২০১২ থেকে এক ক্লায়েন্টের কাজে ১৫ জনের দল, এআই আসার পর আয় কমল ৮০%
২০১১ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিং করা এক উদ্যোক্তার দল ২০১২ সাল থেকে একটি বিদেশি কোম্পানির ডিজাইন, ছবি সম্পাদনা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার কাজ করত। এআই দিয়ে সেই কাজ হওয়া শুরু হলে পুরো ব্যবসা হাতছাড়া হয়, আয় কমে ৮০ শতাংশের বেশি।
দ্য ডেইলি স্টারের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে এক নারী ফ্রিল্যান্সারের কথা আছে, যিনি ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ফ্রিল্যান্সিং করছেন। ২০১২ সাল থেকে তাঁর দল একটি বিদেশি কোম্পানিকে সেবা দিত; এক পর্যায়ে ওই কোম্পানির কাজে ১৫ জন পর্যন্ত কাজ করতেন। কোম্পানিটি দলের জন্য অফিসের জায়গা আর ল্যাপটপও দিত, কোভিডের সময় তাদের ব্যবসা বাড়ায় দলও বড় হয়। দলের কাজ ছিল গ্রাফিক ডিজাইন, ছবি সম্পাদনা আর প্রকল্প ব্যবস্থাপনা। এআই আসার পর সেই কাজ এআই দিয়েই হতে থাকে। তাঁর ভাষায়, ‘এআই আসার পর আমাদের পুরো ব্যবসা বিক্রি হয়ে গেল।’ বড় এই ব্যবসা হারানোর পর তাঁর আয় ৮০ শতাংশের বেশি কমেছে। একই প্রতিবেদনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞ ঢাকার আরেক ফ্রিল্যান্সার জানান, তাঁর পাঁচ সদস্যের দলের কাজ প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে; পুরোনো সরাসরি ক্লায়েন্টরা ধাক্কা কিছুটা সামলে দিয়েছেন, আর দলটি এখন আপওয়ার্ক-ফাইভারের ওপর পুরো নির্ভর না করে সরাসরি ক্লায়েন্ট খোঁজায় বেশি মন দিচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ডেটা এন্ট্রি, ছবি সম্পাদনা, সাধারণ কনটেন্ট লেখার মতো সহজ কাজ সবচেয়ে চাপে, অথচ আপওয়ার্কে এআই-সংক্রান্ত কাজের ঘণ্টাপ্রতি রেট গড়ে ৪০ শতাংশের বেশি।
যা শেখার আছে
- ১.একটি ক্লায়েন্টের ওপর পুরো দল নির্ভর করলে সেই ক্লায়েন্ট চলে গেলে পুরো ব্যবসা যায় — একাধিক ক্লায়েন্ট রাখুন।
- ২.যে কাজ এআই সহজে করতে পারে, সেখানে দাম কম রেখে টিকে থাকা কঠিন; দলকে জটিল ও এআই-সংক্রান্ত কাজে দক্ষ করুন।
- ৩.সরাসরি পুরোনো ক্লায়েন্টদের সঙ্গে সম্পর্ক বাজার খারাপ হলে আয়ের ধস কমায়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
