মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেদ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে বরগুনার আমতলীর একজন কুলচাষি · ২০২১ সালে শুরু

একরে ১৫ হাজার টাকায় জমি ইজারা, কুলবাগান থেকে বছরে ১০ লাখ

২০২০ সালে এনজিওর চাকরি হারিয়ে পরের বছর ২.১৭ একর জমি বছরে একরপ্রতি ১৫,০০০ টাকায় ইজারা নিয়ে ৪০০-র বেশি কুলগাছ। বছরে অন্তত ১০ টন ফল, আয় প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা; দাম কেজিতে ১২০ থেকে নেমে ৮০–১০০ টাকা।

বরগুনার আমতলী উপজেলার গোছখালীর এই তরুণ ২০২০ সালে এনজিওর চাকরি হারান, আর পরের বছর ২.১৭ একর জমি বছরে একরপ্রতি ১৫,০০০ টাকায় ইজারা নিয়ে কুলের বাগান করেন। আপেল কুল, কাশ্মীরি কুল, বাউকুল আর বনসুন্দরী — চার জাতের ৪০০-র বেশি গাছ লাগানো হয়। প্রায় এক বছরের মধ্যেই বাগান ফলনে আসে, এখন মৌসুমে অন্তত ১০ টন কুল হয় আর বছরে আয় দাঁড়ায় প্রায় ১০,০০,০০০ টাকায়। তবে প্রথম মৌসুমে কেজিপ্রতি যে ১২০ টাকা পেতেন, এখন সেটা নেমেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় — আশপাশে কুলের চাষ বাড়ায় দামটা দুই মৌসুমেই এক-তৃতীয়াংশ কমেছে। তিনি এর মধ্যে বাগান বাড়িয়ে সাড়ে ৫ একরে নিয়ে গেছেন, দুজন কর্মী রেখেছেন, আর বড় বাগান থেকে বছরে প্রায় ২৫,০০,০০০ টাকা আয়ের আশা করছেন — এটি প্রত্যাশা, এখনকার আয় নয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.একরপ্রতি বছরে ১৫,০০০ টাকার বাঁধা ইজারায় জমি না কিনেই কয়েক বছরের বাগান করা গেছে
  2. ২.চার জাতের গাছ লাগিয়েও দুই মৌসুমে কেজিপ্রতি দাম এক-তৃতীয়াংশ কমেছে — স্থানীয়ভাবে সরবরাহ বাড়লে জাতের বৈচিত্র্যও দাম ধরে রাখে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।