদন অনুযায়ী) বছর তিনেক আগে বোধখানা মাঠে ১৮ কাঠা জমিতে ভারত থেকে আনা বনহুঘলি জাতের পানের লতা (কাটিং) রোপণ করেন; জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ ও বেড়া মিলিয়ে খরচ হয় আড়াই লাখ টাকা। রোপণের আড়াই মাস পর থেকে পান তোলা শুরু হয়, একবার লাগালে অন্তত দশ বছর পান ধরবে। প্রথম বছরে পাঁচ লাখ টাকার পান বিক্রির পর তিনি বরজ সাড়ে তিন বিঘায় বাড়ান; তিন বছরে পান ও লতা বিক্রি করে মোট ২৪ লাখ টাকা আয় করেছেন, এর মধ্যে শুধু লতা (কাটিং) বিক্রি ১৪ লাখ টাকা। ২০২০ সালে আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ে বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সে বছর লাভ হয়নি। সপ্তাহে দুই দিন পান তুলে বাছাই করে বাজারে পাঠান; বড় আকারের এই পানের চাহিদা বেশি। রাসায়নিক সার কম দিয়ে জৈব সার ও খৈল বেশি ব্যবহার করেন। তাঁর কাছ থেকে লতা নিয়ে এলাকার অনেক চাষি এখন পান চাষ করছেন।
পণ্য ও সেবা
পান
ভারতীয় বনহুঘলি জাত, বড় আকারের
পানের লতা (কাটিং)
চাষের জন্য
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
