প্রতীকী ছবিউত্তম বিশ্বাসের বেগুনখেত
রঘুনাথপুরে মালচিং পদ্ধতিতে বর্ষার বেগুন; ২০ শতাংশ থেকে ৩ লাখ টাকার বিক্রির আশা
গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জশুরু ২০২৪ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের কৃষক উত্তম বিশ্বাস ২০২৪ সালে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ২০ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ভাঙ্গুর ও বিকাশ জাতের বেগুন চাষ করেন; ওই ব্লকে এ বছরই প্রথম এই পদ্ধতির চাষ হয়। অতিবৃষ্টিতেও গাছের গোড়ায় পানি জমেনি, গাছ মরেনি; সার গুটি করে গোড়া থেকে দূরে দিয়েছেন, খেত পরিষ্কার রাখায় পোকার আক্রমণও কম। রোপণের ৬৫ দিনে বেগুন তোলা শুরু হয়; ৮৩ দিনে ১ হাজার কেজি বেগুন ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছেন। খরচ মাত্র ৩৮ হাজার টাকা; ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তুলে অন্তত ৩ লাখ টাকার বেগুন বিক্রির আশা। তাঁর দেখাদেখি অনেকে এই পদ্ধতিতে সবজি চাষে আগ্রহী হয়েছেন।
পণ্য ও সেবা
বেগুন (ভাঙ্গুর ও বিকাশ জাত)
৳১৪০ / কেজি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
