সুমন মিয়ার আঙুরবাগান
সাত শতাংশ জমিতে ১৩ জাতের লাল, সবুজ ও কালো আঙুর
ভালুকা, ময়মনসিংহশুরু ২০২২ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কৈয়াদী গ্রামের কলেজপড়ুয়া তরুণ সুমন মিয়া মাত্র সাত শতাংশ জমিতে ১৩ জাতের আঙুর চাষ করছেন। তিনি টাঙ্গাইলের সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজে সমাজকর্মে স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষে পড়েন; বাবার কৃষিকাজ ও স্থানীয় বাজারে পরিবারের কীটনাশকের দোকান তাঁকে কৃষিতে টেনেছে। ইউটিউব ও ফেসবুকে চাষপদ্ধতি দেখে ২০২২ সালে যশোর থেকে ভারতীয় জাতের ২৭টি চারা এনে বাড়ির পাশে লাগান; প্রথম বছর আঙুর মিষ্টি হয়নি। পরে নাটোর, রাজশাহী, ফরিদপুর, জামালপুরসহ নানা জায়গা থেকে ১৩ জাতের ৬০টি চারা এনে নতুন করে বাগান সাজান; উঁচু মাচায় ৩৫টি গাছে এবার ভালো ফলন হয়েছে, প্রতিটিতে ১৫–২০ কেজি। শুধু ছত্রাকনাশক লাগে। স্থানীয় লোকজন বাগান দেখতে ও আঙুর কিনতে আসেন; সবুজ আঙুর ৪০০ টাকা ও লাল-কালো আঙুর ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন। অনেকে তাঁর কাছ থেকে চারা নিয়ে চাষ শুরু করেছেন; কৃষি বিভাগ বলছে, চারা তৈরিতেও তিনি দক্ষ হয়ে উঠছেন।
পণ্য ও সেবা
সবুজ আঙুর
৳৪০০ / কেজি
লাল ও কালো আঙুর
৳৪৫০ / কেজি
ব্ল্যাক রুবি, ব্ল্যাক ম্যাজিক, অস্ট্রেলিয়ান কিংসহ নানা জাত
আঙুরের চারা
অনেকে তাঁর কাছ থেকে চারা নিয়ে চাষ শুরু করেছেন
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
