তামজীদের মরিচখেত
চাকরি ছেড়ে বারবাকপুরে মালচিং পদ্ধতিতে ধূমকেতু ও নাগাফায়ার মরিচ
ঝিকরগাছা, যশোরশুরু ২০২৩ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বারবাকপুর গ্রামের মৃত আওয়াল-উল ইসলাম রানার ছেলে মোস্তফা তামজীদ-উল ইসলাম যশোর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করে একটি বেসরকারি ইলেকট্রনিকস কোম্পানিতে চাকরি করতেন। পরিবারের কথা ভেবে বাড়ি ফিরে কৃষিতে নামেন এবং ২০২৩ সালে প্রথমবার দেড় বিঘা জমিতে উচ্চফলনশীল ধূমকেতু ও নাগাফায়ার জাতের মরিচ চাষ করেন। এপ্রিলের প্রথমে বগুড়া থেকে চারা এনে লাগান; ৪৫ দিনে ফল আসে, ৫৫ দিনে পুরোদমে তোলা শুরু হয়। এখন প্রতি সপ্তাহে চার মণ করে মরিচ ওঠে, প্রতি ৫-৬ দিন পরপর তুলতে হয়। মালচিং পদ্ধতিতে খরচ পড়েছে ৬০ হাজার টাকা; এর মধ্যে প্রায় দুই লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করেছেন এবং অন্তত আড়াই লাখ টাকা লাভের আশা করছেন। মরিচ আকারে বড় ও ঝাঁঝ বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি।
পণ্য ও সেবা
কাঁচা মরিচ
ধূমকেতু ও নাগাফায়ার জাত
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
