ফ্লাইট বন্ধ হতেই দুই কোটির রপ্তানি থেমে এক কোটি টাকার লোকসান
বড়লেখার সুজানগরের এই আগর-আতর কারখানা সাধারণ বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করে। করোনায় মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় ২০২০ সালে ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি টাকা।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সুজানগর দেশের আগর-আতরের কেন্দ্র, আর এখানকার এই কারখানার পুরো বাজারই মধ্যপ্রাচ্য। সাধারণ বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার আতর রপ্তানি হয়। করোনার সময় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাল পাঠানোই আটকে যায়; মালিকের হিসাবে, "করোনায় মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় গত বছর আমার প্রায় ১ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে।" দেশের ভেতরে এই পণ্যের বাজার নেই বলে অন্য কোথাও বিক্রি করে ক্ষতি সামলানোর সুযোগও ছিল না। ২০২১ সালে প্রতিবেদনটি যখন লেখা হয়, তখনো চাপ কাটেনি — গ্রামের অন্য অনেক কারখানার গুদামেও অবিক্রীত আতর জমে ছিল। কারখানার পুঁজি কত ছিল বা কোন সাল থেকে চলছে, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.পুরো বিক্রি যদি এক অঞ্চলে রপ্তানির ওপর দাঁড়ায়, উড়োজাহাজ বন্ধ হলেই বিক্রি শূন্য — দেশে বাজার না থাকলে ফেরার জায়গাও থাকে না
- ২.আতর পচে না ঠিকই, কিন্তু গুদামে বসে থাকা মাল মানে বসে থাকা পুঁজি — এক বছরের চালান আটকালে পরের বছরের হিসাবও ভেঙে পড়ে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
