প্রতীকী ছবিসুমন মিয়ার তরমুজখেত
ভূঞাপুরের যমুনার চরে ইউটিউব দেখে শুরু করা হলুদ তরমুজের খেত
ভুয়াপুর, টাঙ্গাইলশুরু ২০২৫ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা চরের ফলদাপাড়া নদীভাঙন এলাকায় ভুট্টা ও বাদাম চাষে সফল হওয়ার পর সুমন মিয়া (২৮) এবার হলুদ তরমুজ চাষ করেছেন। তিনি ভূঞাপুর সরকারি ইব্রাহিম খাঁ কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থী। ইউটিউবে দেখে উৎসাহিত হয়ে ২০২৫ সালে প্রথমবার পাঁচ বিঘা জমি লিজ নিয়ে তৃপ্তি, মধুমালা ও পাকিজা জাতের তরমুজ লাগান; প্রায় পাঁচ হাজার গাছে তরমুজ এসেছে। তৃপ্তি ও মধুমালার বাইরের রং হলুদ, পাকিজা সবুজ, ভেতরে লাল; প্রতিটির গড় ওজন ৫-৭ কেজি। মোট খরচ প্রায় ছয় লাখ টাকা, আর পাঁচ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন। খেত দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ আসেন; তাঁর দেখাদেখি অন্তত ১০ জন তামাকচাষি আগামী বছর তরমুজ চাষের আগ্রহ দেখিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি বড় পরিসরে বাণিজ্যিক চাষের পরিকল্পনা করছেন।
পণ্য ও সেবা
হলুদ তরমুজ (তৃপ্তি, মধুমালা)
প্রতিটি গড়ে ৫-৭ কেজি
পাকিজা তরমুজ
বাইরে সবুজ, ভেতরে লাল
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
