মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে জামালপুরের মাদারগঞ্জের একটি বহুমুখী সমবায় সমিতি

লাখে মাসে ১,২০০–১,৫০০ টাকা লাভের লোভ, ১৩–১৪ হাজার গ্রাহকের টাকা আটকে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে নিবন্ধিত একটি বহুমুখী সমবায় সমিতি ব্যাংকের মতো আমানত নিয়ে অস্বাভাবিক লাভ দিত; পরে কর্মকর্তারা অফিস বন্ধ করে আত্মগোপনে যান। সিআইডি প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে নিবন্ধিত একটি বহুমুখী সমবায় সমিতি কাজ করছিল ব্যাংকের মতো। প্রতি এক লাখ টাকা আমানতে মাসে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকা লাভ দেওয়ার কথা বলে তারা প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার গ্রাহকের টাকা নেয়। শুরুতে অল্প কিছু লাভ দেওয়া হয়, পরে সমিতির কর্মকর্তারা অফিস বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। সিআইডির ভাষ্য, পরিচালকেরা টাকা আত্মসাৎ করে নিজেদের নামে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে দামি সম্পদ কেনেন — ১৫ একরের একটি ইটভাটা, গাজীপুরে ৩৫০ শতাংশ জমির ওপর পোশাক কারখানা, বসুন্ধরায় ৯টি প্লট ইত্যাদি। মোট ৩,১১৩ শতাংশ জমি ও স্থাপনাসহ প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের আদেশ দেন আদালত, ৯ জুলাই ২০২৫। জড়িতদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়, আর মানি লন্ডারিং মামলা চলছে। সমবায় নিবন্ধন থাকলেও সমিতিটির ব্যাংকিং কার্যক্রমের অনুমোদন ছিল না — এটিই মূল শিক্ষা: সমিতি চালাতে গেলে আমানতের টাকা সদস্যদের ঋণেই থাকতে হবে, অন্য ব্যবসায় বা সম্পদ কেনায় নয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.বাজারের চেয়ে অনেক বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি (লাখে মাসে ১,২০০–১,৫০০ টাকা, বছরে ১৪–১৮%) টেকে না; আমানত নেওয়ার আগে লাভের উৎস স্পষ্ট হতে হবে।
  2. ২.সমবায় নিবন্ধন মানে ব্যাংকিংয়ের অনুমতি নয়; জনসাধারণের আমানত নিতে নিয়ম মেনে চলুন।
  3. ৩.সদস্যদের টাকা পরিচালকদের ব্যবসা বা জমি কেনায় সরালে পুরো সমিতি ভেঙে পড়ে এবং মামলা হয়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।