মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে নওগাঁর আত্রাইয়ের একজন নারী মাশরুম চাষি · ২০২৩ সালে শুরু

১০ হাজার টাকা আর ৫০ প্যাকেট থেকে মাসে আয় ২৫–৩০ হাজার

২০২৩ সালে ১০,০০০ টাকায় ৫০ প্যাকেট স্পন দিয়ে ঘরেই শুরু; এখন ৪০০ প্যাকেট আর দিনে ৫–৬ কেজি মাশরুম। মাসে বিক্রি ৪০,০০০–৪৫,০০০ টাকা, খরচ বাদে থাকে ২৫,০০০–৩০,০০০ টাকা।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সিংসাড়া গ্রামের দুই সন্তানের মা এই গৃহিণী মাশরুম চাষের একটি ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২০২৩ সালে ১০,০০০ টাকা আর ৫০ প্যাকেট স্পন নিয়ে নিজের ঘরেই চাষ শুরু করেন। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্যাকেটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪০০-তে নিয়েছেন, এখন দিনে ৫ থেকে ৬ কেজি মাশরুম তোলেন। প্যাকেট বসানোর ৩০ থেকে ৩৪ দিনের মধ্যেই ফসল তোলা যায়, তাই টাকা দ্রুত ঘোরে। তাজা মাশরুম পাইকারি ৩০০ টাকা কেজি দরে যায়, আর একাংশ শুকিয়ে ২,০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেন। মাসে বিক্রি দাঁড়ায় ৪০,০০০ থেকে ৪৫,০০০ টাকা, খরচ বাদে থাকে ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা। গরমের কারণে বছরে ৩ থেকে ৪ মাস উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়, তাই বর্ষা আর শীতই তাঁর কাজের মৌসুম; তাঁকে দেখে গ্রামের আরও অনেকে মাশরুম চাষে নেমেছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঘরের ভেতরেই ১০ হাজার টাকায় মাশরুম শুরু করা যায়, আর প্রথম ফসল আসে মাসখানেকের মধ্যেই — টাকা দ্রুত ফেরে
  2. ২.গরমে ৩–৪ মাস উৎপাদন বন্ধ থাকে, তাই আয়ের হিসাব সারা বছরের নয় — আর শুকিয়ে রাখাই দুই মৌসুমের মাঝে দাম ধরে রাখার উপায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।